রোহিঙ্গা সঙ্কট: হাম ও সংক্রামক টিকা তৎপরতা জোরদার করছে জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১১ নভেম্বর ২০১৭, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৮:৫৬
গাদাগাদি করে আশ্রয় শিবিরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের রোগ প্রতিরোধে টিকা দেয়ার তৎপরতা বৃদ্ধি করবে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘ। অস্থায়ী শিবিরগুলোতে সন্দেহজনক হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর প্রেক্ষিতে এমন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ইউএন নিউজে এ কথা বলা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, এখনও বাংলাদেশে আসছে অনেক রোহিঙ্গা। স্থানীয় সম্প্রদায় ও এসব রোহিঙ্গার মধ্যে সন্দেহজনকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে হাম।
এরই প্রেক্ষিতে এমন উদ্যোগ নিয়েছে জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা ডব্লিউএইচও এবং জাতিসংঘের শিশু তহবিল বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি এডুয়ার্ডো বেগবেডার বলেছেন, হামের প্রাদুর্ভাভ দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া আরো সংক্রামক রোগ দেখা দিয়েছে। এতে বিশেষ করে ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। গাদাগাদি করে বসবাস করা, পুষ্টিহীনতা, সুপেয় পানির অভাব, আশ্রয় শিবিরের ভিতরে ও অন্যান্য স্থানে পয়ঃনিষ্কাশনের সঙ্কটের ফলে এসব রোগ দেখা দিচ্ছে। তাই কোনো সংক্রামক রোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া থামাতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এর উদ্দেশ্য হবে, যত তাড়াতাড়ি পারা যায় যত বেশি সম্ভব শিশুকে অবিলম্বে রক্ষা করা। উল্লেখ্য, কক্সবাজারে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের মধ্যে যাদের বয়স ৬ মাস থেকে ১৫ বছরের মধ্যে তাদের এমন প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার শিশুকে হাম ও রুবেলা টিকা দেবে জাতিসংঘের বিভিন্ন এজেন্সি ও এর অংশীদাররা। এ কার্যক্রমের আওতায় থাকবে স্থানীয় সম্প্রদায়ও। কক্সবাজারে বিপদজনক অবস্থায় বসবাস করা এসব মানুষের মাঝে ৪ঠা নভেম্বর পর্যন্ত হামে আক্রান্ত শিশু সনাক্ত করা হয়েছে ৪১২ জন। আর এতে মারা গেছে একজন। এ বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএইচও’র প্রতিনিধি এন পারানিথারান বলেছেন, ৬ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের মাঝে এমআর টিকা দিতে তৎপরতা জোরালো করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ৪৩টি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক স্থাপনা, বিভিন্ন স্থানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ৫৬টি টিকাদান বিষয়ক টিম ও সীমান্তের মূল পয়েন্টগুলোতে টিকাদান বিষয়ক টিম এই টিকা দেবে। ওদিকে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক এজেন্সি ও এর অংশীদাররা কক্সবাজার এলাকায় সড়ক উন্নয়ন কাজে গতি এনেছে। এর লক্ষ্য, পাহাড়ি এলাকায় সহজে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়া। এসব পাহাড়ি এলাকায় কয়েক লাখ রোহিঙ্গা অস্থায়ী শিবিরে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম শুক্রবার বলেছে, রোহিঙ্গারা যেখানে অবস্থান করছে তা অতিরিক্ত মানুষে উপচে পড়ছে। পাহাড়ি এলাকায় অমানবিক অবস্থায় বসবাস করছে তারা। সেখানে নেই পর্যাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা। সড়ক যোগাযোগ তো নেই বললেই চলে। যা-ও বা দু’একটা সড়কের অস্তিত্ব আছে তা মানুষে মানুষে পরিপূর্ণ। ফলে আশ্রয় গ্রহণকারীদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে চরম জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য তাদেরকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

২০১৮ সালে প্রবল ভুমিকম্পের আশঙ্কা!

কেয়া চৌধুরী এমপি’র উপর হামলার ঘটনায় মামলা

বাংলাদেশের রাজনীতি, বিকাশমান মধ্যবিত্ত এবং কয়েকটি প্রশ্ন

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতাতে আহত ডিবি পুলিশ

প্রতিবেশীদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকা জরুরীঃ বাংলাদেশকে মিয়ানমার

তারেক রহমানের জন্মদিন পালন করবে বিএনপি

রোহিঙ্গা শিবিরে যেতে চান প্রণব মূখার্জি

তালাকপ্রাপ্ত নারীকে অপহরণের পর গণধর্ষণ

আরো ১০ দিন বন্ধ থাকবে লেকহেড স্কুল

জাতিসংঘকে দিয়ে রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধান হবে নাঃ চীন

ম্যনইউয়ের টানা ৩৮

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সংলাপে সহায়তা করতে আগ্রহী চীন

জল্পনার অবসান ঘটালেন জ্যোতি

চীনের বেইজিংয়ে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১৯ আহত ৮

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এমপি গোলাম মোস্তফা আহমেদ

বিশ্ব সুন্দরীর মুকুট মানসী চিল্লার-এর