মন্ত্রী বললেন

জলাবদ্ধতার কী দেখেছেন কলকাতা-মুম্বই যান

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২৩ অক্টোবর ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ৫:১৭
ঢাকার জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘ঢাকার জলাবদ্ধতা আপনি কী দেখছেন। কলকাতায় যান, বোম্বেতে যান, পৃথিবীর প্রত্যেকটি ক্রমবর্ধমান সিটিতে এ সমস্যা আছে’। গতকাল সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘নির্মল পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবান প্রজন্ম গড়তে মেডিকেল বর্জ্য  ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন। সেমিনারে ঢাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তবে, আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। এ লক্ষ্যে ঢাকা শহরের ৪৭টি খাল পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ঢাকা শহরের মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সিটি করপোরেশন, ওয়াসাসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এসব সমস্যা সমাধানে সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ঢাকা মহানগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন ও ওয়াসাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতার বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরের সমস্যাগুলো এক দিনের নয়, এগুলো দীর্ঘদিনে সৃষ্টি হয়েছে। তাই সমাধানেও একটু সময় লাগছে। তবে, তা নিরসন করা সম্ভব, আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ  করছি। আশা করি আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই জলাবদ্ধতা সমস্যার অনেকটা সমাধান হবে। তিনি আরো বলেন, ঢাকা শহরের খালগুলো ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এগুলো পরিষ্কার করতে হবে। সবক’টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। সেমিনারে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, হাসপাতাল ও ওষুধ কোম্পানিগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এসব ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো এ ব্যাপারে সহযোগিতা করে যাচ্ছে।
সেমিনার শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন ঢাকার জলাবদ্ধতার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ঢাকায় দুই দিনে ২৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বিরাজমান সমন্বয়হীনতার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৬টি সংস্থা কাজ করে। তবে, অতিবর্ষণজনিত জলাবদ্ধতা নিরসনের মূল দায়িত্ব ঢাকা ওয়াসার। সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ কিছু ড্রেনেজের কাজ করে। সিটি করপোরেশন ওয়াসার সঙ্গে সমন্বয় করে জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সাঈদ খোকন বলেন, সিটি  করপোরেশনের অন্য যেকোনো কাজের চেয়ে সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। বর্তমানে উচ্চ আদালতের নির্দেশে সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে কোনো বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম আর পরিচালনা হয় না। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ওসমান গনির সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী  কর্মকর্তা মিসবাহুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল প্রমুখ।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

shiblik

২০১৭-১০-২২ ২২:৩৯:৩২

মন্ত্রিমহদয় কি কলকাতার সাথে জলাবদ্ধতার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন?

আপনার মতামত দিন

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আকরাম ৮ দিনের রিমান্ডে

টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে রংপুর

বাড়ি ফিরেছেন নিখোঁজ ব্যবসায়ী অনিরুদ্ধ রায়

শিক্ষার্থীদের মাথা ন্যাড়ার শর্তে এসএসসি’র ফরম পূরণ!

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে

একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ

শিক্ষিকা-ছাত্রের যৌন সম্পর্ক, অতঃপর...

রাবি অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার

‘সমাবেশে জোর করে লোক আনা হয়েছে’

সমাবেশ মঞ্চে শেখ হাসিনা

যুদ্ধাপরাধের ২৯তম রায়ের আপেক্ষা

সিরিয়া ইস্যুতে আবারো রাশিয়ার ভেটো

হারিরির সৌদি আরব ত্যাগ

প্যারাডাইস পেপারসে শিল্পপতি মিন্টু ও তার পরিবারের নাম

ইরাক ও ইসরায়েল সুন্দরী একসঙ্গে সেলফি তুলে বিপাকে

‘বিএনপিকে দূরে রেখে নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে’