বরফ গলে জন্ম যার

চলতে ফিরতে

কাজল ঘোষ, চীন থেকে ফিরে | ১৯ অক্টোবর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৯
ছবি: দেবাশীষ বর্মন
১৯টি চূড়া। ১৮টি ঝরনা। চাংশান পর্বতমালা। ত্বালি। সিটি অব রোমান্স। ইউনান ইউনিভার্সিটিতে একটি পৃথক সেশন ছিল ত্বালি নিয়ে।
মুগ্ধতার অবশিষ্ট আর কি থাকে! ত্বালি যাওয়ার আগে নির্দেশনা এলো। রেইনকোট আর ছাতা বাধ্যতামূলক। শীত বাড়তে পারে। আরো একগুচ্ছ সচেতনতা। আর আমাদের গ্রুপকে মাথায় পড়তে হবে লাল টুপি। কৌতূহল এটা কি কমিউনিস্ট দেশ বলে। না এটা মাও সে তুং-এর লাল টুপি না। চার গ্রুপ এক সঙ্গে পথ চলছি। একেক গ্রুপকে নির্দিষ্ট করতেই গাইডরা এই কৌশলটি চাপিয়ে দিয়েছেন আমাদের ওপর। গাইড ই যখন তখন রেড গ্রুপ বলে আমাদের দল ভারি করতেন। প্রথম দর্শনেই আমরা পেয়ে যাই ইরহাই বা আরহাই লেক। এটি কুশাং ভিলেজে চাইনিজ প্রেসিডেন্ট যে বাড়িতে ছিলেন তা দেখে বের হওয়ার পথেই পড়েছে। গ্রামের মাঝখান দিয়ে পথ চলায় আমরা বুঝতে পারিনি আমাদের সামনে কি বিস্ময় অপেক্ষা করছে। ইরহাই যতই নিকটবর্তী হচ্ছিল ততই তার গর্জন আমাদের টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। অকস্মাৎ বিশাল জলরাশি মুক্তোর দানার মতো ঝিলিক দিয়ে চমকে দেয় আমাদের। পাগলের মতো সব ছুটতে থাকে। চীনের সত্তর ভাগই পর্বতমালা। কাজেই এর মধ্যে এরকম একটি বড় আকারের জলরাশি আমাদের চোখের জন্য ছিল সত্যিই আরামদায়ক। সোৎসাহে পরিচিত হতে লাগলাম এই লেকটির সঙ্গে। যতদূর চোখ যাচ্ছিল দেখছিলাম লেক পাড়েই দাঁড়িয়ে আছে ত্বালি এনসিয়েন্ট সিটি বা প্রাচীনকালীন শহর। এক পাশে অনেক উঁচু উঁচু ভবন সাক্ষী দিচ্ছিল নতুন শহরও একে ঘিরেই। এই লেক ঘিরেই গড়ে উঠেছে বিশাল বিনোদন কেন্দ্র। রয়েছে বাই নৃ-গোষ্ঠীর জেলে পাড়া। যারা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। বড় জাহাজে করে পর্যটকরা দেখতে পারেন চাংশান আর ইরহাই লেকের মধুরতম রসায়ন। চাংশান তার সৌন্দর্য্য প্রকাশ করে এই লেকের জলেই। দিনের সূর্যতাপ আর রাতের চাঁদের মিষ্টি আলো প্রতিবিম্ব তৈরি করে এই লেকেই। বিশেষত যে রাতে চাঁদ তার পূর্ণ আলো দেখা দেয় ত্বালিতে। সেদিন ইরহাই যেন ভরা যৌবন নিয়ে উদ্দীপ্ত হয়। ভাবুন তো কোনো কোজাগরী পূর্ণিমায় আপনি ইরহাই-এর পাড়ে। প্রকৃতির এক অনিন্দ্যকান্তি সৌন্দর্য্য উপভোগ করে সত্যিই ভাগ্যবান ত্বালিবাসী। বাই নৃ-গোষ্ঠীরা নানা আয়োজনে সেই দিনগুলোকে করে আরো স্মরণীয়। তাই তো ইরহাই পরিচিত মুুন লেক বলে। একেই আবার বলা হয় ্তুঞযব চবধৎষ ড়ভ চষধঃবধঁ্থ। চংশান পর্বতমালার মুক্তো। ইরহাই কেন এই লেকের নাম? তা নিয়েও মজার তথ্য আছে। এর আকৃতি অনেকটাই মানুষের কানের মতো। তাই একে স্থানীয়রা বলে ্তুঊধৎ-ঝযধঢ়বফ ঝবধ্থ. আদতেও বাড়িয়ে বলা হয়নি। দৃশ্যমান এই লেক যেন একটি বড় কান। মনে হয় এর উন্মাতাল সৌন্দর্য্যে কান চেপে ধরি। এত বেশি মথিত হয়েছিলাম ত্বালির প্রথম বিকালে। মিষ্টি বাতাস আর দিগন্তবিস্মৃত নীল জল খুব টানছিল। ইরহাইয়ের জলে ভিজে সিক্ত হই এমনটা ভেতরে ভাবলেও পোশাক সংকট অনেকটাই সে পথ আটকে দেয়। তবু কনুই পর্যন্ত হাত আর হাঁটু পর্যন্ত পা কে আটকে রাখে। সেই ঠাণ্ডা জলে বেশ ক’বার চোখ ভিজিয়েছি। সকল ক্লান্তি কাটাতে লেক পাড় উদাসীন হেঁটেছি অনেকটা সময়। পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি চাইনিজ মেয়ের দোকান থেকে পাঁচ আরএমবি দিয়ে নারকেলি আইসক্রিম কিনলাম। ঠাণ্ডা হাওয়ায় নারকেলির স্বাদ যেন উপচে পড়ছিল ইরহাইয়ের পাড়। মন চাইছিল না ফিরি। বাধ্যতা। ফিরতেই হবে। তবু লুকিয়ে বসেছিলাম ইরহাই-এর ধারে অনেকটা সময়। বিস্তীর্ণ জলরাশির ঝাঁপটা এসে গায়ে লাগছে। মৃদু বাতাস বইছে। আর খেয়াল রাখছিলাম টিমমেটরা সব চলে গেছে নাকি কিছু অবশিষ্ট আছে। একেবারে শেষবেলায় গিয়ে বাসে উঠি। তবু চোখ যতটুকু যায় দেখছিলাম ইরহাই-কে। আর তিনদিন অবস্থানকালে ক্ষণে-ক্ষণে যখনই আমরা নানান জায়গায় বেড়াতে গিয়েছি তা থ্রি প্যাগোডা অথবা চাংশান কেবল কারে করে পর্বত চূড়ায় দূর থেকে ইরহাই জানান দিয়েছে সঙ্গেই আছে। ত্বালিতে অবস্থানের দ্বিতীয় দিন আমরা একটি লেকে নৌকা চালানো বা বোটিং-এর সুযোগ পেয়েছিলাম। সেটিও ছিল অন্যরকম অসাধারণ অভিজ্ঞতা। তবে দুই লেকের দুই ধারা। একটি বিস্তৃত মাইলের পর মাইল জুড়ে। তা হচ্ছে ইরহাই। আর অন্যটি সীমিত পরিসরে। কিন্তু একেবারে চাংশানের কোলে। এর নাম ইংরেজিতে ওয়েস্ট লেক। আর চাইনিজ ভাষায় ইরইউয়ান (ঊৎুঁধহ) লেক। থ্রি প্যাগোডা দেখার পর সুযোগ আসে ইরইউয়ান দেখার। আগের মুগ্ধতা চোখ জুড়ে। মনের ভেতর এক রকম উথাল পাথাল। আজও নিশ্চয়ই উপভোগ্য হবে বিকালটা। হয়েছিলো তাই। তবে ভিন্নভাবে। ওয়েস্ট লেক একটি ছোট পরিসরে দাঁড়িয়ে আছে চাংশান-এর কোলে। চাংশান থেকে উদ্ভুত লাওসি নদীই এর উৎস। এর চারপাশে রয়েছে বাই সম্প্রদায়ের বেশ কিছু বাড়িঘর। অনেক বাড়ি একেবারে লেকের ভেতরেই। ছোট ছোট বোট নিয়ে তারা চলাফেরা করে। ত্বালি শি লু এলাকায় আমাদের বিশাল বহরকে স্বাগত জানায় স্থানীয় গাইড আফং। তরুণ আফং নিজেও তাল সামলাতে পারছিল না আমাদের নিয়ে। ত্রিশ আরএমপি দর্শনীর বিনিময়ে টিকিট নিয়ে আমরা লাইনে দাঁড়ালাম। বোট প্রস্তুত। এখানেও বাধ্যতা। সবাইকে লাইফ জ্যাকেট পরতে হবে। খোলা হাওয়ায় গা ভাসাবো তার সুযোগ নেই। মাঝি নৌকো ছাড়ছে না। একেকটি বোটে আমরা ছয়জন করে। সকলের হাতেই বৈঠা। এক সঙ্গে ৮টি বোট যাত্রা শুরু করে। চাংশানের নীল পাহাড়ের নিচে আমরা নৌকা নিয়ে এগিয়ে চলেছি। হঠাৎ খেয়াল করলাম সকলের ভেতরেই প্রতিযোগিতা কে কাকে রেখে প্রথম হবে। আমাদের নৌকায় ছিলেন ইয়ুথ সামার ক্যাম্পের দুই পুরোধা বা যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন লিও লাওসি ও মিশকাত শরীফ। আর পায় কে? সবাই ভেবেছে এটাই সুযোগ তাদের পেছনে ফেলার। সে সুযোগ আর দেয়া যায় না। ভেবে ভেবে আমি, আজিম আর মিশকাত জোরসে হেইয়ো বলে বৈঠা ধরি। এক সময় দেখি সকলের আগে আমাদের নৌকা। কিন্তু ফেরার সময় মনে হয়েছে আমাদের এই তাড়াহুড়ো ছিল বোকামি। কারণ এতে একবারই একটি নির্দিষ্ট এলাকায় নৌকা নিয়ে বেড়ানো যাবে। তাহলে তো খুব দ্রুত সময় শেষ হয়ে গেল। নৌকা তখন যতই দেরিতে ঘাটে যাক ভাবছি তার উল্টোটাই হচ্ছিল। তবে আমাদের সজোরে চিৎকার চাংশানের গায়ে পৌঁছে প্রতিধ্বনি হচ্ছিল- এমন ভাবনা বেশি বলা হবে না। তবে একটা অদ্ভুত বিষয় মনে হচ্ছে আমাদের নৌকা বুঝি ধীরে ধীরে উঠে যাবে মেঘ পাহাড়ের চূড়ায়। তবে চিত্ত প্রশান্ত হয়েছে ক্লান্তি শেষে স্থানীয় বাই নৃ-গোষ্ঠীর সাপের চামড়া দিয়ে তৈরি ট্রাডিশনাল ভায়োলিনের সুরমুর্ছনা। আর সবশেষে অলি সি হু মিলনায়তনে  পৃষ্ঠা ২০ কলাম ৪
 স্থানীয়দের পরিবেশনায় নাচ-গান আর থ্রি কোর্স টি ছিল বাড়তি পাওনা।
দুই লেকের দুই ধারা
ত্বালি এলাকায় ৮টি লেক রয়েছে। ইরহাই, তিয়েনসি, পিহু, ওয়েস্ট লেক, ইস্ট লেক, চিয়ানহু, হেরসিনিয়ান সি ও চিংহাই লেক। এর মধ্যে সর্বাধিক পর্যটকের দৃষ্টি কেড়েছে ইরহাই ও ওয়েস্ট লেক। দুই লেকের দুই সৌন্দর্য্য। ইরহাই বিস্তৃত ত্বালি জুড়েই। এর জন্মও দীর্ঘপথ পরিক্রমায়। সিচুয়ান থেকে। কিন্তু ইরইউয়ান বা ওয়েস্ট লেকের জন্ম ত্বালি লাওসি নদী থেকে।  ইরহাইকে বলা হয়-্থচবধৎষ ড়ভ চষধঃবধঁ্থ। চষধঃবধঁ-এর বাংলা কি হতে পারে। তা খুঁজে পাইনি। তবে কুনমিং-এ ন্যাশনালিটি ভিলেজে নৃ-গোষ্ঠীদের জীবনাচরণ দেখে একেবারে শেষদিকে এক খণ্ড ঢোলের তাল আর সজোরে সুরেলা চিৎকার আমাদের দৃষ্টি কেড়েছিল। চিৎকার বলা ভুল হলো এটি আসলে স্থানীয় পর্বতকে স্মরণ করেই বিশেষ সংগীত। এ সুর মূর্ছনার নাম ্তুঈধষষ ড়ভ চষধঃবধঁ্থ। আমি বুঝি মেঘ আর পাহাড়ের ঐক্যতানে যে প্রাকৃতিক দ্যোতনা তাকেই স্থানীয়রা চষধঃবধঁ বলে অভিহিত করছে। আর চাংশানের ঘন সবুজ আর মেঘেদের থেকে তৈরি তুষারের জলকণা যে লেকে প্রবাহিত তাই ্তুঞযব চবধৎষ ড়ভ চষধঃবধঁ্থ। ইরহাই-এর দৈর্ঘ্য উত্তর-দক্ষিণে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত। প্রস্থে প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার। কুনমিং-এর তিয়েনসি লেকের পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উঁচুতে এই লেকের অবস্থান। পশ্চিমে অবস্থিত চাংশান পর্বতমালা আর ত্বালি শহরের মধ্যখানে ইরহাই যেন স্যান্ডউইচ। ইরহাই-এর সূচনা শাংগুনে। এটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিংচুয়ান থেকে উৎসারিত। উত্তরের মিঝু এবং মিসু নদী থেকে এই লেকের জন্ম। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তুলু নদী পূর্বদিকে আর পশ্চিমে চাংশান পর্বতের ছোট ছোট ঝরনা। ইরহাই-এর মূল নদী প্রবাহ আসে ল্যাংচাং বা ম্যাকং নদী থেকে। ম্যাকং হচ্ছে এই অঞ্চলের সবচেয়ে দীর্ঘতম নদী। যা চীন ছাড়াও লাওস, ভিয়েতনাম দিয়ে প্রবাহিত। ইরহাইকে দুইভাবে দেখার সুযোগ রয়েছে। একটি জাহাজ বা নৌকায় করে। অন্যটি লেকের ধার দিয়ে সাইকেলে বা হেঁটে। একেকভাবে একেক সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় এই লেকে। ইরহাই লেকের ভেতরে রয়েছে ছোট ছোট দ্বীপ এবং উপদ্বীপ। ইরহাই স্থানীয় বাই নৃ-গোষ্ঠীর খাদ্য যোগানের মূল ক্ষেত্র। এ সম্প্রদায়ের বেশির ভাগ মানুষই জেলে হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। এখানে মাছ ধরে বিক্রয় করে সারা বছরই অর্থ উপার্জন করে। আর ইরহাইতে প্রশিক্ষিত বাজ পাখি দিয়ে মাছ ধরার দৃশ্য সত্যিই উপভোগ্য করে। ইরহাই-এর চারধারে চাংশান পর্বতমালার অবস্থান থাকায় বেশ অনেক স্থানই অপরূপ সৌন্দর্য্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যা পর্যটকদের কাছে টানে। বিমোহিত করে। অনেক পর্যটক ইরহাই পাড়ে চাংশান পর্বতমালাকে দেখার জন্য ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়ান। এর স্বচ্ছ জলধারা স্থানীয়দের কাছে সম্পদতুল্য।
১৯৫০ সালে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ্তুঋরাব এড়ষফবহ ঋষড়বিৎং্থ এখানেই চিত্রায়িত হয়েছিল। সেখানে বাই নৃ-গোষ্ঠী জেলে জীবনের সুখ-দুঃখ ছিল প্রধান বিষয়। ইরহাই লেকের ভেতরে ছড়িয়ে থাকা দ্বীপ ও উপদ্বীপের মধ্যে রয়েছে নানঝো ফোক আইল্যান্ড (ঘধহুযড়ড় ঋধষশ ওংষধহফ), লিটল পাতাও আইল্যান্ড (খরঃঃষব চধঃঁড় ওংষধহফ), জিনসো আইল্যান্ড (ঔরহংঁড় ওংষধহফ), লোচোয়ান পেনিসুলা (খঁড়য়ঁড়হ চবহরংঁষধ)।
চাংশান পর্বতমালার বরফ গলা পানি থেকেই জন্ম লাওসি’র। আর তা থেকেই ওয়েস্ট লেক বা ইরইউয়ানের জন্ম। চাংশানের কোল ঘেঁষেই এটি পর্যটকদের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এই লেকে বিকালের কনে দেখা আলোয় নৌকায় ঘুরে বেড়ানো সত্যিই উপভোগ্য। প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এর অবস্থান। সমুদ্র থেকে ১,৯৬৮ মিটার উঁচুতে ইরইউয়ান। ২০১০ সালে চীন সরকার এই লেককে ‘ন্যাশনাল ওয়েস্ট ল্যান্ড পার্ক’ ঘোষণা করেছে।

কাল পড়ুন: সাইকেল যেভাবে এগিয়ে দিয়েছে চীনকে

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

২০১৮ সালে প্রবল ভুমিকম্পের আশঙ্কা!

কেয়া চৌধুরী এমপি’র উপর হামলার ঘটনায় মামলা

বাংলাদেশের রাজনীতি, বিকাশমান মধ্যবিত্ত এবং কয়েকটি প্রশ্ন

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতাতে আহত ডিবি পুলিশ

প্রতিবেশীদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকা জরুরীঃ বাংলাদেশকে মিয়ানমার

তারেক রহমানের জন্মদিন পালন করবে বিএনপি

রোহিঙ্গা শিবিরে যেতে চান প্রণব মূখার্জি

তালাকপ্রাপ্ত নারীকে অপহরণের পর গণধর্ষণ

আরো ১০ দিন বন্ধ থাকবে লেকহেড স্কুল

জাতিসংঘকে দিয়ে রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধান হবে নাঃ চীন

ম্যনইউয়ের টানা ৩৮

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সংলাপে সহায়তা করতে আগ্রহী চীন

জল্পনার অবসান ঘটালেন জ্যোতি

চীনের বেইজিংয়ে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১৯ আহত ৮

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এমপি গোলাম মোস্তফা আহমেদ

বিশ্ব সুন্দরীর মুকুট মানসী চিল্লার-এর