‘প্রধান বিচারপতি ফিরে এসেই কাজে যোগ দিতে পারবেন’

প্রথম পাতা

মানবজমিন ডেস্ক | ১৮ অক্টোবর ২০১৭, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৪০
দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী বলেছেন, ‘চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা যখনই দায়িত্ব নেয়ার জন্য প্রস্তুত হবেন, তখনই নিতে পারবেন। তিনি যদি কাল সকালে আবার দায়িত্ব নিতে চান আমার ধারণা, তাতে কোনো সমস্যা হবে না। সোমবার দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাইকমিশনার এসব কথা বলেন। বাংলাদেশি হাইকমিশনারের কাছে প্রধান বিচারপতি সিনহার বিষয়ে প্রশ্ন করেছিল ওয়াইওন নিউজ। জি নিউজ নেটওয়ার্কের এই টিভি চ্যানেলটি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে বিতর্কের খবর ফলাও করে প্রচার করছে। জবাবে মোয়াজ্জেম আলী প্রথমে রসিকতা করেন।
তিনি বলেন, একজন সিভিল সার্ভেন্ট হিসেবে আমি দুটো জিনিস সব সময় এড়িয়ে চলি। এক, নিজের শ্বশুরবাড়ি নিয়ে কখনও প্রকাশ্যে কথা বলি না। কারণ তাতে আমার বাড়ির দরজা আমার জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে। দুই, আদালত বা বিচারপতিদের নিয়ে কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকি। কারণ কী বলতে কী বলবো, আর আদালত অবমাননার দায়ে ছয় মাস কোর্টে চরকির মতো ঘুরতে হবে। এটা আমি ভয় পাই। তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিতভাবে ছুটির আবেদন করেছেন। তাতে তিনি বলেছেন, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছেন। আগে থেকেই তিনি ক্যানসারে ভুগছেন, কাজেই তিনি অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে চিকিৎসা করাতে চান। এ জন্য লম্বা ছুটি প্রয়োজন। স্বভাবতই রাষ্ট্রপতি তা মঞ্জুরও করেছেন। এখন যদি তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন কিংবা পুরোপুরি সুস্থ না হয়েও কাজে যোগ দিতে চান, তবে তিনি আবার কাজে যোগ দেবেন। এই তো ব্যাপার। হাইকমিশনার বলেন, ‘ঘটনাচক্রে প্রধান বিচারপতি আমার নিজের জেলা মৌলভীবাজারেরই মানুষ। আমাদের জেলায় ২৬ হাজার মণিপুরীর বসবাস। তিনি তাদেরই একজন। বিচারপতি সিনহাকে আমি খুব ঘনিষ্ঠভাবে চিনি। প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন তিনি অন্তত দু’বার দিল্লিতেও এসেছেন। এটাও জানি, বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি নিজের অসুস্থতার কথা বলছিলেন। তবে হ্যাঁ, সরকারের সঙ্গে কোনো কোনো বিষয় নিয়ে সমপ্রতি তার সংঘাত হয়েছে, এটা সত্যি। কিন্তু তাতে কিছু আসে যায় না। প্রধান বিচারপতির ইস্যুর প্রতি ইঙ্গিত করে হাইকমিশনার বলেন, এই সমস্যার সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কোনো যোগ নেই। ইনশাআল্লাহ, প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে সমস্যা আমরা ঠিকই মিটিয়ে ফেলবো। কিন্তু বাংলাদেশে আসা সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর সমস্যা কিভাবে মেটানো যায়, সেটাই আসলে এখন আমাদের সবচেয়ে বড় মাথাব্যথা। প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাতেই ঢাকায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাফ জানিয়েছেন, অভিযোগের সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত এস কে সিনহা দায়িত্বে ফিরতে পারবেন না।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Kabir

২০১৭-১০-১৭ ১১:২৮:২৬

?

আপনার মতামত দিন

ঢাকা ওয়াসাকে ১৩টি খাল উদ্ধারের নির্দেশ

এসডিজি অর্জন করতে হলে প্রতিবছর ৩০ শতাংশ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ বাড়াতে হবে

‘অনুপ্রবেশকারীদের ৫০০০ পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না’

‘ক্ষমতা থাকলে সরকারকে টেনে-হিচড়ে নামান’

আগামীকাল আদালতে যাবেন খালেদা জিয়া

‘সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই’

‘তদন্তের স্বার্থেই তনুর পরিবারকে ডাকা হয়েছে’

জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ‘কুমির মানুষ’

আশ্রয়শিবিরে সংক্রমণযুক্ত পানির বিষয়ে ইউনিসেফের সতর্কতা

চীন, উত্তর কোরিয়ার ১৩ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ

রোহিঙ্গা সঙ্কট: উচ্চ আশা নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার বৈঠক শুরু

ঘোড়ামারা আজিজসহ ছয় জনের মৃত্যুদণ্ড

নিবিড় পর্যবেক্ষণে মহিউদ্দিন চৌধুরী

আফ্রিকার স্বৈরাচারদের মেরুদণ্ডে শিহরণ

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের প্রস্তাব, যা বললেন মুখপাত্র...

দুদকের মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন মেয়র সাক্কু