বিএনপির প্রস্তাব হবে মাইলফলক: ফখরুল

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৩ অক্টোবর ২০১৭, শুক্রবার, ৬:৫০
নির্বাচন কমিশনের সংলাপে বিএনপি মাইলফলক প্রস্তাব নিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রস্তাবে কী থাকবে তার একটি ধারনা দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তাব হবে সামগ্রিক। প্রস্তাবে সুস্পষ্টভাবে সংসদ বিলুপ্ত করে নির্বাচন করার কথা থাকবে। সেনাবাহিনী নিয়োগের কথা থাকবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর প্রশাসনের করণীয়, নির্বাচনী আইন সংস্কার, ভোট দেয়ার কিছু নিয়ম পরিবর্তন, পর্যবেক্ষকদের জন্য নীতিমালা সংশোধনসহ বিভিন্ন প্রস্তাব থাকবে। সবমিলিয়ে আমরা একটি ‘মাইলফলক’ প্রস্তাব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সংলাপে যাবো।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অসুস্থ তরিকুল ইসলামকে দেখতে তার শান্তি নগরের বাসায় দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা আলমগীর বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের রূপরেখা দেব না। তবে এ ব্যাপারে একটা ধারণা দেব। সহায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন যে সম্ভব না সেটা কমিশনকে বলা হবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করলে ‘কিছুটা হলেও সুষ্ঠু নির্বাচন’ সম্ভব। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকার প্রধানের ক্ষেত্রে একটা পরিবর্তন আসা দরকার। বিএনপির একটি বড় প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেবে এবং আমরা লিখিতভাবেই আমাদের প্রস্তাব তুলে ধরব। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ক্ষমতাসীনরা সংবিধানে যেসব সংশোধনী করেছে, সেই সংশোধনীর মধ্য দিয়ে এই নির্বাচন কতটুকু সুষ্ঠু হবেÑ সেটাও কিন্তু সংশোধনীর মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে। যেমন পার্লামেন্ট ডিজলবড (বিলুপ্ত) হবে না। পার্লামেন্ট ডিজলবড না করলে কীভাবে নির্বাচনটা সুষ্ঠু হবে? আমাদের এখানে একটা ট্র্যাডিশন হয়ে আসছে, মানুষের মধ্যে একটা সাইকি তৈরি হয়েছে যে, সেনাবাহিনী নিয়োগ না করলে নির্বাচনে সুষ্ঠু অবস্থা আশা করা যায় না। এই বিষয়গুলো আমরা আগে থেকেই বলে আসছি, সংলাপেও বলব। বিশেষ করে সরকার প্রধানের ক্ষেত্রে আমরা বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে বলব, একটা পরিবর্তন আসা দরকার। মির্জা আলমগীর বলেন, এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমি স্পেকুলেট করতে পারি কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। আমাকে তো আশাবাদী হতে হবে, আমাকে তো পথ বের করতে হবে। পথ বের বের করার জন্যে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। শেষ পর্যন্ত এ চেষ্টা করে যাব, যেন আমরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারি এবং যেন সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন হয়। বিএনপি মহাসচিব বলেন, গোটা জাতির কাছে পরিষ্কার যে প্রধান বিচারপতিকে তারা জোর করেই বিদেশে পাঠানোর সমস্ত ব্যবস্থা করছে। সকলের কাছে এটা অত্যন্ত স্পষ্ট যে বিচার বিভাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেয়ার সমস্ত আয়োজন করেছে সরকার। পরে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, মানুষ একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চায়। সব দলই তা চায়। সিপিবি বলেছে, নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। অন্যান্য দলগুলোও একই কথা বলছে। এখন বিষয়টা নির্ভর করছে সরকার এটাকে কীভাবে নিচ্ছে তার ওপর। আমরা চাই দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হোক। সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি। এ সময় নির্বাচন কমিশনের সংলাপ চলাকালে বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের সমালোচনা করেন তিনি।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘এখন ভালো কথা ও সুরের চেয়ে মিউজিকটাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়’

ডেমরায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আটজন

‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে ভারত’

আরো একটি লজ্জা

শাসন যেখানে বাছবিচারহীন

উচ্চ ব্যয়ের ঢাকায় নিম্নমানের জীবন

সৌদি আরবে অনাহারে-অর্ধাহারে তাদের দিন

জলাবদ্ধতার কী দেখেছেন কলকাতা-মুম্বই যান

চট্টগ্রামে যুবলীগ নেতার পায়ে আওয়ামী লীগ নেতার গুলি

গ্রাহক টানতে পারছে না ‘দোয়েল’

সিলেটে যে ছবিটি এখন ভাইরাল

পর্যবেক্ষকদের সতর্ক করলেন সিইসি

লড়াই হবে ত্রিমুখী

পাহাড়ে হঠাৎ বেপরোয়া সশস্ত্র সংগঠনগুলো

পাঁচ বিভাগীয় শহরে বিটিভি’র স্টেশন হচ্ছে

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এক প্রধান শিক্ষকের খোলা চিঠি