৯ দিনে ক্ষতি ২০ কোটি টাকা

গ্যাস সরবরাহ বন্ধে শাহজালাল সারকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত

বাংলারজমিন

হাসান চৌধুরী, ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) থেকে | ১৩ অক্টোবর ২০১৭, শুক্রবার
শাহজালাল সারকারখানার গ্যাস সরবরাহের সিএমএসের (কাস্টমার মিটারিং সিস্টেম) স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। গত ২৪শে সেপ্টেম্বর থেকে নয় দিন উৎপাদন বন্ধ থাকে এই সারকারখানায়। এতে প্রায় ১৪ হাজার টন সার উৎপাদন ব্যাহত হয়, যার বাজার মূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা। বিষয়টি বিদেশি প্রকৌশলীর ইচ্ছাকৃত নাকি অদক্ষতা, এ নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। সারকারখানা ও সিএমএসের সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন জালালাবাদ গ্যাসের সিএমএস স্থাপনকারী বাল্ব ইটালিয়ান কোম্পানির প্রকৌশলী মিস্টার সাজিও, কোলাজানি এবং লুইজি ওই সিএমএস স্টেশনের কন্ট্রোল প্যানেলে কাজ করার সময় তারা ইমারজেন্সি সাটডাউন (ইএসডি) বাল্ব-এর ব্র্যাকার বন্ধ করে দেন। ফলে সিএমএসের ইনলেট ও আউটলেটে স্থাপিত ইএসডি বাল্ব বন্ধ হয়ে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে; মুহূর্তেই শাহজালাল সারকারখানার সব কটি প্লান্ট বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। সূত্র জানায়, ওইদিন বিকাল সাড়ে ৪টায় ঘটনাটি ঘটলেও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকেই সিএমএস থেকে ফের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়। পরবর্তী সময়ে শাহজালাল সারকারখানার ২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন পাওয়ার প্লান্টে ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে টানা নয় দিন উৎপাদন বন্ধ থাকে। সারকারখানার কারিগরি বিভাগ সূত্র জানায়, একবার সারকারখানার প্লান্টগুলো বন্ধ করা হলে ফের উৎপাদনের যেতে এক থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় ব্যয় হয়। শাহজালাল সারকারখানার জিএম (এডমিন) মিজানুর রহমান জানান, সিএমএসে ত্রুটি দেখা দেয়ায় গত ২৪শে সেপ্টেম্বর শাহজালাল সারকারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে পড়ে। দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের সার্বিক চেষ্টায় ৩রা অক্টোবর সারকারখানায় ফের উৎপাদন শুরু হয়। জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের জাতীয় গ্রিড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে শাহজালালে গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যে সিএমএস স্থাপনের জন্য গত বছর বিসিআইসি আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করে। এতে বাল্ব ইটালিয়ান কোম্পানি কার্যাদেশ পায়। বাল্ব ইটালিয়ান কোম্পানির এদেশীয় এজেন্ট সানেক্স লিমিটেড সিএমএস  প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। চলতি বছরের ১৬ই ফেব্রুয়ারি সিএমএসের পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু হয়। জালালাবাদ গ্যাস অফিস সূত্র জানায়, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড যাত্রার শুরুর পর থেকেই এখন পর্যন্ত গ্যাস বিল আটকা পড়েনি। দৈনিক প্রায় ৩৫ এমসিএফ গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে শাহজালাল সারকারখানার উৎপাদনে। মাসিক বিল ১০/১২ কোটি টাকা নিয়মিত পরিশোধ হচ্ছে। শাহাজালাল সারকারখানার অ্যাকাউন্টস বিভাগ জানায়, শাহজালাল সারকারখানায় বর্তমানে দৈনিক উৎপাদন হচ্ছে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টন। প্রতিটন ইউরিয়া সার বিক্রি হচ্ছে ১৪ হাজার টাকায়।   

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা’

লেবাননে বৃটিশ কূটনীতিককে শ্বাসরোধ করে হত্যা

বিমানে দেখা এরশাদ-ফখরুলের

হলফনামার তথ্য গ্রহণযোগ্য নয়: সুজন

ছিনতাইকারীর টানাটানিতে মায়ের কোল থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

গুজরাট ও হিমাচলে বিজেপিই জিততে চলেছে

আরো ৪০ রোহিঙ্গা গ্রাম ভস্মীভূত:  এইচআরডব্লিউ

ভর্তি জালিয়াতি সন্দেহে রাবির দুই ছাত্রলীগ নেতা আটক

৭ ঘণ্টা পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু

‘এটাও কিন্তু একটা চ্যালেঞ্জের বিষয়’

সৌদিই ব্যতিক্রম

তাদের কি বিবেক বলে কিছু নেই

ঢাকা উত্তরের উপনির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে

যেভাবে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হয় আকায়েদ

‘উন্নয়ন কথামালায়, মানুষ কষ্টে আছে’

সারা দেশে বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচি আগামীকাল