সাবেক ক্রিকেটারদের কে কে হচ্ছেন কাউন্সিলর

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ১২ অক্টোবর ২০১৭, বৃহস্পতিবার
‘সি’ ক্যাটাগরি থেকে এবারের কাউন্সিলরের তালিকা এখনো প্রকাশ করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী ১৫ই অক্টোবর কাউন্সিলরদের তালিকা পেলে তা চূড়ান্ত করেই প্রকাশ করবে বিসিবি। এই ক্যাটাগরিতে রয়েছেন ১০ জন জাতীয় ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার, ৫ জন সাবেক অধিনায়ক, ক্রীড়া সংস্থা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও ক্রিকেটারদের সংগঠনের একজন প্রতিনিধি। বিসিবির ২০১৩ নির্বাচনেও ক্রিকেটারদের তালিকা করে দিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। কিন্তু এবার গঠনতন্ত্র পরিবর্তন এনে এবার সেই তালিকা করবে বিসিবি। বিসিবি নতুন গঠনতন্ত্র অনুসারে এরই মধ্যে ক্রিকেটারদের মধ্যে কারা কাউন্সিলর হতে পারেন সেই তালিকা করা শুরু হয়ে গেছে।

বর্তমান বিসিবির পরিচালনা পরিষদে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে শক্তিশালী তিন পরিচালক সাবেক অধিনায়ক নাইমুর রহমান দূর্জয়, খালেদ মাহমুদ সুজন ও আকরাম খান কোথা থেকে কাউন্সিলর হবেন সবার চোখ সেই দিকে। সেই সঙ্গে নতুন কারা আসছেন তাদের নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা। গতবারের জেলা ও বিভাগের ক্যাটাগরি ‘এ’ তে নিজ জেলা মানিকগঞ্জ থেকে কাউন্সিলর হয়েছিলেন নাইমুর রহমান দূর্জয়। এবারো তিনি সেখান থেকে কাউন্সিলর হবেন বলে জানা গেছে। আকরাম খান চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে ও ক্যাটাগরি ‘সি’ থেকে কাউন্সিলর ছিলেন সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। এনএসসি থেকে কাউন্সিলর ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। নির্বাচনে সুজনের কাছে হেরে বোর্ড থেকে বাদ পড়েছিলেন লিপু। এবার তিনজনই বিসিবির কাউন্সিলর থাকবেন। তবে তারা কোথা থেকে কাউন্সিলর হচ্ছেন তা জানা যায়নি।
গেলবার জাতীয় দলের অন্যান্য সাবেক অধিনায়কের মধ্যে কাউন্সিলর হয়েছিলেন ফারুক আহমেদ, রকিবুল হাসান, খালেদ মাসুদ পাইলট, আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও শফিকুল হক হীরা। এবার শোনা যাচ্ছে সাবেক অধিনায়কদের মধ্য থেকে বিসিবির দুই নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন, মিনহাজুল আবেদিন নান্নুরাও আসতে পারেন বিসিবির কাউন্সিলর হিসেবে। এছাড়াও আসতে পারেন সাবেক কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারও। গতবার কাউন্সিলর ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার নিয়ামুর রশিদ রাহুল,  হান্নান সরকার ও আহসান উল্লাহ হাসান। এবারো তারা থাকছেন বলে জানা গেছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কাউন্সিলর ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার দেবব্রত পাল। তিনি ক্রিকেটার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক। তবে তিনি এবারো কোয়াব থেকে আসছেন না বলে জানা গেছে। হয়তো জাহাঙ্গীরনগর থেকেই আসবেন।
কোয়াবের সভাপতি নাইমুর রহমান দূর্জয় ও সহ-সভাপতি খালেদ মাহমুদ সুজন কাউন্সিলর হিসেবে চূড়ান্ত করেছেন বলেই জানা গেছে। আগের বার ছিলেন কোয়াবের কাউন্সিলর হিসেবে গোলাম মাবুদ রবিন। এ বিষয়ে জানতে বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজনকে পাওয়া যায়নি। হঠাৎ করেই তিনি বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দিতে চলে গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকাতে। তবে অনেক ক্রিকেটারের নাম শোনা গেলেও তারা এখনো নিশ্চিত নন শেষ পর্যন্ত কাউন্সিলর হচ্ছে কিনা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘শুনেছি, কিন্তু এখনো আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছুই জানিনা।’ একই কথা বলেন নিয়ামুর রশিদ রাহুলও। তিনি বলেন, ‘গতবার কাউন্সিলর ছিলাম। এবারো শুনছি কিন্তু এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো কাগজপত্র পাইনি।’

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভারতে তিন তালাক বিরোধী খসড়া আইনে সরকারের অনুমোদন

বিরোধীরা আসলেই কাগুজে বাঘ: মোজাম্মেল হক

গাংনী বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ

মহান বিজয় দিবস আজ

চট্টলার সিংহপুরুষের বিদায়

রাজধানীতে বৃদ্ধা ও শিশু খুন

বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছিল একটা আদর্শ নিয়ে

সবক্ষেত্রে চাই গুণগত সেবা

বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ হতে পারে স্পেন!

কাদের-মওদুদকে ঘিরেই স্বপ্ন দু’দলের

শেষমুহূর্তে তৎপর বিএনপি

ট্রাম্প প্রশাসনের ধর্মীয় পক্ষপাতিত্ব

ইউপিডিএফ ভাঙার নেপথ্যে

মুক্তিযোদ্ধাকে হারিয়ে দুইয়ে শেখ জামাল

সারা দেশে বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচি ১৮ ডিসেম্বর

যেভাবে অপহরণকারীদের হাত থেকে মুক্ত হলেন সিলেটের ব্যবসায়ী মুন্না