প্রধান বিচারপতির বিদেশযাত্রা, জিও’র চিঠিতে সই

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১২ অক্টোবর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১৫
ছুটিতে থাকা প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে সরকারি  আদেশে প্রেসিডেন্ট সই করলেই তিনি বিদেশ যেতে পারবেন। সরকারি আদেশের চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী স্বাক্ষর করেছেন। তারপর চিঠিটি বঙ্গভবনে পাঠানো হয়েছে। কিশোরগঞ্জ সফর শেষে গতকাল বিকালে প্রেসিডেন্ট ঢাকায় ফিরেছেন। তাই সরকারি আদেশের ওই চিঠিতে প্রেসিডেন্ট সই করতে পারেন বলে বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে। ১৩ই অক্টোবর থেকে প্রধান বিচারপতি বিদেশে অবস্থান করতে চান বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গতকাল আইনমন্ত্রী আনিসুল হক দুই দফায় এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট সই করার পর প্রধান বিচারপতির বিদেশে যেতে আর কোনো বাধা থাকবে না।
এদিকে গতকাল দুপুরের পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির খাস কামরায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পরে আইনমন্ত্রী উপস্থিত সাংবাদিকদের বৈঠকের বিষয় অবহিত করেন। তিনি বলেন, ২রা ডিসেম্বর একটি জুডিশিয়াল কনফারেন্স হওয়ার কথা রয়েছে তার আলোকেই কথা বলতে এসেছি। এ ছাড়া কিছু প্রশাসনিক পরিবর্তন করা হবে সে বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি আমাকে অবহিত করেছেন। অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এই বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে। আপিল বিভাগের বিচারপতি ও আমরা মিলে আলোচনা করে সুরাহ করবো। আশা করছি, আগামী তারিখের আগেই এর সমাধান হবে। তবে আলোচনা কোন জায়গা থেকে শুরু হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, আমি যদি বলি আলোচনা এখান থেকে শুরু হবে-ওই জায়গায় শেষ হবে এটা বললে কথাটা প্রি-মেচিউরড হবে এবং যারা আলোচনায় বসবেন তাদেরকে অবমাননা করা হবে। বিচারপতি নিয়োগ নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, হাইকোর্ট ডিভিশনের বেশ কয়েকজন বিচারপতি অবসরে গেছেন। সেখানে বিচারপতি নিয়োগের চিন্তা আমরা করবো। এ ছাড়া আপিল বিভাগ নিয়েও চিন্তা করা হচ্ছে। এ সময় মন্ত্রী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ছুটি ও বিদেশ যাওয়া নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০০৭ সালের পহেলা নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির ছুটি তিনি নিজেই নেন। প্রধান বিচারপতির ছুটি নেয়ার পর সেখানে শূন্যতা না রেখে একজন অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন প্রেসিডেন্ট। সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট প্রবীণতম বিচারপতিকেই প্রধান বিচারপতি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। সেজন্য প্রধান বিচারপতি প্রেসিডেন্টকে বিষয়টি অবহিত করতে হয়। এ ছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের দেশের বাইরে যেতে হলে সরকারি আদেশ করতে হয়। প্রধান বিচারপতির বিষয়টি প্রেসিডেন্ট জানতেন তাই ওনার ব্যক্তিগত সহকারী প্রথমে একটি চিঠি লিখেছেন। তারপর আপিল বিভাগের রেজিস্টার জাকির হোসেন সেটার একটি কাভারেজ লেটার লিখে প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানোর জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। মঙ্গলবার চিঠিটি আমার কাছে আসার পর আমি স্বাক্ষর করে সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি। তিনিও স্বাক্ষর করেছেন। প্রেসিডেন্ট কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা ফিরে ব্যবস্থা নেবেন।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘এখন ভালো কথা ও সুরের চেয়ে মিউজিকটাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়’

ডেমরায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আটজন

‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে ভারত’

আরো একটি লজ্জা

শাসন যেখানে বাছবিচারহীন

উচ্চ ব্যয়ের ঢাকায় নিম্নমানের জীবন

সৌদি আরবে অনাহারে-অর্ধাহারে তাদের দিন

জলাবদ্ধতার কী দেখেছেন কলকাতা-মুম্বই যান

চট্টগ্রামে যুবলীগ নেতার পায়ে আওয়ামী লীগ নেতার গুলি

গ্রাহক টানতে পারছে না ‘দোয়েল’

সিলেটে যে ছবিটি এখন ভাইরাল

পর্যবেক্ষকদের সতর্ক করলেন সিইসি

লড়াই হবে ত্রিমুখী

পাহাড়ে হঠাৎ বেপরোয়া সশস্ত্র সংগঠনগুলো

পাঁচ বিভাগীয় শহরে বিটিভি’র স্টেশন হচ্ছে

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এক প্রধান শিক্ষকের খোলা চিঠি