দর্শক ফেরাতে প্রয়োজন সিনেমা হলের সুন্দর পরিবেশ

বিনোদন

কামরুজ্জামান মিলু | ১২ অক্টোবর ২০১৭, বৃহস্পতিবার
ফাইল ছবি
বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম সিনেমা। দল বেঁধে গিয়ে নতুন সিনেমা দেখার মজাটা এখন মানুষ ভুলে যেতে বসেছে। আর এর প্রধান কারণ হচ্ছে সিনেমা হলের সুন্দর পরিবেশ। সিনেমা ব্যবসা ভালো বা মন্দ এটা তো পরের বিষয়। এর আগে সিনেমাটা কেমন তা জানতে হলে সিনেমা হলে প্রবেশ করতে হবে দর্শকদের। আর সেই সিনেমা হলে প্রবেশের বড় বাধা হচ্ছে এর পরিবেশ।
হাতে গোনা কয়েকটি সিনেপ্লেক্স ছাড়া অন্য সিনেমা হলগুলোর পরিবেশ নিয়ে শুধু সিনেমার নিয়মিত দর্শকরা না সিনেমার অভিনয়শিল্পী, পরিচালকরাও নানা অভিযোগ করেছেন। এ প্রসঙ্গে ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান মানবজমিনকে বলেন, সিনেমা হলের পরিবেশটা ভালো হওয়া দরকার। একটা ভালো ছবি দেখার জন্য দর্শক সিনেমা হলে অনেক সময়ই হুমড়ি খেয়ে পড়ে। তখন সিনেমা হলের পরিবেশটা যদি ঠিক না থাকে তাহলে তাদের পুরো ছবি দেখার মনোযোগই আর থাকে না। সিনেমা হলের পরিবেশ ঠিক করার দায়িত্ব হলো মালিকদের। দর্শক টিকিট কেটে ভালো পরিবেশে সিনেমা দেখতে চায়। দেশের অনেক হলেরই নোংরা টয়লেট, নষ্ট ফ্যান, সিনেমা হলের আসন ভাঙা এমন নানা অভিযোগ রয়েছে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের। এদিকে এমন অভিযোগের মুখে প্রদর্শক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিয়া আলাউদ্দিন বলেন, সিনেমার বাজারটা ভালো হলে সিনেমা হলের পরিবেশও ভালো হয়ে যাবে। বছরে ছয়টি সিনেমাও যদি ভালো ব্যবসা করে তাহলে সিনেমা হলের পরিবেশ ঠিক হয়ে যাবে। আমাদের প্রতিনিয়ত সিনেমা হলে লাভের জায়গায় লোকসান গুনতে হচ্ছে। সিনেমা হল নিয়মিত চালাতে গেলে কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন পরিশোধ করতে হয়। সিনেমা চালিয়ে লাভ না হলে এসব টাকা মালিকের পকেট থেকেই গুনতে হয়। আজকাল অনেক দর্শকই স্ত্রী-সন্তান, ভাই-বোন নিয়ে সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে চায় না। আগে সিনেমা হলে রুচিশীল মানুষের যাতায়াত বেশি ছিল। ফলে বাজে শ্রেণির মানুষ সেখানে একটু আড়ালে আবডালে থাকতো। এখন সিনেমা হলে রুচিশীল মানুষের যাতায়াত কমে যাওয়ায় ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে নানা অসামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িতরা। ফলে সিনেমা দেখার পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত রাজধানীর ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের এক নিয়মিত দর্শক করিম বলেন, আমি ৮ বছর ধরে এই হলে সিনেমা দেখি। কোনো সিনেমা মিস করি না। এখানে মাঝে মাঝে সিনেমা দেখতে এসে কিছু বাজে মেয়ে মানুষকে দেখি। আমি গত ঈদে আমার এক বড় ভাইকে নিয়ে সিনেমা দেখতে এসেছিলাম। কিন্তু তাদের যন্ত্রণায় সিনেমা না দেখে বের হয়ে আসতে হয়েছে। সিনেমা হলের নোংরা পরিবেশের কারণেই ক্রমে দর্শক সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এমন পরিবেশ থাকলে মানুষ ভালো সিনেমা দেখতে যেতে চায় না। এসব বিষয়ে রাজধানীর সনি সিনেমা হলের মালিক ও চলচ্চিত্র প্রযোজক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, ডিজিটাল সিনেমার পাশাপাশি ডিজিটাল সিনেমা হলও থাকা প্রয়োজন। আমি আমার সনি সিনেমা হলেরও সংস্করণ কাজ শুরু করেছি। এখানে একসঙ্গে দুটি সিনেমা দেখতে পারবেন দর্শকরা। আমেরিকার মতো চেয়ারে আরাম করে বসে সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এর কাজ শেষ হবে। আমিও চাই সিনেমা হলের সুন্দর পরিবেশে দর্শকরা নতুন ছবি উপভোগ করুক।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সোনাজয়ী শুটার হায়দার আলী আর নেই

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মুক্তামনি

খাল থেকে উদ্ধার হলো হৃদয়ের লাশ

রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানকে কঠিন পর্যায়ে নিয়ে গেছে সরকার: খসরু

সঙ্কট সমাধানে প্রয়োজন পরিবর্তন: দুদু

চোখের চিকিৎসা করাতে লন্ডনে গেলেন প্রেসিডেন্ট

সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না

টানা বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে রাজধানীবাসী

বৌদ্ধ ভিক্ষু সেজে কয়েক শত কিশোরীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক

৫০ বছরের মধ্যে জাপানে কানাডার প্রথম সাবমেরিন

ছিচকে চোর থেকে মাদক সম্রাট!

বোতলে ভরা চিঠি সমুদ্র ফিরিয়ে দিল ২৯ বছর পর!

কার সমালোচনা করলেন বুশ, ওবামা!

জুমের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেনা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা

অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে ১৮শতাব্দীর বাংলা পুঁথি

হারভে উইন্সটেন যেভাবে হোটেলকক্ষে অভিনেত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন