চির বসন্তের দেশে, ৬

অনন্য এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গল্প

চলতে ফিরতে

কাজল ঘোষ, চীন থেকে ফিরে | ১১ অক্টোবর ২০১৭, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৫৩
ইউনান ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা ছিল না। এটাই হয়তো স্বাভাবিক। কনফুশিয়াস ইনস্টিটিউটে যাওয়ার সুবিধা হয়েছিল একটাই। যে সব শিক্ষার্থী ইউনানে পড়তে যাচ্ছে বা যাবে তাদের কাছ থেকে ইউনানের গল্প শোনা। তবে ইয়ুথ সামার ক্যাম্প-২০১৭-তে নির্বাচিত হওয়ায় ইউনান ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের একটি তথ্যচিত্র দেখানো হয়। লাল ইটে তৈরি স্থাপত্যশৈলী আর সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাসের বিশাল প্রান্তর দেখে ভেতরে অনুরণন অনুভব করছিলাম।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দু’সপ্তাহের পদচারণা হবে তা ভেবে ভালো লাগছিল। তবে বিস্ময় অনেক বেড়েছে নান্দনিক একটি ক্যাম্পাস দেখার পর। ক্যাম্পাসের শান্ত-স্নিগ্ধ পরিবেশ আকুল করে তোলে। অভিভূত হয়েছি। যে ক’দিন ছিলাম ইউনানের অসাধারণ সৌন্দর্য ভেতরে গেঁথে আছে। এমনও হয়েছে একের পর এক ক্লাস আর সেমিনারের ক্লান্তিতে যখন ঘুম এসে যেত তখনও কষ্ট করে চোখের পর্দা খুলে রাখতাম। যদি ক্যাম্পাসের নান্দনিক সৌন্দর্য দেখা থেকে বঞ্চিত হই এই কষ্টে। ১২ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় চেংশুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে সোফিয়া-রিন্ডাদের দল যখন আমাদের অভ্যর্থনা জানায় তখন থেকেই বিস্ময়ের শুরু। তাদের আতিথেয়তা আর সহযোগিতার পারদ প্রতি মুহূর্তেই আমরা অনুভব করেছি। যদিও প্রথম প্রহরে কুনমিং-এর সড়কপথে বর্ণিল আলোর আভা আর ম্যাপল প্যালেসে পৌঁছে লুই চা ছাড়া উষ্ণতা উপলব্ধির সুযোগ হয়নি। ১৩ই সেপ্টেম্বর ছিল আমাদের অরিয়েন্টেশন ক্লাস। ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী না হয়েও তাদের এখানে শিক্ষার্থী হিসেবে যে শৃঙ্খলা তার পুরোপুরি বলবৎ ছিল আমাদের জন্যও।
এলাকাটি ছিল চাইওয়ান। যদিও এটিকে ইউনিভার্সিটি টাউন বলেই সকলে জানে। হোটেল গেটে থাকা গাড়িতে করে ৫-৭ মিনিটের পথ। পাহাড়ি পথ অনেকটা উঁচু-নিচু বলে হেঁটে যাওয়া কষ্টের। আর হাঁটার ক্লান্তি অন্যান্য কার্যক্রমে অংশগ্রহণে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এমন ভাবনায় আমাদের জন্য গাড়ি ছিল সব সময়। ঢোকার পথে বিশাল ভবন আর দরোজার কাঠামো দেখেই অবাক হয়েছি। আমাদের এখানে এমন একটি নির্মাণশৈলীও নেই যার সঙ্গে এই স্থপত্যশৈলী মেলাতে পারি। বাস থেকে যতদূর দেখা যাচ্ছিল ক্যাম্পাস ততই বিস্মিত হচ্ছিলাম। হোটেল থেকে ক্যাম্পাসের ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগের হলরুম পর্যন্ত নানা বর্ণিল ফুলের সমাহার আমাকে থামিয়ে দিচ্ছিল। প্রবেশমুখের ডান পাশে অসাধারণ এক লেক। যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেয়া যায়। একে একে ক্যাম্পাসের পরিবেশ আপন করে নিতে লাগলাম। পুরো সময় ক্যাম্পাসে কখনও ময়লা-আবর্জনা চোখে পড়েনি। এমনকি একবিন্দু বালিকণাও। গাড়ির কোনো হর্ণ শুনিনি একটিবারের জন্যও। যতই দিন যাচ্ছিল ততই বিস্ময়ের মাত্রা বহুগুণ বাড়ছিল। পুরো ক্যাম্পাসে অনেক দূরে দূরে সেমিনার হল, ক্লাস রুম, স্টুডেন্ট কম্পাউন্ড। দিন পাঁচেক পর একটি কফিশপের দেখা পেয়েছিলাম। মাঝেমধ্যে লোভ হতো ওয়ার্কশপ ফাঁকি দিয়ে ঢুঁ দিতে। কিন্তু সে সুযোগ খুব একটা মেলেনি। প্রায় দেড়শ’ শিক্ষার্থী বাংলাদেশ-চীন ইয়্যুথ সামারক্যাম্পে অংশ নিয়েছে। আর এই শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই চীনা ভাষা বুঝতে পারে না- বলাতো দূরের কথা। আমাদের প্রথমদিনের সেশন ছিল এ বিষয়ক। কি করা যাবে এবং কি করা যাবে না। তা নিয়ে ছিল বিস্তর আলোচনা। একেক দিন একেক রকম কর্মসূচি। ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে গেলেও কোনো এক সময় আমাদের ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনা হতো। ওয়েতং ক্যাফেটেরিয়া আমাদের পদচারণায় মুখর ছিল এই দুই সপ্তাহ। লম্বা সময় ক্যাম্পাসে অবস্থানকালে ছাত্র-ছাত্রীদের কোথাও জটলা দেখিনি। মিছিল তো বহু দূরের কথা। সকাল ৮টায় ক্লাস শুরু হয়ে চলে ৫টা অবধি। কখনও আরো বেশি। এর মধ্যে বেলা ১১টা তাদের খাবার সময়। বিকাল ৫টার পর ডিনার। ক্লাস শেষে সবাইকে হেঁটে স্টুডেন্ট কম্পাউন্ডে ফিরে যেতে দেখেছি। এত সুন্দর নিরিবিলি পরিবেশ। বাগানের মধ্যে মার্বেলের টেবিল-চেয়ার বসানো। কিন্তু প্রয়োজনের বাইরে আড্ডা চোখে পড়েনি। পুরো ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা। মাঝেমধ্যেই দেখতাম বাইকে করে পুলিশ ক্যাম্পাসের ভেতর দিয়ে ঘুরে যেত। কোথাও কোনো অসঙ্গতি চোখে পড়লেই তাদের কাজ। নির্দিষ্ট সময়ে ক্যাম্পাসের গাড়ি এসে দাঁড়াতো নির্ধারিত স্থানে। সময় হলে বাস ছেড়ে যেতো। মুগ্ধ হয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি দেখে। সাড়ে চার তলা ভবনের সুবিশাল লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জন্য। সবই ডিজিটাল পদ্ধতিতে চলছে। এই দু’সপ্তাহে চায়নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে জেনেছি অনেক কিছু। হাতে-কলমে বেশকিছু বিষয় শেখার সুযোগ হয়েছে। মাঠে দাঁড়িয়ে কুংফু ফান থেকে টেবিলে বসে ক্যালিওগ্রাফি, গোপাম (এক ধরনের খেলা) শিখেছি। লি ইউয়ান পে, ইয়ানতুন ফাং, সুন ওয়ান ওয়ে, চাং থিং, মিং, ওয়েনমেং খণ্ডকালীন এই লাওশিদের কথা সত্যিই ভোলার নয়। মনে থাকবে ক্যাফেটেরিয়ার সামনে সুপারস্টোরে এলোপাতাড়ি ঘুরে বেড়ানো। সুযোগ পেলেই দলবেঁধে এখানে চীনের নানান পণ্যের সঙ্গে পরিচিত হতাম। আর টাটকা সব ফলের স্বাদ নিতাম। প্লাম বা টমেটোর মতো দেখতে সিজার ফলের স্বাদ এখনও মুখে লেগে আছে। কুনমিং থেকে ফিরলেও পরিপাটি একটি ক্যাম্পাস চোখে ভাসছে। মনের গহিনে একটি কষ্ট অনুভব করি প্রতিনিয়ত। আমরা কেন এমন একটি শিক্ষার পরিবেশ উপহার দিতে পারিনি আমাদের শিক্ষার্থীদের। আমাদের ব্যর্থতা কোথায়?
ইউনানেও রবীন্দ্রনাথ
ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ঢোকার পথে অবাক হয়েছি। তাকিয়ে দেখি কবিগুরুর আবক্ষমূর্তি। কাছে যেতেই বিষয়টি আরো পরিষ্কার হলো। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত জন্মদিনে সম্মান জানাতে ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ স্থাপন করে এই প্রতিকৃতি। সুবিশাল লাইব্রেরির আর কোথাও কারও আবক্ষমূর্তি চোখে পড়েনি। বুঝতে বাকি রইলো না, ইউনান ইউনিভার্সিটিও রবীন্দ্রনাথকে চিনতে ভুল করেনি। তবে লাইব্রেরির মূল অভ্যর্থনা কক্ষে ইউনিভার্সিটির স্কলারদের গুরুত্বপূর্ণ অনেকের ছবি ও পরিচিতি স্থান পেয়েছে। শিল্পী সুধীর খাস্তগীরের তৈরি এই আবক্ষমূর্তি সাড়ে ৪ তলা এই ভবনটিতে বই রয়েছে ২৫,১১,৭৪৮টি। থরে থরে সাজানো বইয়ের সেলফের দিকে যেতেই সেন্সর লাইট জ্বলে উঠছে। সেলফের সামনে থেকে সরে যেতেই আবার নিভে যাচ্ছে। প্রথমটায় অবাক হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম কেউ বুঝি আমাকে অনুসরণ করছে। খানিক পরেই বুঝতে পারি- এটা আসলে ডিজিটাল পদ্ধতির সুফল। লাইব্রেরিতে প্রবেশের মুখে আমাদের চায়নিজ প্রথা অনুযায়ী গ্রিন টি বা লুই চা দিয়ে স্বাগত জানানো হলো। হাজার বছরের চীনা সংস্কৃতি কতোটা ঋদ্ধ তা এই লাইব্রেরির বিশালত্ব দেখে অনুভব করার চেষ্টা করছিলাম।
ফিরে দেখা ইউনান ইউনিভার্সিটি
ইউনান ইউনিভার্সিটি ১৯২২ সালে শুরু হয়েছিল তংলু ইউনিভার্সিটি হিসেবে। পরে ১৯৩৪ সালে ইউনান প্রাদেশিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৯৩৮ সালে চীনের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়। এর মধ্য দিয়ে চীনের পশ্চিম সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এর অগ্রযাত্রা শুরু হয়। ১৯৩৭ সাল ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঐতিহাসিক মাইলফলক। এ বছর বিখ্যাত গণিতবিদ চিয়ং চিংলি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক পণ্ডিতদের সম্পৃক্ত করেন। তাদের পদচারণায় ক্রমশই ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় গতি পায়। ১৯৪০ সালে মাত্র তিন বছরেই এটি সারাবিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবশালী বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান করে নেয়। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয় শিক্ষা তালিকায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তা উন্নতির শিখরে পৌঁছতে শুরু করে। সাহিত্য, বিজ্ঞান, আইন, কৃষি, প্রকৌশল-প্রযুক্তি যুক্ত হয় বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্য তালিকায়। এনসাইক্লোপেডিয়া ব্রিটানিকার সংক্ষিপ্ত তালিকায় চীনের ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান করে নেয় ইউনান ১৯৪৬ সালে। ১৯৫০ সালের দিকে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় কিছু কলেজকে অধিভুক্ত করে এবং এই কলেজগুলোতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চালু করা হয়। এই বিষয়গুলো হচ্ছে বেইজিং ইনস্টিটিউট অব এরনোটিকস (সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়), এভিয়েশন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং, ল। অধিভুক্ত কলেজগুলো হচ্ছে সাউথইস্ট কলেজ অব পলিটিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ল, চাংশা রেলওয়ে কলেজ।
পরবর্তীতে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয় কুনমিং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, কুনমিং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনান এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি এবং সাউথইস্ট ফার্স্ট ইউনিভার্সিটি। ১৯৫৮ সালে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইউনান প্রাদেশিক সরকারের প্রতিনিধিত্ব করে। ১৯৭৮ সালে স্ট্যাট কাউন্সিল কর্তৃক চীনের প্রধান ৮৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে জায়গা করে নেয়। শুরু থেকে ধাপে ধাপে ক্রমবর্ধমান সংস্কারের ফলে ইউনান ইউনিভার্সিটি তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি সাধন করে। শিক্ষা বিষয়ক প্রকল্প ‘২১১’তে ১৯৯৬ সালে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্থান করে নেয় ইউনান। ধারাবাহিক অগ্রগতির ফলে চীনের পশ্চিমাঞ্চলের যে উন্নয়ন তাতেও অবদান রাখছে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়।
চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০০৬ সালের জরিপে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় ‘এক্সিলেন্ট’ উপাধি অর্জন করে। ভূ-রাজনৈতিক, আদর্শিক, উন্নয়ন কৌশল নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করে থাকে ইউনান। পরিবেশ জীববৈচিত্র রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা সাউথ ইস্ট এশিয়ান স্টাডিজ এবং সাউথ এশিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ বিষয়ক উচ্চতর গবেষণা চালু করেছে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়। চীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক জরিপে নৃতত্ত্বে দ্বিতীয়, পরিবেশে ৬ষ্ঠ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে দশম স্থানে উঠে আসে ইউনান চীনের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে। বর্তমানে ইউনানের অধিভুক্ত ২৬টি কলেজ এবং ৯টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ১৬,১৮২ জন এবং স্নাতকোত্তর ১৩,৫৩৭ জন রয়েছেন। ইউনানে ৯২টি স্নাতক, ১২টি বিশেষায়িত বিষয়সহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের শতাধিক শিক্ষার্থী বর্তমানে বিভিন্ন বিষয়ে বৃত্তি প্রাপ্তির মাধ্যমে পড়াশোনা করছে। চীনা সরকার ও ইউনান প্রাদেশিক সরকারের বৃত্তির আওতার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা পড়তে যেতে পারেন ইউনানে। এর বাইরেও রয়েছে কনফুশিয়াস ইন্সটিটিউট বৃত্তি।

কাল পড়ুন: যারা আলো ছড়াচ্ছে চীনের নানা প্রান্তে

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ব্রাজিল ফুটবলের প্রধান ৯০ দিন নিষিদ্ধ

ঝিকরগাছায় ছাত্রলীগ কর্মী খুন, সড়ক অবরোধ

উৎসবের আমেজে সারাদেশ

জনগণের দেয়া রায় মেনে নেবে বিএনপি: ফখরুল

কংগ্রেস সভাপতি পদে রাহুল গান্ধীর আনুষ্ঠানিক অভিষেক

দুই নারীর একজন স্বামী, অন্যজন স্ত্রী

আ’লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫

নওগাঁয় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

গার্মেন্টে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত করছে এইচ অ্যান্ড এম

নাশকতার অভিযোগে ২০ শিবিরকর্মী আটক

বিএনপির বিজয় র‌্যালিতে যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলা

বিজয় উৎসব পালন করতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ মুক্তিযোদ্ধাসহ আহত ৯

আমৃত্যু এক যোদ্ধার কথা

ছাত্রদলের পুষ্পস্তবক ছিঁড়লো ছাত্রলীগ

বঙ্গবন্ধুর গৃহবন্দি পরিবারকে যেভাবে উদ্ধার করেছিলেন কর্নেল তারা

ভারতে তিন তালাক বিরোধী খসড়া আইনে সরকারের অনুমোদন