চির বসন্তের দেশে, ২

পাথরে লেখা অমর কাব্যগাথা

চলতে ফিরতে

কাজল ঘোষ, চীন থেকে ফিরে | ৭ অক্টোবর ২০১৭, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:১১
সামার ক্যাম্পে যোগ দিচ্ছি এমনটা নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই গুগলের দ্বারস্থ হচ্ছিলাম। উইকিপিডিয়া-ইউটিউবও তন্ন তন্ন করেছি। কারণ, একটাই কী কী দেখা যাবে? ডিজিটাল এই সময়ে সবই এখন সহজ। ইউটিউবে ভিডিও দেখে কুনমিং আর ইউনান প্রদেশের প্রতি এতটাই মুগ্ধতা জমেছে তা ভাষায় বলে শেষ করা যাবে না। যদিও দু’সপ্তাহের কুনমিং ভ্রমণ শেষে যখন ফিরেছি তখন মনে হচ্ছিল অনেক কিছুই বাকি। আরও একাধিকবার যেতে হবে।
বিষয়টি খুবই সহজ এটা একটি শিক্ষামূলক সফর। আর অনেক বড় টিম। সুতরাং সবাইকে মাথায় নিয়েই পুরো ট্যুর প্লেন। আমাদের ১২ই সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরুতেই ব্রিফিং করা হয়েছিল তাতে লেখা ছিল স্টোন ফরেস্ট ভিজিট। তাই স্টোন ফরেস্ট নিয়ে নানা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছিলাম। এর ইতিহাস, জন্মকথা জানার জন্য বেশ কিছু লেখাও যোগাড় করি। তারমধ্যে মিতা ভাবী (লেখিকা মিতালী হোসেন) আমার উদ্দেশ্যে লেখা ‘চীনের চিঠি’ বইতে স্টোন ফরেস্টের গল্প লিখেছেন। সেখানে সেখানকার আদিবাসী সম্প্রদায় ও স্টোন ফরেস্টের বর্ণনা পড়েছি। শিডিউল অনুযায়ী স্টোন ফরেস্টে যাওয়ার দিন ছিল ১৭ই সেপ্টেম্বর। তার আগের দিন আমরা যাই ন্যাশনালিস্ট ভিলেজ বা এথনিক ভিলেজ। সে যাত্রায় আমাদের গাইড ছিলেন সোফিয়া। সবশেষে জানতে পারি সোফিয়াই হবেন আমাদের আগামীকালের পথনির্দেশক। রাতেই বলে দেয়া হলো সকাল সাড়ে সাতটায় আমাদের বাস ছাড়বে। টাইম মানে টাইম। এটা হবে চীনা টাইম। আমরা সবাই টনটন। অনেকেই যারা অসুস্থতার ছুতো তৈরি করছিল। তাদের তাই লাওসি হাসতে হাসতে বলে দিলেন তোমরা যারা অসুস্থ সবাইকে হোটেলে দিনভর থাকার ব্যবস্থা করা আছে। যেতে হবে না।
রাতে লেখার টেবিলে বসে স্টোন ফরেস্ট নিয়ে নানান তথ্য ঝালাই করে নিলাম। কুনমিং থেকে ৮৬ কিলোমিটার দক্ষিণে সাইলন জেলায় অবস্থিত স্টোন ফরেস্ট। প্রকৃতির এক বিচিত্র খেয়াল এই স্টোন ফরেস্ট। চীনা ভাষায় যাকে বলা হয় ‘শিলিন’। ‘শি’ অর্থ পাথর আর ‘লিন’ অর্থ বন। বাংলায় যা দাঁড়ায় পাথরের বন। ইউনান প্রদেশের এই পাথরের বনটি পৃথিবীর অন্যতম একটি দর্শনীয় স্থান। বলা হয়ে থাকে স্টোন ফরেস্ট আজকের এ অবস্থায় আসতে সময় লেগেছে ২৭০ মিলিয়ন বছর। শত শত বছর ধরে সাগরের তলদেশে জমা হওয়া লাইমস্টোন ভৌগোলিক পরিবর্তনের ফলে ওঠে আসে পৃথিবীর বুকে। ভূ-তত্ত্ববিদরা এই স্টোন ফরেস্টকে কার্স্ট টপোগ্রাফি (কধৎংঃ ঃড়ঢ়ড়মৎধঢ়যু) বলে অভিহিত করেছেন। এটি হিমালয় পর্বতমালারই একটি অংশ। ছোট-বড় নানা বিচিত্র পাহাড় ছড়িয়ে আছে ৩৫০ বর্গকিলোমিটার (১৪০ বগমাইল) এলাকাজুড়ে। আর এসব পাথরের খাঁজে খাঁজে রয়েছে নানান ছোট ছোট গুহা বা চোরাই পথ। সেখানকার চোরাইপথে একাকী হেঁটে অনেকেই হারিয়ে যেতে পারে। যা গাইড সোফিয়া আমাদের আগ থেকেই সাবধান করে দিয়েছিল। সব সামলে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল নির্ধারিত সময়েই। আর ধীরে ধীরে রহস্য উন্মোচিত হয়েছে পাথরে লেখা অমর কাব্যগাথার।
পাথরে লেখা অমর কাব্যগাঁথা
মূল এলাকায় প্রবেশের আগ থেকেই আমরা টের পাচ্ছিলাম ভিন্ন এক জগতে পৌঁছে গেছি। দূর থেকে উঁকি দিয়ে আমাদের স্বাগত জানাচ্ছে পাথরের বন। যে জঙ্গলের বাসিন্দারা সবাই পাথর। রামায়ণে অহল্যা পাষাণীর কাহিনী জানা আছে। যে কিনা পরে আবার অভিষাপ মুক্ত হয়ে ফের মানবী রূপ ফিরে পেয়েছিলেন। কিন্তু এখানের আসীমা এখনো পাথর হয়েই আছে। মূল গেটে যাওয়ার আগেই আমাদের মিনিট পনের যেতে হলো ছোট কারে চড়ে। চারপাশের সবুজ বাগান আর লেক পাড় দিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো স্টোন ফরেস্টের মূল প্রবেশ দ্বারে। এই কার চালায় স্থানীয় ই সমপ্রদায়ের নারীরা। যারা সানী সমপ্রদায়ের ই এথনিক গ্রুপের। এক সময় স্টোন ফরেস্ট এলাকাতেই ছিল এদের বাস। চার পাঁচটি গ্রাম ছিল ই এথনিক বাসিন্দাদের। এখন একটি গ্রাম অবশিষ্ট আছে। যাদের পুনর্বাসন চলছে। তবে চীন সরকার যখন পুরোপুরি স্টোন ফরেস্ট সবার জন্য উন্মুক্ত করে তখন থেকেই তাদের অন্যত্র পুনর্বাসন করে। কিন্তু এই এলাকায় তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়। প্রত্যেকের জন্য ১৭৫ আরএমবি বা ইওয়ান দিয়ে টিকিট নিয়ে অপেক্ষায় থাকে সোফিয়া। একেকটি গ্রুপে ভাগ করে সাবধান করে দেয়া হলো সবাইকে। কেউ একা হয়ে গেলে হারিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। আর সোফিয়া তার উইচ্যাট নাম্বারটি সবাইকে লিখে নিতে বললো যাত্রা শুরু হওয়ার আগেই। লেক আর ফুল বাগান পেরিয়ে আমরা প্রবেশ করি স্টোন ফরেস্টে। দলে দলে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। আর ই সমপ্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে ঘুরে বেড়াচ্ছে নর-নারী। যারা হাসিমুখে সবার সঙ্গেই ছবি তুলছে। চোখ যতদূর যায় বুঝতে চেষ্টা করছি প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়কে। একেকটি পাথর যেন সাক্ষী দিচ্ছে একেক বিষয়ের। সমুদ্রের বুক চিড়ে বেরিয়ে এসেছিল এক সভ্যতা। যারা থমকে আছে ইউনানে। ধীরে ধীরে বেশকিছু গুহার ভেতর দিয়ে আমরা পাড় হতেই একটি জায়গা গিয়ে সোফিয়া আমাদের থামিয়ে দিল। বললো, সামনেই আছে পরশ পাথর। যা ছুঁয়ে মনের ইচ্ছে বললে পূরণ হয়। আমাদের সবাই এক বিপুল উৎসাহ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ি। অনেকেইতো একাধিক ইচ্ছের কথা বলতে শুরু করে দিল। তারপর লম্বা সিঁড়ি বেয়ে ওয়াচ টাওয়ার। যেখান থেকে একটি বড় অংশ দেখা যায় স্টোন ফরেস্টের। পৃথক পাঁচটি এরিয়া আর পৃথক পাঁচটি সাব এরিয়ায় ভাগ করা হয়েছে এই ফরেস্টকে। মেজর, মাইনর, নাইগো, ডেডিসোই ও চংখু স্টোন ফরেস্ট। আর সাব এরিয়ার মধ্যে হচ্ছে মেজর, মাইনর, ওয়ানিয়াংলিংজি, লিজইয়ানচিং ও বুশাও মাউনটেন এরিয়া। আর এর বেশিরভাগ এলাকাই ওয়াচ টাওয়ার থেকে দেখা যায়। চোখ বন্ধ করে ওয়াচ টাওয়ার থেকে দেখা যায় সভ্যতার এক অন্যরূপ। পাথরে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এক কারুকার্যময় ভাস্কর্য। একেকটি পাহাড় যেন একেক সংসারের প্রতিচ্ছবি। যদিও কোনোটিই মানুষের তৈরি নয়। কোথাও যেন কৃষক চাষ করছে। কোথাও রমণী দাঁড়িয়ে আছে। কোথাও একদল মানুষ আড্ডা দিচ্ছে। কোথাও আবার নানান রকমের পশুপাখি দেখা যাচ্ছে। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা প্রতিটি পাথরই যেন শিল্পীর হাতের নিপুণ ছোঁয়া। হাতির পিঠে চড়ে যেন রাজা চলেছেন রাজ্য দখল করতে। সিপাহী  সেনাপতিদের সঙ্গে ডাইনোসার, বাঘ, ভাল্লুক, সিংহরাও  যেন তার সঙ্গী। তাদের পায়ের নিচে পড়ে কাঁদছে সাধারণ মানুষ। রয়েছে ক্যাকটাস বাগান। কোথাও পাহাড়ের বুকে যেন লেগে আছে নানাবিধ সামুদ্রিক ফসিল। ওয়াচ টাওয়ার থেকে নেমে আসতেই ই সমপ্রদায়ের সংগীত মূর্ছনার সঙ্গে আমরা নেচে গেয়ে ক্লান্তি দূর করি। আর তার পাশেই সাজানো স্টোন ফরেস্টের নানান ফলমূল। একসময় শেষ হয়ে আসে ঘণ্টা দুয়েকের এই পাথরের বনে পথচলা। কিন্তু বিস্ময়ের ঘোর চলতে থাকে কি দেখলাম তা নিয়েই। সোফিয়া জানাতে থাকেন
২০০৭ সালেই ইউনেস্কো শিলিন পাথুরে বনকে ওয়ার্ল্ড  হেরিটেজ সাইট বা বিশ্ব ঐতিহ্যকেন্দ্র বলে ঘোষণা করেছে। আর স্টোন ফরেস্টের এ পাথরগুলোর সামনে প্রতিবছর নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্থানীয় আদিবাসীরা। স্টোন ফরেস্টের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা আসীমার জন্য থাকে নানা আয়োজন। এছাড়াও প্রতি চান্দ্রবছরের ছয় নম্বর মাসের ২৪তম দিনে, ই সমপ্রদায়ের মানুষরা পাথরের বনে মশাল উৎসব পালন করে। সেদিন এ বনে ইদের নানা ঐতিহ্যবাহী আয়োজনের পসড়া বসে। মল্লযুদ্ধ, ষাঁড়ের লড়াই, বাঁশ  বেয়ে ওঠা, ড্রাগন ড্রাগন খেলা, সিংহের নাচ, মুন ড্যান্স বা চান্দ্রনৃত্যের মতো ঐতিহ্যবাহী সব আয়োজনে জমজমাট হয়ে ওঠে এই পাথর বন।
পেছনের দুই কারিগর
স্টোন ফরেস্টকে দুনিয়ার বুকে পরিচয় করাতে দুজন মানুষের অবদান অনস্বীকার্য। তাদের একজন চু ইউয়ান অন্যজন লং ইউয়ান। চু ইউয়ান ছিলেন প্রাচীন চীনের অন্যতম কবি। সময়কাল ছিল ৩৪০-২৭৮ খৃস্ট পূর্বাব্দ। চু ইউয়ানের লেখা কবিতায় সর্বপ্রথম চীনের মানুষ এই স্টোন ফরেস্টের কথা জানতে পারে। তার লেখা ‘অংশরহম ঐবধাবহ্থ কবিতায় তিনি ১৭০টি প্রশ্ন রাখেন স্টোন ফরেন্ট নিয়ে। ভূ-তত্ত্ব, জোতির্বিদ্যাসহ নানা বিষয়ে প্রশ্ন রেখে তিনি সবশেষে কাব্যময়তা দিয়ে প্রশ্ন রাখেন প্রকৃতই কি পৃথিবীতে স্টোন ফরেস্ট আছে? তার কবিতায় লেখা সেই স্টোন ফরেস্ট বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে আশ্চর্য বনগুলোর একটি। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ  অবদান রাখেন মি. লং ইউয়ান। তিনি ছিলেন ইউনান প্রদেশের গভর্নর। তিনি ১৯৩০ সালের দিকে একটি অফিস স্থাপন করেন শিলিন এলাকায়। লোকবল নিয়োগ করেন। অনুসন্ধান কাজ শুরু করেন কীভাবে এই স্টোন ফরেস্ট দুনিয়ার কাছে উন্মুক্ত করা যায়। ১৯৩১ সালের এই সূচনাই বদলে দেয় স্টোন ফরেস্টের ইতিহাস। আদিম অবস্থা থেকে তা ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় পৃথিবীর কাছে।
এখনও অপেক্ষায় আসিমা
স্টোন ফরেস্টের একেবারে শেষবেলায় সোফিয়া আমাদের একটি কুইজ বলে। তা হলো- বেশকিছু উঁচু পাথরের দিকে তাকিয়ে বলে দেয় একটি মেয়ের মুখ আছে এদের ভিড়ে। যে এখনও অপেক্ষায় আছে তার প্রেমিকের জন্য। এটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। হাঁটার ক্লান্তি উবে গেল। কোনটি সেই মেয়ের মুখ। কে এই আসিমা? যে কি না এক মহত্তম প্রেমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন পৃথিবীর বুকে। জানা যায়, এক সময় এই অঞ্চলে উই আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাস ছিল।  
 পছন্দের মানুষকে বিয়ে করতে চেয়েছিল উই আদিবাসী মেয়ে আসিমা। বাধা হয়ে দাঁড়ায় তার সমাজ। কিন্তু শোকে পাথর হয়ে যায় আসিমা। মাথায় স্কার্ফ এবং হাতে ঝুড়ি নিয়ে আসিমা আজও অপেক্ষায়। পথ চেয়ে আছে কোনো একদিন সে তার স্বপ্নের মানুষকে পাবে। মাইনর ফরেস্ট এলাকায় আসিমা এখনও দাঁড়িয়ে। প্রতিবছর আসিমাকে নিয়ে নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে উই সম্প্রদায়ের লোকেরা। আরেকটি মিথও প্রচলিত আছে আসামিকে নিয়ে। বলা হয়ে থাকে, আসিমা ছিল অসম্ভব সুন্দরী। তাই স্থানীয় রাজার ছেলে তাকে জোর করে বিয়ে করতে চায়। আসিমা তাতে রাজি না হওয়ায় জোর করে তুলে নিয়ে যায় অত্যাচারী রাজার ছেলে। আসিমার কষ্টে বিধাতা অভিশাপ দেন। পুরো রাজ্যে যে যেখানে আছে সবাই যেন পাথর হয়ে যায়। আর সত্যি সত্যিই তা হয়। বনের পশুপাখি থেকে শুরু করে ব্যবহার্য সব এখনও যেন সেই অভিশাপে পাথর হয়ে আছে।
যাত্রায় নাস্তি এবং স্বস্তি
কথায় আছে, শেষ ভালো যার সব ভালো তার। স্ট্রোন ফরেস্ট দেখতে যাবো এমন রোমান্টিক ভাবালুতায় আচ্ছন্ন অনেকদিন থেকেই। ১৭ই সেপ্টেম্বর তার ইতি ঘটলো। বাংলাদেশ-চীন ইউথ সামার ক্যাম্প-২০১৭ সে সুযোগ করে দেয়। তবে যাত্রায় নাস্তি বলেছি এ কারণে অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও আমাদের ৪৩ জনের বাস ৪০ জন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল। লিও লাওসিকে অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি বাস থামাননি। টাইম ইজ টাইম। চায়নিজ ভাষায় চালককে বললেন, চষে চপা। অর্থাৎ আগে চল। দরোজা লেগে গেল। মন খারাপ হয়েছিল। সামান্য সময় অপেক্ষা করলে কি হতো? আবার মনকে বুঝিয়েছি সময় মানার চর্চা আমাদের এভাবেই শুরু করতে হবে। কারণ, অনেক বন্ধুকে দেখেছি অযথাই সময় না মেনে পুরো টিমকে যন্ত্রণার মধ্যে ফেলতে। যা হোক যাত্রাপথে ঘণ্টাখানেক আমার পাশের আসন খালি ছিল। কারণ, সহযাত্রী বন্ধু আজীম মিনিট দুয়েকের জন্য বাস ধরতে পারেনি। পরে ইয়ালিয়াং কাউন্টি এলাকায় যখন ইউচুয়ান রেস্তোরাঁয় খেতে বসি হঠাৎ দেখি ওকে ঢুকতে। পেছন থেকে লিউ লাওসি জানালো তিনি পরের বাসে ফেলে আসা তিনজনকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন। তবে ওই হালাল রেস্তোরাঁয় আমরা অনেকদিন পর পুরো আস্ত রুই-মাছের ঝোল আর ডিম ভাজি খেতে পেরেছিলাম। এটা ছিল সবার স্বস্তি।

কাল পড়ুন: পাহাড় যেখানে আকাশ ছুঁয়েছে

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সোনাজয়ী শুটার হায়দার আলী আর নেই

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মুক্তামনি

খাল থেকে উদ্ধার হলো হৃদয়ের লাশ

রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানকে কঠিন পর্যায়ে নিয়ে গেছে সরকার: খসরু

সঙ্কট সমাধানে প্রয়োজন পরিবর্তন: দুদু

চোখের চিকিৎসা করাতে লন্ডনে গেলেন প্রেসিডেন্ট

সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না

টানা বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে রাজধানীবাসী

বৌদ্ধ ভিক্ষু সেজে কয়েক শত কিশোরীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক

৫০ বছরের মধ্যে জাপানে কানাডার প্রথম সাবমেরিন

ছিচকে চোর থেকে মাদক সম্রাট!

বোতলে ভরা চিঠি সমুদ্র ফিরিয়ে দিল ২৯ বছর পর!

কার সমালোচনা করলেন বুশ, ওবামা!

জুমের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেনা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা

অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে ১৮শতাব্দীর বাংলা পুঁথি

হারভে উইন্সটেন যেভাবে হোটেলকক্ষে অভিনেত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন