ভ্রমণপিয়াসুদের জন্য আলেকজেন্ডার চর, টাঙ্কির চর

চলতে ফিরতে

মারুফ কিবরিয়া, নোয়াখালী থেকে ফিরে | ৩ অক্টোবর ২০১৭, মঙ্গলবার
অফিসের কাজ কিংবা পড়াশোনার ফাঁকে ছুটি মিলেছে? ভাবছেন কোথায় যাবেন? ঠিকঠাক লোকেশনের অভাবে যেতে পারছেন না? এমন সব প্রশ্ন ভ্রমণপিয়াসু মানুষদের মাঝে প্রায়ই ঘোরপাক খায়। কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান , নিঝুম দ্বীপ কিংবা কুয়াকাটা, সিলেটের মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলোই সবার পছন্দের তালিকায় থাকে। ছুটিতে বেড়াতে যাওয়া মানেই এই জায়গাগুলো। কিন্তু এসবের বাইরেও কিছু নতুন পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে সাম্প্রতিক সময়ে। যার মধ্যে আলেকজেন্ডার চর কিংবা চেয়াম্যানঘাটের মতো জায়গাগুলো সবার পছন্দের জায়গায় পরিণত হয়েছে। নোয়াখালীর সোনাপুর সদর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আলেকজেন্ডার চর।
একসময় শুধু চর বলেই পরিচিত ছিল সেটি। তবে যান্ত্রিক জীবনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করা মানুষগুলোর ভ্রমণপিপাসা মেটাতে এটি এখন আপাদমস্তক পর্যটনকেন্দ্রই বলা চলে। চারদিকে সবুজ বিস্তৃত মাঠ। মানুষের কোলাহল নেই বললেই চলে। একটু সামনেই বেঁড়িবাঁধ। এই বাঁধের ওপর উঠলেই দেখা মিলবে মেঘনা নদীর। ক্ষানিকসময় দাঁড়িয়ে থেকে আপনি চাইলেই নিতে পারেন মুক্তবাতাস। আর তার সঙ্গে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। সত্যিই, এমন জায়গায় বেড়াতে গিয়ে কিছুটা হলেও প্রশান্তির ছোঁয়া খুঁজে পাবেন। আলেকজেন্ডার চরের চেয়ারম্যান ঘাট কোল ঘেষে তৈরি হওয়া নতুন এ বাঁধ দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। কেউ পরিবারের সদস্য নিয়ে। আবার কেউবা বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে যান সেখানে।  শুধু তাই নয়, আপনি চাইলে জায়গাটিতে প্রিয় সঙ্গীকেও নিয়ে গিয়ে নদীর ধারে বসে কিছুটা সময় একান্তে কাটিয়ে আসতে পারেন। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য্য শুধু  এই চেয়ারম্যান ঘাটটি ঘিরে নয়। একই সঙ্গে আসা যাওয়ার পথে আপনি পাবেন সূবর্ণ চর কিংবা  নুরু পাটোয়ারীর চরের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে নয়া লীলাভূমিগুলো। এছাড়াও নোয়াখালীর দক্ষিণে গিয়ে দেখা যাবে হাতিয়ার টাঙ্কির চরও। যেখানে শুধু চারিদিকে সবুজ আর সবুজ মাঠ। কিছু দূর পর পর একটি করে চর বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি। এসব দেখলে চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কারোরই।  
যেভাবে যাবেন আলেকজেন্ডার চরÑ ঢাকা থেকে নোয়াখালীর হিমাচল কিংবা একুশে এক্সপ্রেস বাসে চড়ে সরাসরি সোনাপুর যাবেন। সেখান থেকে সূবর্ণচর এক্সপ্রেস নামের একটি বাস রয়েছে। সেটিই আপনাকে পৌঁছে দেবে আলেকজেন্ডারের চেয়ারম্যানঘাট। এছাড়া আপনি চাইলে সিএনজি চালিত অটোরিক্সাও যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া পড়বে তিনশ টাকার মতো। একইভাবে  ঢাকা থেকে টাঙ্কির চর যেতেও পারেন। সোনাপুর থেকে বাসে চড়ে যাওয়া যায় সেখানে। হাতিয়ার টাঙ্কির চর যেতে মাঝপথেই পাবেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। চাইলে সেখানেও ঘুরে আসতে পারবেন।

[এমকে]
 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সোনাজয়ী শুটার হায়দার আলী আর নেই

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মুক্তামনি

খাল থেকে উদ্ধার হলো হৃদয়ের লাশ

রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানকে কঠিন পর্যায়ে নিয়ে গেছে সরকার: খসরু

সঙ্কট সমাধানে প্রয়োজন পরিবর্তন: দুদু

চোখের চিকিৎসা করাতে লন্ডনে গেলেন প্রেসিডেন্ট

সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না

টানা বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে রাজধানীবাসী

বৌদ্ধ ভিক্ষু সেজে কয়েক শত কিশোরীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক

৫০ বছরের মধ্যে জাপানে কানাডার প্রথম সাবমেরিন

ছিচকে চোর থেকে মাদক সম্রাট!

বোতলে ভরা চিঠি সমুদ্র ফিরিয়ে দিল ২৯ বছর পর!

কার সমালোচনা করলেন বুশ, ওবামা!

জুমের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেনা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা

অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে ১৮শতাব্দীর বাংলা পুঁথি

হারভে উইন্সটেন যেভাবে হোটেলকক্ষে অভিনেত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন