সেনাবাহিনীর কার্যক্রম শুরু, ফিরছে শৃঙ্খলা

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ও টেকনাফ প্রতিনিধি | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, রবিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৩৩
 উখিয়া-টেকনাফে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মাঝে দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে শনিবার থেকে সেনাবাহিনী পুরোদমে কাজ শুরু করেছে। গতকাল উখিয়া কলেজ গেইট এলাকা থেকে টেকনাফ পর্যন্ত রোহিঙ্গাপ্রবণ বিভিন্ন স্থানে তাদের তৎপর দেখা গেছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন রোহিঙ্গা অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর কার্যক্রম শুরু হওয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, দুযোর্গকালীন মানবিক সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীকে সংযুক্ত করা হয়েছে। তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনে কাজ করবেন। উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের রাখার জন্য যে জায়গা নির্ধাণ করা হয়েছে, সেখানে ত্রাণ বিতরণ থেকে শুরু করে আশ্রয়, রাস্তা নির্মাণ, ড্রেনেজ, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়াও ওই এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকারের সব আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা।
তিনি বলেন, শুক্রবার থেকে সেনাবাহিনী প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে।
শনিবার থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয় তাদের। জেলা প্রশাসক জানান, আশ্রয়হীন রোহিঙ্গাদের জন্য প্রতিদিন ১২৯ ট্রাক খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রতিদিন এক লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা ত্রাণ সুবিধা পাচ্ছে। প্রতি ঘণ্টায় ২ হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সমন্বয়ের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের কাজ চলছে।
পুলিশ সুপার একেএম ইকবাল হোসেন বলেন, উখিয়া-টেকনাফে ইতিমধ্যে ৪ লাখ ৩০ হাজারের কাছাকাছি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সূত্রে আমরা এ তথ্য জানতে পেয়েছি। রোহিঙ্গা শিবিরগুলোকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপকভাবে তৎপর রয়েছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। ত্রাণ বিতরণের আড়ালে কেউ যাতে অপরাধমূলক তৎপরতা চালাতে না পারে সে বিষয়ে প্রশাসন সজাগ রয়েছে। যারা হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে কিছু দিতে যাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পুলিশ সুপার বলেন, রোহিঙ্গারা যাতে ছড়িয়ে যেতে না পারে তার জন্য ১১টি চেকপোস্ট বসিয়ে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে ধরে উখিয়ার বালুখালীতে নিয়ে আসা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের নানাভাবে হয়রানি করায় এ পর্যন্ত ২১২ জন দালালকে ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেয়া হয়েছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বলেন, নতুন আসা রোহিঙ্গারা ব্যক্তিগত উদ্যোগে ও বিভিন্ন সংস্থার সহযোগিতায় ইতিমধ্যে ২৬ হাজার শেড নির্মাণ করেছে। সরকারিভাবে ১৪ হাজার শেড নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি শেডে ছয়টি পরিবার থাকতে পারবে। সে হিসেবে ১৪ হাজার শেডে ৮৪ হাজার পরিবার বাস করতে পারবে। এ ছাড়াও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে ৪ হাজার শেড নির্মাণের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বৃটিশ নারী এমপিদের যৌন নির্যাতনের কাহিনী

প্রাণ-আরএফএল’র মহিলা শ্রমিককে গণধর্ষণ

মাও সেতুংয়ের পর সবচেয়ে শক্তিশালী প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং

সাবেকদের সঙ্গে ইসির সংলাপ শুরু

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নতুন অবরোধ আরোপের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

শীর্ষ সন্ত্রাসী সাদ্দাম হোসেন গ্রেপ্তার

আশ্রয়শিবিরে রোহিঙ্গা নারীদের যৌন ব্যবসা, খদ্দের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া থেকে স্থানীয় রাজনীতিক

এম কে আনোয়ারের দাফন আগামীকাল

‘আন্দোলনের দাবিগুলো নিয়ে ক্যাবিনেটে সুপারিশ করা হয়েছে’

জঙ্গি অভিযান শেষ, আটক হয়নি কেউই

খালেদা জিয়া কক্সবাজার যাচ্ছেন রোববার

রোনালদোই সেরাা

সেরা একাদশে যারা

রোহিঙ্গা ইস্যু- ফের  আসছেন চীনের বিশেষ দূত

রোহিঙ্গাদের জন্য ৩০০০ কোটি টাকার প্রতিশ্রুতি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার ও বাংলাদেশকে একই সাথে খুশি করা ভারতের জন্য কি কূটনীতির পরীক্ষা?