রোহিঙ্গাদের নিয়ে দিল্লির সুরেই সুর মেলালো ঢাকা

দেশ বিদেশ

| ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বুধবার
মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢলকে নিরাপত্তার পক্ষে ঝুঁকি বলে মানছে বাংলাদেশও। সোমবার কলকাতায় বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘‘রোহিঙ্গাদের জঙ্গিযোগের বিষয়টি নিয়ে আমরা ওয়াকিবহাল। উদ্বিগ্নও বটে। সেদিক দিয়ে তারা নিরাপত্তার পক্ষে অবশ্যই ঝুঁকির।’’ আলম জানান, মানবিক কারণে ৮ লাখ  রোহিঙ্গা শরণার্থীর আশ্রয়ের ব্যবস্থা তারা করছেন। কিন্তু বাংলাদেশ চায় মিয়ানমার সরকার সব রোহিঙ্গা শরণার্থীকে  ফেরত নিক। কফি আনান কমিটির সুপারিশ মেনে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানেও সচেষ্ট  হোক।  সোমবার কলকাতায় একটি আলোচনা সভায় বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথায় ১৬ কোটি বাঙালি যদি খেয়ে-পরে বাঁচতে পারে, তবে ৮ লাখ শরণার্থীকেও তারা খাওয়াতে পারেন।
মানবিক কারণেই আমরা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছি।’’ শাহরিয়ার আলম জানান, কিন্তু এই বিপুল সংখ্যক শরণার্থী চিরকাল বাংলাদেশে থেকে যেতে পারেন না। এর ফলে অর্থনীতিতে যে চাপ পড়বে, আজকের বাংলাদেশ তা সামলে নিতে সক্ষম। কিন্তু এই জনগোষ্ঠীকে নিয়ে সামাজিক সমস্যা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। তাদের জঙ্গিযোগের বিষয়টি তো রয়েছেই।
শাহরিয়ার আলম জানান, এই সমস্যার দিনে ভারত আদর্শ বন্ধুর মতো বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই তারা এক দফা ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে। আরো ত্রাণ সামগ্রী পাঠাচ্ছে। সেই সঙ্গে শরণার্থীদের  ফেরত নেয়ার বিষয়ে দিল্লি ইতিমধ্যেই মিয়ানমার সরকারের কাছে আর্জি জানিয়েছে। ঢাকা ও দিল্লি এ বিষয়ে একযোগে মিয়ানমার প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াবে বলে তিনি জানান।
বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর কথায়, শরণার্থী সমস্যা স্থায়ীভাবে মিটতে পারে একমাত্র মিয়ানমারে  রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের মধ্য দিয়ে। এই সমস্যা মেটাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের প্রাক্তন মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বে একটি কমিশন গড়েছিল মিয়ানমার সরকার।  সেই কমিশনের রিপোর্ট জমা পড়েছে। আলম বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা স্থায়ীভাবে মেটানোর যথেষ্ট উপকরণ এই রিপোর্টে রয়েছে। ঢাকা চায়, এই রিপোর্ট  মেনে মিয়ানমার সরকার সে কাজে সক্রিয় হোক।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের উদ্যোগে এ দিনের আলোচনা সভায় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশের এগোনোর কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। এমন কী  রোহিঙ্গা সমস্যাও আজ সামলে  নেয়ার আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমামও এদিন আলোচনায় অংশ নেন।
    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা হিমঘরে পাঠালেন আরো এক বিচারক

পেপ্যালের জুম সেবার উদ্বোধন

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে দায়ী করলো যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি মজনু গ্রেপ্তার

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা কাল

কুয়েতে এসি বিস্ফোরণে নিহত পাঁচজনের মরদেহ দেশে,বিকালে দাফন

আমাদের অনেক এমপি অত্যাচারী, অসৎ : অর্থমন্ত্রী

মিয়ানমার থেকে শূন্য হাতে ফিরলেন জাতিসংঘ কর্মকর্তা

‘এ নিয়ে আমার কোনো আফসোস নেই’

সোমালিয়ায় হামলায় নিহত ৩ শতাধিক, বৈশ্বিক সংহতি কোথায়?

মেসির সেঞ্চুরি, বার্সেলোনার জয়

ম্যানইউ’র জয়ের ধারা অব্যাহত

ইভিএম চায় আওয়ামী লীগ সীমানায় অনীহা

আরো একটি পরাজয়

আরো অর্থায়ন না হলে রোহিঙ্গা শিশুদের সহায়তায় বিপর্যয়

চীন-রাশিয়া পাশে আছে