মিয়ানমারকে সমর্থন দেয়ার কথা জাতিসংঘ মহাসচিবকে জানিয়ে দিল চীন

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরাঁর সঙ্গে বৈঠকেও মিয়ানমারের প্রতি সমর্থনের কথা জানিয়ে দিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি বলেছেন, জাতীয় স্থিতিশীলতায় মিয়ানমারের প্রচেষ্টার বিষয়টি বুঝতে পারে চীন এবং এ প্রচেষ্টায় সমর্থন রয়েছে চীনের। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। এতে বলা হয়, নিউ ইয়র্কে গুতেরাঁর সঙ্গে বৈঠকে মিয়ানমার ইস্যুতে চীনের অবস্থান পরিস্কার করে দিলেন ওয়াং ই। এর আগেও চীন তার অবস্থান পরিস্কার করে দেয় রোহিঙ্গা ইস্যুতে। তারা জানিয়ে দিয়েছিল, রাখাইনে মিয়ানমার সরকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে যে তৎপরতা চালাচ্ছে তাতে চীনের সমর্থন রয়েছে।
আর এবার সরাসরি জাতিসংঘ মহাসচিবকে সেই কথাই জানিয়ে দেয়া হলো। এর আগে খবর প্রকাশ হয়েছিল যে, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংসতার প্রতিবাদে বিশ্ব সোচ্চার হয়ে উঠলে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে রোহিঙ্গা ইস্যু উত্থাপনের দাবি জোরালে হলে মিয়ানমার দূতিয়ালি শুরু করে। তারা চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে। নিরাপত্তা পরিষদের এ সদস্যদের তারা ম্যানেজ করার চেষ্টা করে, যাতে জাতিসংঘে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা হলে তাতে তারা বাধা দেয়। নিরাপত্তা পরিষদে শক্তিধর অবস্থানে রয়েছে চীন ও রাশিয়া। তারা কোনো একটি প্রস্তাবে ভেটো দিলেই তা আর আলোর মুখ দেখার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তাই এ দুটি দেশকে হাতে নেয়ার চেষ্টা চালায় মিয়ানমার। এ ছাড়া এ দুটি দেশ মিয়ানমারে বড় অংকের অর্থের অস্ত্র বিক্রি করে। ফলে তাদেরও এক্ষেত্রে স্বার্থ আছে। দৃশ্যত মিয়ানমারের সেই দুতিয়ালি কাজে লেগেছে। তারই প্রতিফলন ঘটেছে গুতেরাঁকে চীনের অবস্থান পরিস্কারের মাধ্যমে। ২৫ শে আগস্ট থেকে রাখাইনে সহিংসতার পর চার লাখ ১০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছেন। তাদের ওপর যে নির্যাতন চালানো হয়েছে জাতিসংঘ তাকে জাতি নিধন বলে অভিহিত করেছে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Didha

২০১৭-০৯-২১ ০৪:০১:১৮

চীন বদমাশ সাড়া বিশ্বে ধর্ম ও জাতিগত একটা বিশৃঙ্ঘলা লাগানোর পায়তারা করছে। এমন এক সময হয়তো আসবে কোন পরাশক্তির আশ্রয়ে ভুটানের মত দেশও বিশ্বকে বৃদাঙ্গুলি দেখাতে শুরু করবে।

Rubo

২০১৭-০৯-১৯ ০৯:২০:১০

বাংলাদেশ সরকারের দরকার ছিল চীন , রাশিয়া , ভারতে দূত পাঠিয়ে ভয়াবহতার একটি চিত্র তুলে ধরা এবং তাদের সমরথন আদায় করা । আমরা অবাক হয়ে দেখলাম সরকার তা না করে মা়য়ানমারের সাথে চাল আমদানীর সমঝোতা করতে বেশী মনোযোগী। চার ল়ক্ষ রোহিনগা জীবন বাচাতে আমাদের দেশে চলে আসলো অথচ একটিও বড় দেশ আমাদের পাশে নেই । সবাই সুচির পাশে । এমন বিদেশ নীতির নমুনা জাতী কখনো আশা করে না ।

joynal Abdin

২০১৭-০৯-১৯ ০৬:৩৩:০২

I hate china and russia.i never purchese thier products

আপনার মতামত দিন

দুর্ঘটনার কবল থেকে ট্রেনটি রক্ষা করলো দুই শিশু

ঢাকায় তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী

বৃদ্ধা মিলু গোমেজ হত্যায় কেয়ারটেকার গ্রেপ্তার

ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানিতে আন্তর্জাতিক আইনজীবী নিয়োগের আবেদন

শোকের উপর শোক, অসুস্থ হয়ে পড়লেন নওফেল

বিএনপি প্রার্থীকে প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ

‘নির্বাচনে না আসলে বিএনপির অস্তিত্ব বিপন্ন হবে’

নিখোঁজ প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার

ওয়ালটনে প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম মারা গেছেন

মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে ১১ জনের মৃত্যু

‘বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা’

লেবাননে বৃটিশ কূটনীতিককে শ্বাসরোধ করে হত্যা

বিমানে দেখা এরশাদ-ফখরুলের

ছিনতাইকারীর টানাটানিতে মায়ের কোল থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

‘উন্নয়ন কথামালায়, মানুষ কষ্টে আছে’

সারা দেশে বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচি আগামীকাল