আজ থেকে বই ছাপার কাজ বন্ধের ঘোষণা

বিনামূল্যের বই নিয়ে ফের শঙ্কা

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:০৬
বিনামূল্যের বই সময়মতো পৌঁছানো নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। নবম ও দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের ১২টি সুখপাঠ্য বইয়ের কাজ নিয়ে নতুন করে এ জটিলতা তৈরি হলো। এতে আগামী বছর পহেলা জানুয়ারি বই উৎসব করা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হলো। মুদ্রণ শিল্প সমিতির নেতা বলছেন অযোগ্য, অক্ষম, কালো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিয়ে নানা ধরনের অনিয়মের আশ্রয় নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এরই অংশ হিসেবে নবম ও দশম শ্রেণির সুখপাঠ্য ১২টি বইয়ের প্রায় পৌনে তিন কোটি বই নামসর্বস্ব ও অজ্ঞাত প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিচ্ছে তারা। এর প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার থেকে এনসিটিবির সকল ধরনের মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণের কাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতি।
সমিতির সকল সদস্যের উপস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। কাজ বন্ধ করার ব্যাখ্যা দিয়ে সমিতির সভাপতি তোফায়েল খান মানবজমিনকে বলেন, যাদের সক্ষমতা আছে তাদের কাজ না দিয়ে অসক্ষম প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়া হচ্ছে। যাদের নিজেদের কোনো প্রেস নেই, বাইরের প্রতিষ্ঠান থেকে বই ছাপিয়ে আনে তাদের কাজ দেয়া মানে আমাদের পথে নামিয়ে দেয়া। সময়মতো ভালো মানের বই দিতে হলে অবশ্যই এনসিটিবি’র শিডিউল ও নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি প্রভাবশালীদের চাপের নাম করে এসব নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিচ্ছে। আমাদের দাবি, এসব অনিয়ম বন্ধ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ রাখবো। এবার বই নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল এর মধ্য দিয়ে আরো ত্বরান্বিত হলো। এনসিটিবি ও মুদ্রণ শিল্প সমিতির নেতারা বলছেন, বোর্ডের এক শ্রেণির কর্মকর্তার প্রশ্রয়ে প্রভাবশীল একটি মহল নিয়ম ভঙ্গ করে কাজ বাগিয়ে নিতে চাচ্ছে। ইতিমধ্যে তারা নবম ও দশম শ্রেণির সুখপাঠ্য বইয়ের কাজ পেয়ে যাচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগে নিজস্ব কোনো প্রেস নেই। বাইরের প্রেস থেকে কাজ করায়। নিম্ন মানের বই দেয়ার নানা অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এ বছর এনসিটিবি বেশ কয়েকটি টেন্ডারে ভাগ করে ৩৫ কোটি ১৩ লাখ ২৬ হাজার ২০৭টি বই ছাপার কাজ করছে। এর মধ্যে নবম শ্রেণির ১২টি পাঠ্যবই ‘সুখপাঠ্যকরণ’ নাম দিয়ে সংশোধন করে নতুন রূপে তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- বাংলা, ইংরেজি, পদার্থ, রসায়ন, জীববিদ্যা, উচ্চতর গণিত, বিজ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, অর্থনীতি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, হিসাববিজ্ঞান ইত্যাদি। প্রাক-প্রাথমিক এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পড়ার বইয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত শুরু হয়নি। এজন্য প্রাক-প্রাথমিকের মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ওপর বিশ্বব্যাংকের অনাপত্তি এখনও পাওয়া যায়নি। আর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বইয়ের চাহিদা চূড়ান্ত হয়নি। এসব কাজ শেষ হলেই টেন্ডার কাজ শুরু হবে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

কলেজে এসকেলেটর বিলাস, ৪৫৪ কোটি টাকার প্রকল্প

ইইউয়ে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বাংলাদেশ

ফাইনালে বাংলাদেশ হাথুরুকেও জবাব

আইভীর অবস্থা স্থিতিশীল, দেখতে গেলেন কাদের

শামীম ওসমানের বক্তব্যে তোলপাড় নানা প্রশ্ন

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘সভাপতি হলে তুই মাত করে দিবি’

চট্টগ্রামে বেপরোয়া অর্ধশত কিশোর গ্যাং

তুরাগতীরে লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

দু’দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা

পিয়াজের কেজি এখনো ৬৫-৭০ টাকা

নির্বাচন চাইলে সরকার আপিল বিভাগে যেতো

‘বাংলাদেশ ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে’

‘শাসকগোষ্ঠীর নির্মম শিকলে বন্দি মানুষ’

ফেনীতে সাড়ে ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

ছেলেকে হত্যার পর মায়ের স্বীকারোক্তি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী নিখোঁজ