নববধূকে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

বাংলারজমিন

বগুড়া প্রতিনিধি | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার
বগুড়ায় নববধূকে গলাকেটে হত্যা করেছে স্বামী। পরে স্বামী নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বগুড়া শহরের চকফরিদ কলোনি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। গতকাল সকালে পুলিশ ওই এলাকার একটি বাড়ি থেকে আমেনা (১৮) নামের ওই নববধূর গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এ সময় পুলিশ হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্বামী সুজনকে আটক করেছে। পুলিশ জানায়, রাতে স্বামী স্ত্রী ঘুমিয়ে পরে।
ভোর রাতে সুজন স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে। পরে নিজে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় ছুরি চালায়। এ সময় সুজন চিৎকার করে। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে সুজনকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশকে খবর দিলে আমেনার লাশ উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সুজনকে আহত অবস্থায় আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এলাকাবাসী জানায়, আমেনার বাবার বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলায়। সে বগুড়ার শহরের চকফরিদ কলোনি এলাকায় তার মামার বাসায় থাকত। সেই সুবাদে সুজনের সঙ্গে ২০ দিন আগে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। আমেনা সুজনকে পছন্দ করত না। এনিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই কলহ হতো। সুজন পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি।

বগুড়া সদর থানার ওসি এমদাদ হোসেন জানান, আমেনা তার স্বামী সুজনকে বিয়ের পর থেকেই মেনে নিতে পারেনি। তাকে সে পছন্দ করত না। এই অপছন্দের জায়গা থেকেই হত্যার সূত্রপাত। তিনি আরো জানান, সুজনের চিকিৎসা শেষে তাকে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তখন এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

‘বাধ্য হয়ে অনেকে একই ধরনের চরিত্রে বারবার কাজ করছেন’

ছাত্রলীগে উদ্ধার ভিসি, শিক্ষার্থীদের ফের পিটুনি

ঘুষ নেয়ার সময় ধরা পড়ে নাসির বেরিয়ে আসছে আরো নাম

আদালতে খালেদার আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা

বিএসএফ জওয়ান গ্রেপ্তার

শিক্ষামন্ত্রীর কর্মকাণ্ডে মন্ত্রিসভার সদস্যরাও নাখোশ

পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হামিদ না অন্য কেউ

এর পরও অনায়াস জয়

পলাতক জঙ্গি সাড়ে ৩ হাজার

পরীক্ষার সময় ফেসবুক বন্ধ চায় মন্ত্রণালয়

সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে

‘আই অ্যাম ফাইটার’

মৃত্যুর আগে খুনিদের নাম বলে গেল জুয়েল

শেষ সময়ে বাণিজ্যমেলায় ছাড়ের উৎসব

মেয়েকে এপিএসের দায়িত্ব দিলেন প্রতিমন্ত্রী কেরামত

ট্রাম্পকে ব্ল্যাকমেইল করেছেন পুতিন!