দপ্তরির স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭, বুধবার
বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নাসিরনগরের শংকরাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেজবাহ উদ্দিন(৪২)কে আসামি করে গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত ঘটনার তদন্ত করার জন্য নাসিরনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী মো. ফিরোজ মিয়াকে মারধর করার অভিযোগও রয়েছে। ধর্ষণচেষ্টার মামলার এজাহারে বলা হয়- গত ৬ই মার্চ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মামলার বাদী মোছাম্মৎ ইয়াছমিন আক্তার তার কন্যা পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী কারিমা আক্তার স্কুল ছুটির পর বাড়িতে না ফেরায় খোঁজ করতে স্কুলে যান। প্রধান শিক্ষক মেজবাহ উদ্দিনের কাছে কারিমার খেঁাঁজ জানতে চাইলে তিনি কারিমাকে খোঁজে এনে দেবেন বলে ইয়াছমিনকে বসতে বলেন। এরপর  উঠে গিয়ে কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। বুক ও শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে ধরে কক্ষের মেঝেতে ফেলে খারাপ কাজ করার চেষ্টা চালান তার সঙ্গে। এজাহারে আরো অভিযোগ করা হয়- ইয়াছমিন তার কন্যাকে স্কুলে আনতে বা দিতে গেলে তার রূপযৌবনে আকৃষ্ট হয়ে মেজবাহ উদ্দিন  প্রায় সময়ই খারাপ অঙ্গভঙ্গি করে এবং তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। প্রেম নিবেদন করে ও বিয়ের প্রস্তাব দেয়। বলে আমার সঙ্গে বিয়ে হলে সুখে শান্তিতে থাকবা। ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনাটি মেজবাহ উদ্দিনের অনুরোধে সে কাউকে জানায়নি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু গ্রামে চলা কানাঘুষা থেকে তার স্বামী বিষয়টি জেনে ফেলে। এরপর থেকেই মেজবাহ উদ্দিন তার স্বামীর ক্ষতি করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। এদিকে গত ১০ই সেপ্টেম্বর সকালে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী মো. ফিরোজ মিয়াকে প্রধান শিক্ষক মেজবাহ উদ্দিন ও তার ছেলে মিনহাজ উদ্দিন মারধর করেন। অসুস্থ বাচ্চার চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাবেন বলে ছুটি চাওয়ায় মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন ফিরোজ। তবে প্রধান শিক্ষক মেজবাহ উদ্দিন বলেছেন- এই জীবনে তিনি ফিরোজের স্ত্রীকে দেখেনইনি। মারধরের বিষয়ে বলেন- আমি নই ফিরোজই আমাকে মারধর করেছে। পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে।   


 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন