রাখাইনে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের আহ্বান বি. চৌধুরীর

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, সোমবার, ৭:৪৪
মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশকে নিরপেক্ষ এলাকা ঘোষণা করে অবিলম্বে সেখানে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে শিশু, নারী, বৃদ্ধা হত্যাসহ অসংখ্য নারীর ইজ্জত লুণ্ঠন এবং লাখ লাখ মানুষের বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনা গত দুই সপ্তাহ ধরে চলছে। এই নির্যাতিত রোহিঙ্গা মুসলমানরা প্রাণভয়ে বাংলাদেশের দিকে ছুটে আসছে। তাদের সমস্যার সমাধান করা বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বিবেকবান দেশ ও মানুষের সামাজিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু দু:খের বিষয় বিশ্ববিবেক এখনো এই লাঞ্ছিত, দুর্গ্ত মানুষগুলির পক্ষে যেভাবে জেগে ওঠার কথা সেভাবে জেগে উঠেনি। সাবেক এ প্রেসিডেন্ট বলেন, শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত অং সাং সুচি মনে হয় তার বিবেককে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছেন।
না হলে তিনি কেমন করে বলেন, রোহিঙ্গারা নিজেরাই নিজেদের ঘরে আগুন দিয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সুচি বললেন, রোহিঙ্গারা সন্ত্রাসী এই জন্যই সামরিক বাহিনীকে সু চি সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। বাস্তবতা হচ্ছে, পৃথিবীর কোনো দেশেই, কোনো জায়গাতেই একজন রোহিঙ্গা মুসলিম সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়েছেন, এমন কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না। তিনি বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর হাত থেকে রেহাই পওয়ার জন্য নিশংকচিত্তে প্রতিবেশী দেশ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলাম। ভারতও সারা পৃথিবীর সাহায্য গ্রহণ করেছে এবং পুরো নয় মাস আমাদের আশ্রয়, খাদ্য ও ওষুধ দিয়েছে। কিন্তু আজকে আমরা হাজার হজার ধর্ষিতা মা-বোনসহ মিয়ানমার বাহিনীর হাতে অমানবিকভাবে নির্যাতিত ক্ষুধার্র্ত, বস্ত্রহীন এবং রোগাক্রান্ত এই মানুষগুলোকে আশ্রয় দিতে কুণ্ঠাবোধ করছি। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ভারত যা পেরেছিল, আমরা তা কেনো পারবো না। বি. চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, জাতিসংঘ থেকে প্রতিবাদের ভাষা শোনা যাচ্ছে, সামান্য সাহায্যের আভাস দেয়া হচ্ছে। কিন্তু সমস্ত মুসলিম বিশ্বসহ সারা বিশ্বের কাছে রোহিঙ্গা মুসলমানরা অনেক বেশি সাহায্য-সহযোগিতা আশা করেছিল। তিনি বলেন, আমরা আশা করবোÑ সারা বিশ্ববিবেকের কাছে জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের রক্ষার জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। জাতিসংঘ দ্রুত নির্যাতিত মানুষগুলির জান-মাল, ইজ্জত রক্ষার জন্য শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো এবং রাখাইন প্রদেশকে নিরপেক্ষ এলাকা ঘোষণা করবে।  

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

অভিযোগের পাহাড়, অসহায় ইউজিসি

প্রত্যাবাসন শুরু হচ্ছে না আজ

মৈত্রী এক্সপ্রেসে শ্লীলতাহানির শিকার বাংলাদেশি নারী

‘২০৬ নম্বর কক্ষে আছি, আমরা আত্মহত্যা করছি’

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই পা হারালেন ঢাবি ছাত্র

পুলে যাচ্ছে সেই সব বিলাসবহুল গাড়ি

নীলক্ষেত মোড়ে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, এমপির আশ্বাসে স্থগিত

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সফর সফল করতে নির্দেশনা

নেতাকর্মীরা জেলে থাকলে নির্বাচন হবে না: ফখরুল

তিন দিনের ধর্মঘটে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

ইডিয়ট বললেন মারডক

সহায়ক সরকারের রূপরেখা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে

২৩শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

বাসায় ফিরছেন মেয়র আইভী

‘আমাকে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে’

জনগণ রাস্তায় নেমে ভোটাধিকার আদায় করবে: মোশাররফ