৮ মাসে সড়কে নিহত ২৮৭৩

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, সোমবার, ৭:১৪ | সর্বশেষ আপডেট: ৭:১৪
সারা দেশে গত আট মাসে ২ হাজার ৪১৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২ হাজার ৮৭৩ জন নিহত এবং ৬ হাজার ৫০০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৩৪৪ নারী ও ৩৮১ শিশু রয়েছে। জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। আজ সোমবার বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির নিয়মিত মাসিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। ২২টি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজপোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। সংগঠনটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা বেশি ঘটলেও জুন মাস থেকে তা পর্যায়ক্রমে কমেছে।
ফেব্রুয়ারিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক ৩৭২টি দুর্ঘটনায় ৫৬ নারী ও ৫৮ শিশুসহ মোট ৪৭২ জনের প্রাণহানি হলেও আগস্টে সর্বনি¤œ ২১৭টি দুর্ঘটনায় ২৫ নারী ও ৩১ শিশুসহ মোট ২৭৯ জন নিহত হয়েছেন। আর জানুয়ারিতে ১ হাজার ৯৪ জন আহত হলেও আগস্টে এই সংখ্যা নেমে ৫০৩- এ দাঁড়িয়েছে। পর্যবেক্ষণে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা গত তিন মাসে ধীরে ধীরে কমলেও তা এখনো সহনীয় মাত্রায় নেমে আসেনি। তবে এই ধারা অব্যাহত থাকলে জাতিসংঘ ঘোষণা অনুযায়ী সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২০২১ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে জাতীয় কমিটি মনে করে।
নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্য ছয় মাসের মধ্যে জানুয়ারিতে ৩৫০টি দুর্ঘটনায় ৫৪ নারী ও ৫৫ শিশুসহ ৪১৬ জন নিহত ও ১ হাজার ১২ জন আহত হয়েছেন। মার্চে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩৩০টি। এতে নিহত ও আহত হয়েছেন যথাক্রমে ৩৬২ ও ৮৬৫ জন। নিহতদের মধ্যে ৪৯ নারী ও ৫৪ শিশু রয়েছে। এপ্রিলে ৩২০টি দুর্ঘটনায় ৪৭ নারী ও ৪৮ শিশুসহ ৩৪৯ জন নিহত এবং ৮৬১ জন আহত হয়েছেন। মে মাসে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩৪৬টি। এতে ৫২ নারী ও ৫৮ শিশুসহ ৪১০ জনের প্রাণহানি ঘটে। আর আহত হন ১ হাজার ১৬ জন। জুনে ২৬৫টি দুর্ঘটনায় ৩৪ নারী ও ৪২ শিশুসহ ৩৩৩ জন নিহত ও ৬৩২ জন আহত হয়েছেন। জুলাইয়ে ২১৯টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত ও আহত হয়েছেন যথাক্রমে ২৭৯ ও ৫১৭ জন। নিহতদের মধ্যে ২৭ নারী ও ৩৫ শিশু রয়েছে।
জাতীয় কমিটির পর্যবেক্ষণে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য প্রধানত সাতটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হল- বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, ওভারলোডিং ও ওভারটেকিংকালে নিয়ম ভঙ্গ, দীর্ঘক্ষণ বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানো, ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করা, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক ও সড়কের বেহাল দশা, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব এবং অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়োগ।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগে বরখাস্ত মার্কিন এই টিভি উপস্থাপক

নিখোঁজের ৪ দিন পর বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের সঙ্গে এ সপ্তাহেই চুক্তি হবে- সুচি

গণতন্ত্রের জন্য মধ্যবিত্ত শ্রেণির প্রয়োজনীয়তা

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতি ঢাবি শিক্ষার্থীসহ আটক ৮

রোহিঙ্গারা জাতিবিদ্বেষী আচরণের শিকার- অ্যামনেস্টি

সাকিবকে গুনতে হচ্ছে জরিমানা

হাতিয়ায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দকযুদ্ধে নিহত দুই

বেক্সিট ইস্যুতে ইইউ’কে ৪০০০ কোটি পাউন্ড প্রস্তাব করবে বৃটেন

ঘুম ভেঙে দেখেন মায়ের বুকে শিশুটি নেই

হতাশাজনক পরিস্থিতিতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর নারী অ্যাঙ্গেলা মারকেল

ঘোড়ামারা আজিজের রায় বুধবার

বেসরকারি হাসপাতালে ছাত্রলীগপন্থী চিকিৎসকদের হামলা, সংঘর্ষ

সশস্ত্র বাহিনী জাতির এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান: খালেদা জিয়া

সশস্ত্র বাহিনী জাতির এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান: খালেদা জিয়া

কেরানীগঞ্জে বিএনপি অফিসে পুলিশের তালা