বামে আর মমতায় ফারাক অনেক

চলতে ফিরতে

কাজল ঘোষ, কলকাতা থেকে ফিরে | ২৩ আগস্ট ২০১৭, বুধবার
প্যাশনের শহর কলকাতা। দোমিনিক ল্যাপিয়ের বলেছেন, সিটি অব জয়। কিন্তু আমি বলি ব্যস্ত শহর। সেখানে সবাই কেবলই ছুটছে। তীব্র গতি সবখানে। সকাল থেকে রাত অবধি কিশোর, তরুণী আর যুবারা ছুটছে। যদিও প্রথম দেখার কলকাতা আর এখনকার কলকাতা বদলেছে অনেকখানি। প্রথম গিয়েছিলাম ১৯৯৯ সালে। তারপর ২০১৩ আর এবার অর্থাৎ ২০১৭ সালে। কলকাতার পরিবর্তনগুলো দৃশ্যমান। ১৯৯৯ সালে কলকাতা যাই সড়কপথে। ঢাকা থেকে সড়কপথে বেনাপোল। তারপর স্থল বন্দর পেরিয়ে হলুদ ট্যাক্সি নিয়ে বনগাঁ। এরপর বিদ্যুৎচালিত ট্রেনে শিয়ালদহ। বেনাপোল পার হতেই এক প্রবল উৎসাহ নিয়ে দেখছিলাম বনগাঁর পথটাকে। বিশাল দেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে গগণশিরিশ। একেকটি গাছ যেন ইতিহাসের অংশ। মাইলের পর মাইল শতবর্ষ পুরনো এই গাছগুলো সাক্ষী দিচ্ছে তিন কালের। বৃটিশ আমলের অবিভক্ত ভারত, পাকিস্তান আর স্বাধীন বাংলাদেশ পরবর্তী চলমান সময়কে। যেতে যেতে মনে পড়ছে, একাত্তর সালের কথা। এই রাস্তা দিয়ে কত শরণার্থী জীবন বাঁচাতে পাড়ি দিয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। মনে পড়ছিল সেই বিখ্যাত গান যার কথা লিখেছিলেন মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ। সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড। অ্যালেন গিন্সবার্গ স্বাধীনতা যুদ্ধের একেবারে শেষদিকে কলকাতায় এসেছিলেন। তিনি উঠেছিলেন প্রয়াত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতে। বাংলাদেশ থেকে অনেক শরণার্থী পশ্চিমবঙ্গ ও সীমান্তবর্তী অন্যান্য শহরে আশ্রয় নিয়েছিল। গিন্সবার্গ মুক্তিকামী মানুষের কষ্ট দেখতে এসেছিলেন যশোর রোডে। অতি বৃষ্টিতে তখন যশোর রোড ডুবেছিল পানিতে। গিন্সবার্গ নৌকো করে  বাংলাদেশের সীমান্তে পৌঁছেন। সঙ্গে ছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ও। প্রায় দশ লাখ মানুষ তখন আশ্রয় নিয়েছিল যশোর রোডের আশপাশে। যশোর সীমান্ত ও এর আশপাশের শিবিরগুলোতে বসবাসকারী শরণার্থীদের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে গিন্সবার্গ লিখেছিলেন বিখ্যাত সেই কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’। আর কবিতার সঙ্গে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন বন্ধু বব ডিলান। পরে মুক্তিকামী মানুষের আর্থিক সহায়তার জন্য রবি শঙ্কর, জর্জ হ্যারিসনসহ অনেক শিল্পী মিলে আমেরিকায় আয়োজন করেছিলেন কনসার্টের। যখন এই লেখাটি লিখছি তখন এদের কেউই বেঁচে নেই। কিন্তু সেই স্মৃতি বয়ে চলেছে ইতিহাস। যার সাক্ষী হয়ে আছে যশোর রোড। এমন ভাবনায় যখন ব্যাকুল ঠিক তখন একদল হাতের ইশারায় ট্র্যাক্সি থামলো। পুজোর চাঁদা। সামনেই কালী পুজো। যতদূর মনে পড়ে অন্তত পাঁচ-ছয় জায়গায় এই উপদ্রব সইতে হয়েছিল আমাদের। পরে জেনেছি পুজো সামনে রেখে এটাই হচ্ছে এদের কাজ। বিশেষত বাংলাদেশ থেকে নতুন যারাই আসেন তাদের এই হয়রানি সইতে হবেই। না হলে গাড়ি আটকে রাখে। বনগাঁ পর্যন্ত যেতে এই আতঙ্ক এর পরে সবরকম স্মৃতিকাতরতাকে বিদায় করে দিয়েছে। ছোট্ট স্টেশন বনগাঁ পৌঁছে খানিকটা অবাকই হলাম। আমর ভাবনায় ছিল ভারতে প্রবেশ করেছি সবকিছুই কেমন একটা বিশালাকার হবে। তাতো নয়ই বরং এ যেন আমাদের এখানকার কোনো একটি ছোট স্টেশনের মতো। পরে জেনেছি, উত্তর চব্বিশ পরগণার এই স্টেশনটি একটি জংশন। দিনে অন্তত ৪০ জোড়া ট্রেন এই স্টেশন দিয়ে চলাচল করে। ১৯৯৯ সালে ভাড়া ছিল চার রুপি। তা ২০১৭-তে এসে দাঁড়িয়েছে বিশ রুপিতে। আমরা যখন স্টেশনে পৌঁছি তখন কোনো ট্রেন ছিল না। টিকিট কাটতেই অল্পক্ষণের মধ্যে একটি ট্রেন এলে মুহুর্তেই পরিস্থিতির বদল ঘটে। যাত্রীদের ভিড় আর ঠাসাঠাসি লেগে যায়। আর যাওয়ার পথে পুরো পথটুকুই নারী-পুরুষ ভেদাভেদ বলে কোনো বিষয় চোখে পড়েনি। চিত্র বদলাতে থাকে, যখন ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে পৌঁছে যায় শিয়ালদহে। বিশাল এই স্টেশনটিতে নামার পর দেখলাম অন্য দৃশ্য। দলে দলে লোক কেবলই নামছে। আবার দলে দলে লোক কলকাতা ছাড়ার জন্য ছুটছে। ভিড়ে যেন না হারিয়ে যাই ভ্রমণসঙ্গীরা এ নিয়ে সতর্ক করেছিলেন বারবার। প্রথম কলকাতা ভ্রমণে সফরসঙ্গী ছিলেন ছড়াকার আসলাম সানী ও আমীরুল ইসলাম। শিয়ালদহ স্টেশনের কথা লোকমুখে শুনেছি। ইস্টিশনের সামনে দাঁড়িয়ে দেখে নিলাম একপলকের কলকাতাকে। ফের হলুদ ট্যাক্সি। এবার গন্তব্য নিউ মার্কেট। ঢাকায় নিউ মার্কেট, এখানেও নিউ মার্কেট। ঘটনা কি? জানতে পারলাম, এটা নাকি বৃটিশদের তৈরি করা। সব শহরেই তারা একটি করে নিউ মার্কেট বানাতো। আধা ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাই নিউ মার্কেটের সামনে লিন্ডসে স্ট্রিটে। এই গলিপথের ইন্ডিয়ান গেস্ট হাউজ আমাদের পরবর্তী ছয় দিনের আবাস। মরচে ধরা হলুদ রঙের ছোট গেস্ট হাউজ। তখন জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী। বামশাসনের দীর্ঘ ছায়া সবকিছুতেই। নীতি আর নৈতিকতায় আবদ্ধ এক অন্যরকম সমাজ। বাংলাদেশে তখন চলছে শিশু গণতন্ত্র। অন্যদিকে কলকাতা বাম শাসনের ঘেরাটোপে আচ্ছাদিত। সে সময় সকল পণ্যের মূল্য অনেকটাই কম। হোটেলগুলোর ভাড়া ছিল পাঁচশ রুপির মধ্যে। বেশির ভাগই থাকতেন একশ থেকে দুশ রুপির মধ্যে। দিনে পঞ্চাশ রুপিতে খাওয়া-দাওয়া চলে যেত। বর্তমানের কলকাতা পুরোদস্তুর খোলাবাজারে গা ভিজিয়েছে। একেক স্থানে একেক রকম দাম। থাকা-খাওয়ার খরচ এখন বেড়েছে বহু গুণ। নিউ মার্কেট এলাকায় শুধু সাধারণ মানের কোন হোটেলে থাকা আর খাওয়া বাবদ দশ দিনের জন্য গড়ে দেড় হাজার রুপি হিসাবে তিরিশি হাজার রুপি খরচ পড়বে। আর কেনাকাটায় একেক বাজারে একেক রকম। একই পোশাক বা গহনার দাম যেমন খুশি তেমন হাঁকছে। একটা সময় ছিল কলকাতায় ফুটপাতের নানা মুখরোচক খাবার যেমন পানিপুড়ি, আলু চাট, দোসা, ইডলি, চাউমিন, এগ রোল, লেম্বু পানি, জিরা পানি, কুলফি নানান ধরনের ফলের রস এগুলোর বেশিরভাগই পাঁচ থেকে দশ রুপিতে খাওয়া সম্ভব ছিল। বর্তমানে এগুলোর দাম দ্বিগুণ, তিন গুণ অনেক ক্ষেত্রে আরও অনেকগুণ বেশি। যে এগ রোল বিশ রুপিতে খেতাম তার দাম এখন চল্লিশ রুপিতে ঠেকেছে। জীবনযাত্রার ব্যয়ে চলছে অবাধ পুঁজিকরণ। খোলাবাজারের অর্থনীতি বলে কি না এর নিয়ন্ত্রণ চোখে পড়েনি। ১৯৯৯ সালের পর দুই দফাতেই কলকাতা যাই পুষ্পিতাসহ। ২০১৭-তে আগস্টে আমার সঙ্গী হয়েছে পুত্র শ্রয়ণ ঋদ্ধিমান। এই দুবারই যাত্রা পথের লম্বা সময় বাঁচাতে বিমানে চড়েছি। কিন্তু ২০১৩ সালে নিউ মার্কেট এলাকায় একটি হোটেলে উঠি তাতেও ননএসি একটি রুমের ভাড়া পড়েছিল ১২০০ রুপি। আর খাওয়া-দাওয়ার হিসাব না-ই বললাম। শেষ ভ্রমণে খোঁজ নিয়ে দেখেছি ভালোমানের কোনো থাকার হোটেল মানেই দুই থেকে আড়াই হাজার রুপি দৈনিক গুনতে হচ্ছে পর্যটকদের। যা হোক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার নামই সভ্যতা। সুতরাং আমরাও তাই। তবে কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার সবকিছুর এই বাড়তি মূল্যের পেছনে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া পর্যটকদের ব্যাপকতা অনেকাংশে দায়ী- এমনটাই অনেকের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পেরেছি। একটা কথা বলা হয়নি। এই এলাকার সদর স্ট্রিটের একটি বাড়িতে বসেই রবীন্দ্রনাথ নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ লিখেছিলেন। এখন সেই বাড়িটি স্থানীয় এক শাসক দলের নেতার গেস্টহাউজ। তবে এখনও ভালো করে দেখলে একটি স্মারক দেয়া এই তথ্যে চোখ বুলিয়ে নেয়া যায়।
জ্যোতি বাবুর আমলেই ভূতল পাতাল রেল হিসেবে বেশি পরিচিত ট্রেনের শুরু। যদিও এর জন্য প্রায় একদশকের হয়রানি আর যন্ত্রণায় দগ্ধ হতে হয়েছে এই শহরের লোকদের। এখন কলকাতা শহরে দৃশ্যমাণ অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। দেখার মতো বেশকিছু ফ্লাইওভার হয়েছে। শহরের রাস্তাঘাট আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন। বিশেষত দক্ষিণ কলকাতা বা সাউথ ক্যালকাটা বলে পরিচিত ঢাকুরিয়া, গড়িয়া হাট, গোলপার্ক এরপর আসি পার্ক সার্কাস, জাকারিয়া স্ট্রিট, রবীন্দ্র সরণি, নিউ মার্কেট এলাকা, জওহরলাল নেহেরু রোড, ভিক্টোরিয়া সরণি, মারক্যুইজ স্ট্রিট, গঙ্গার ধার, ফোর্ট উইলিয়াম, হাওড়া ব্রিজ এলাকা। পুরো শহরে এখন শপিং মলের বিস্তৃতি ঘটেছে। সব শ্রেণির লোকেদের জন্য এখন হয়েছে নানা মানের শপিং সেন্টার। সাউথ সিটি মল, কোয়েস্ট মলের মতো বেশকিছু শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত মার্কেট এখন শহরে আলো ছড়াচ্ছে। খ্যাতনামা এই শপিংমলগুলোতে রয়েছে সিনেপ্লেক্স, ফুডকোর্টসহ নানান বিনোদনের ব্যবস্থাও। আর দুনিয়ার তাবৎ ব্র্যান্ডগুলোর ভিড় এখন কলকাতাতেই। এবারের কলকাতা ভ্রমণে দৃশ্যমাণ পরিবর্তন চোখে পড়েছে রঙের। মমতা দিদির পছন্দের রঙে সেজেছে কলকাতা। রাস্তাঘাট আর ফুটপাতগুলোকে বর্ণিল আলোতে সাজানো হয়েছে। কিছুদূর পরপর নানান মোটিফ দিয়ে বৈচিত্র্য আনা হয়েছে। দমদম বিমানবন্দর থেকে কলকাতার প্রবেশপথের ভিআইপি রোডে চোখে পড়ে লন্ডনের আদলে তৈরি বিগ বেন আর বাইপাসে নির্মাণাধীন সুউচ্চ ওয়াকওয়ে; যা বদলে যাওয়া কলকাতার সাক্ষী দিচ্ছে। বাম শাসনে কখনও এত বেশি পোস্টার বা ফ্লেক্স চোখে পড়তো না কলকাতায়। এখনকার কলকাতা ছেঁয়ে আছে নানান রাজনৈতিক পোস্টার আর স্লোগানে। তবে বেশির ভাগটাই দিদির ছবি সংবলিত তাঁর দলের নানান ধরনের ফ্লেক্স ও ব্যানার। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর থেকেই দিদি রাজ্যের উন্নয়নে হাত লাগানোর পাশাপাশি শহরের সৌন্দর্য্যায়নের ব্যাপারে বেশি মনোযোগী হয়েছেন। কলকাতাকে তিনি লন্ডন বানানোর স্বপ্ন দেখেন। আর সেদিকে লক্ষ্য রেখেই কলকাতার রাস্তায় বসানো হয় ত্রিফলা আলো । অবশ্য এই ত্রিফলা লাগানোর নামে অর্থের যথেচ্ছ অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর এর আর সম্প্রসারণ ঘটেনি। তবে দিদির প্রিয় নীল সাদায় কলকাতা এখন বর্ণময়। রাস্তার ডিভাইডার থেকে উড়াল পুল সর্বত্র নীলের ছোঁয়া। এমনকি সরকারি ভবনও এখন লালের পরিবর্তে সাদা ও নীল রঙের মোড়কে দ্রষ্টব্য হয়ে উঠেছে। কলকাতা শহরের প্রাণকেন্দ্রকে  যানজট মুক্ত করতে দিদি বিনয়-বাদল-দীনেশ বাগ এলাকার ঐতিহ্যশালী রাইটার্স বিল্ডিংস থেকে রাজ্য সচিবালয়কে সরিয়ে গঙ্গার ওপারে হাওড়ায় নিয়ে যাওয়ার মতো সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করেননি। রাইটার্সের পরিবর্তে এখন সকলে অভ্যস্ত নবান্নে। একটা কথা বলতেই হয়, দিদি লেখক হওয়ায় ভবন থেকে শুরু করে সরকারি প্রকল্পের নামকরণ অন্য কারও ওপর ছেড়ে দেন না। ঠিক যেমনভাবে নবান্ন নাম তাঁরই দেয়া। দিদির সৌন্দর্য্যায়ন কর্মসূচি নিয়ে বিরোধীরা নানা সময়ে কটু মন্তব্য করলেও এই আমলেই প্রতিটি রাস্তায় তৈরি হয়েছে ডিভাইডার ও বুলেভার্দ। সেখানে হয়েছে বাগান। আবার ফুটপাথগুলোকে রঙিন টাইলস দিয়ে সাজানো হয়েছে। রাস্তাঘাটও আগের থেকে এখন অনেক পরিষ্কার। ময়লা পড়ে থাকছে না রাস্তায়। বৃষ্টিতে পানি জমার প্রবণতাও অনেক কমেছে। রাস্তায় প্রতিটি স্টপে তৈরি হয়েছে আধুনিক যাত্রী ছাউনি। আর এসব পরিবর্তনের টানে দিদিতে মজে রয়েছেন মধ্যবিত্ত বিলাসী জনতা। উন্নয়নের আলো কতটা ছড়ালো তার বিচার করার দিকে কারো নজর নেই। সকলেই বাইরের চাকচিক্যে মশগুল। আর তাই তো সব নির্বাচনেই দিদির ভোট বাড়ছে তো বাড়ছে। আর দীর্ঘদিনের পোড়খাওয়া সংগ্রামী জনতার বাম পার্টিগুলোর ভোট কমতে কমতে নিচের দিকে ধাবিত। একশ বছরের বেশি সময়ের ঐতিহ্য নিয়ে কংগ্রেস এখন কোনো রকমে শ্বাস নিচ্ছে। এটাই এক বিচিত্র পরিবর্তন।
 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সেনাবাহিনীর কার্যক্রম শুরু, ফিরছে শৃঙ্খলা

কাল থেকে গণশুনানি

সার্ক সম্মেলন নিয়ে এবারও অনিশ্চয়তা

মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগ মন্ত্রণালয়ে অভিযোগের স্তূপ

যেখানে এখনো পৌঁছেনি ত্রাণ

স্বস্তিতে বিএনপি আওয়ামী লীগ টেনশনে

চলছে পূজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

বজ্রপাতে নিহত ১১

শাহীনুর পাশাকে নিয়ে যে ঝড় বইছে সিলেটে

প্রবাসীর স্ত্রী ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে

সীমিত আকারে প্রবাসীদের ভোটার করার উদ্যোগ

স্পেনে মালিক, দেশে ১১ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

টয়লেট থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রামে কমছে চালের দাম, ফুঁসছেন ব্যবসায়ীরা

৪’শ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক ৩

দিনাজপুরে বজ্রপাতে ৮ জনের মৃত্যু