বার্তা সংস্থা তাস-এর রিপোর্ট

রাশিয়ার মিগ-৩৫ যুদ্ধবিমান কিনতে চায় বাংলাদেশ

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৩ আগস্ট ২০১৭, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ২:৫৫
রাশিয়ার কাছ থেকে নতুন ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মিগ-৩৫ কিনতে চায় বাংলাদেশ। এ বিষয়ে দৃশ্যত আলাপ আলোচনা চলছে। তবে আনুষ্ঠানিক আলাপ আলোচনা হবে আরো পরে। রাশিয়ান এয়ারক্রাফট করপোরেশন মিগ (আরএসকে-মিগ) নতুন মিগ-৩৫ ফালক্রাম-এফ যুদ্ধবিমান বিক্রিতে সফল হবে বলে তারা আশা করছে। তবে বাংলাদেশ কতটি বিমান কিনতে চায় সে বিষয়ে জানা যায় নি। জানা যায় নি, এ বিমানের দাম কেমন হতে পারে। বাংলাদেশ ছাড়াও এই যুদ্ধবিমান কিনতে চায় পেরু, মিয়ানমার সহ আরো অনেকে। রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাস (টিএএসএস) এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এসব দেশের প্রতিনিধিরা আর্মি-২০১৭ মিলিটারি টেকনিক্যাল ফোরামে এই যুদ্ধবিমান কেনাবেচা নিয়ে আলাপ আলোচনার জন্য যোগ দেবেন। এসব কথা বলেছেন, মিগ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়া তারাশেঙ্কো। তিনি বলেছেন, আমরা মিগ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি নিয়ে আলোচনা করার পরিকল্পনা করছি। এক্ষেত্রে আমরা সফল হবো বলে আশা করছি। এ নিয়ে অনেক আলোচনা রয়েছে এজেন্ডায়। এক্ষেত্রে আমাদের স্বাভাবিক কতগুলো অঞ্চল আছে। তার মধ্যে রয়েছে দক্ষি-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমার, বাংলাদেশ। অন্যদিকে রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ পেরু। উল্লেখ্য, মিগ-৩৫ হলো বহুমাত্রিক ভূমিকায় ব্যবহার্য ‘ফোর প্লাস প্লাস’ প্রজন্মের একটি যুদ্ধবিমান। মিগ-২৯কে/কেইউবি এবং মিগ-২৯এম/এম ২ যুদ্ধবিমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে মিগ-৩৫ এর ডিজাইন। এ বছরের ২৬ শে জানুয়ারি পরীক্ষামুলকভাবে এটি উড্ডয়ন করানো হয়। আন্তর্জাতিকভাবে এটা তুলে ধরা হয় ২৭ শে জানুয়ারি। মিগ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলিয়া তারাশেঙ্কো মস্কোর বাইরে আর্মি-২০১৭ ট্রেডশোতে যোগ দিয়েছিলেন। সেখান থেকে বার্তা সংস্থা তাস-এর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। জানানো হয়েছে, মিগ-৩৫ এ রয়েছে সক্রিয় ইলেক্ট্রনিক রাডার ব্যবস্থা। রাশিয়ায় এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত এমন একটি সূত্র বলেছেন, এ যুদ্ধবিমানটি হলো মিগ-২৯ কেআর-এর আধুনিক রূপ। অন্য সূত্রগুলো বলেছেন, পুরো মিগ-৩৫ প্রকল্পের একটিই লক্ষ্য রয়েছে। তাহলো আরএসকে-মিগ’কে ব্যবসায় ধরে রাখা। এক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত বিষয়টি দ্বিতীয় পর্যায়ের একটি ফ্যাক্টর হতে পারে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এতে একটি এইএসএ রাডার বসানোর কথা বলেছিল, কিন্তু মিগ-৩৫ প্রকল্প চেয়েছে যতটা সম্ভব এটাকে সহজলভ্য করতে। দাম কম রাখতে। এইএসএ রাডার বসানো থাকলে এ যুদ্ধবিমানের দাম অনেক বেশি পড়তো। তাই দামের কথা বিবেচনা করে বিদেশী ক্রেতারা এইএসএ বিহীন যুদ্ধবিমান কেনার দিকেই আগ্রহী বেশি।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

equus

২০১৭-০৮-২৩ ০৩:২৯:২১

Kar janno?

আপনার মতামত দিন