আমাদেরও ধৈর্য ধরতে হবে: কাদের

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ২১ আগস্ট ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩১
ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়সহ অন্যান্য বিষয়ে সবাইকে ধৈর্য ধারণ করে মাথা ঠাণ্ডা রেখে কথা বলা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ‘আমরা বিচার বিভাগ ধৈর্য ধরছি, যথেষ্ট ধৈর্য ধরছি’- এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণ বিধিমালার গেজেট প্রকাশের শুনানিতে গতকাল এক আইনজীবীর আবেদনের সময় এ কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। ঈদ প্রস্তুতি ও বন্যায় রাস্তার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে সচিবালয়ে আয়োজিত সভা শেষে পাকিস্তানের উদাহরণ টেনে প্রধান বিচারপতির বক্তব্য নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। সরকার এক ধরনের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে, আপনি তার বাসায় গিয়েছিলেন। বিরোধীপক্ষ থেকে বলা হচ্ছে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করছেন।
বলা হচ্ছে, সরকার হারতে চায় না। কোথায় জিততে চায়? এই চাপ কীভাবে মোকাবিলা করবেন’- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে তিনি (প্রধান বিচারপতি) কী বক্তব্য দিয়েছেন ঠিক আমি জানি না। কোনো কিছু না জেনে অন্ধকারে কি ঢিল ছুড়ব? আমার তো মনে হয় সেটা ঠিক হবে না। আমি বক্তব্যটা আগে জেনে নিই, তিনি কী বলেছেন। অনেক সময় অনেকগুলো অবজারভেশন থাকে। এ নিয়ে নানাজন নানা কথা বলেন। কিন্তু এর মধ্যে বাস্তবটা কী? এখন হুট করেই আমাদের কোনো মন্তব্য করা ঠিক নয়। মাথা ঠাণ্ডা করে, মাথা ঠাণ্ডা রেখে কথা বলা উচিত, কাজ করা উচিত। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে দেশে একটা বন্যা পরিস্থিতিও অতীতের রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে। তো এই অবস্থায় আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে। যারা যে বিষয়ে মন্তব্য করেন তাদের একটু ‘কুলটা’ বজায় রাখা দরকার। ঠাণ্ডা মাথায় কমেন্ট করা উচিত। এখানে তো চাপের কোনো বিষয় নাই। আমি রুলিং পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি। আমরা রায় নিয়ে তো কোনো কথা বলিনি। আমরা বলেছি রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রেসিডেন্ট দেশের অভিভাবক, প্রেসিডেন্টের কাছে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে। এমনকি মাননীয় চিফ জাস্টিসের সঙ্গে বিভিন্ন সময় বসি, শুধু এদিন না। মাঝে মধ্যই আমি বসি। কারণ ঢাকা-সিলেট রাস্তা নিয়ে, মনু নদীর ওপর ব্রিজ, এটা মৌলভীবাজারে। এসব নিয়েও আলাপ-আলোচনা তার সঙ্গে আমার হয়। সেদিনও কিন্তু জিজ্ঞেস করেছেন ঢাকা-সিলেট রোডের সর্বশেষ অবস্থা কী, কখন কাজ শুরু হবে? এসব অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, হতে পারে। এর আগে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে যখন সড়ক ভবনই আমরা হারিয়ে ফেললাম তখন তার সঙ্গে কিন্তু বারবার বৈঠক হয়েছে, কথা হয়েছে। প্রধান বিচারপতিকে আমরা চাপ দিতে যাব? তিনি কী বলেছেন তাকে চাপ দিতে গেছি! প্রেসিডেন্ট কি চাপ দেয়ার লোক, প্রেসিডেন্ট কি কারো চাপে বিভ্রান্ত হবেন? জাতীয় সংসদই তাকে প্রেসিডেন্ট করেছেন। প্রেসিডেন্ট প্রধান বিচাপতি নিয়োগ করেছেন। এটা জনগণের মাধ্যমে আছে। আমরা জনগণের দল। কাদের বলেন, আমরা প্রধান বিচারপতির সঙ্গে এই রায় নিয়ে কথা বলতে পারব। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে পারব, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কথা বলতে পারব- এতে দোষের কী আমি তো জানি না। ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে অনেক মন্ত্রী বিভিন্ন রকম কথা বলছেন, এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন করেন- আপনি কি সংক্ষুব্ধ? তাহলে থাক।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

hanif

২০১৭-০৮-২০ ১১:৩০:১৩

ভারত যাহা বলিবে আমি তাহা করতে হবে

আপনার মতামত দিন

ধর্ষণের অভিযোগে রবিনহোর ৯ বছরের জেল

বারী সিদ্দিকীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

মিয়ানমার সেনাপ্রধানের সঙ্গে কথা বলবেন পোপ

রাজধানীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

ট্রেন-ট্রাকের সংঘর্ষে সহকারি চালক নিহত

বিপিএল ঘিরে চট্টগ্রামে কঠোর নিরাপত্তা

বারী সিদ্দিকীর দাফন নেত্রকোনার কারলি গ্রামে ‘বাউল বাড়ি’তে

‘এ নিয়ে এখনই বলার সময় আসেনি’

বারী সিদ্দিকী আর নেই

বিএনপিকে ভোট দিয়ে অশান্তি ফিরিয়ে আনবে না জনগণ: প্রধানমন্ত্রী

সময়সীমার ইঙ্গিত নেই

অভিযোগ মিথ্যা এতিমখানার টাকা আত্মসাৎ করিনি

আরো ব্লগার হত্যার হিটলিস্ট

আসিফ নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা, অতঃপর...

‘আমি হতবাক’

ডাক্তাররা বেশ প্রভাবশালী ও তদবিরে পাকা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী