প্রেমপত্রগুলো কাকে পড়তে দেবে মেয়েটি?

বই থেকে নেয়া

| ১৯ আগস্ট ২০১৭, শনিবার
কোচবিহার নামে একটি জায়গার নাম কেউ কেউ নিশ্চয়ই শুনেছেন! সেই যে পল্লিগীতির সম্রাট আব্বাসউদ্দীনের দেশ কোচবিহার! যে অমর শিল্পীর গান এখনো গ্রাম-বাংলার মানুষকে উদ্বেল করে তোলে, যে গান এক সময় কলের গানে বাজত, এখন ঘরে ঘরে বাজে সিডিতে। সেই যে ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দেরে’, ও কি গাড়িয়াল ভাই’, ‘ও কি ও বন্ধু কাজল ভ্রমরারে’, ‘তোরসা নদীর উথাল-পাথাল, কার চা চলে নাও’Ñএরকম আরও কত-শত গান। ভাওয়াইয়া, চটকা, ক্ষীরোলের দেশ কোচবিহার।
কেন বলছি এই কোচবিহারের কথা, জানেন? এই ছোট্ট শহরটিতেই কোনো এক আষাঢ় মাসের ঘন বরিষণে জন্মেছিল একটি শ্যামলা মেয়ে। বৃষ্টির ঝমঝম শব্দে সেই শিশুর কান্না হয়তো জোরে শোনা যায়নি। কিন্তু তখন কি কেউ জানত, এই মেয়েটির কান্নার আওয়াজ সুরের মতো বেজে উঠবে বাংলার ঘরে ঘরে? কি কণ্ঠে সুর নিয়েই জন্মেছিল? তার কান্না কান্নার মতো হবে কেন? গানের সুরের মতো হবে। শিশুটি বড় হয়ে তার মায়ের মুখে এই কথাই শুনেছে। মেয়েটি নাকি সুর করে কাঁদত। গুনগুন করে ‘আঁখিপাতা ঘুমে গড়ায়ে আসে’ গানটি গাইতে গাইতে ঘুমিয়ে পড়ত। খুব নাকি লক্ষ্মী আর শান্ত ছিল মেয়েটি। তাই সবার আদরও পেয়েছে প্রচুর।
মেয়েটির দুটি বড় ভাই ছিল (আরো একটি ভাই ছিল। মেয়েটির জন্মের আগেই সে না-ফেরার দেশে চলে গেছে)। সে তার শ্যামলা মায়ের কাছে শুনেছে যে তার ভাইদের রং রাজপুত্রের মতো টকটকে ফরসা ছিল। কারণ তার দাদাজি, দাদি, ফুফু, চাচারা, বাবাÑসবাই ছিলেন ফরসা। কিন্তু সবার মনে এই প্রশ্ন, মেয়েটি কেন কালো হলো? মাকে এই প্রশ্ন করতে কেউ পিছপা হয়নি। তবে মায়ের মনে কোনো খেদ ছিল না। তিনটা ছেলের পরে একটি মেয়ে। তাকে আদরে-সোহাগে সবাই ভরিয়ে রেখেছে।
কিন্তু মেয়েটির বাবা? তিনি কি কালো মেয়ে বলে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন? উহু, একদম উল্টো। কালো-ফরসা এসব কোনো ব্যাপারই ছিল না তাঁর কাছে। মেয়ে বড় হবে, তাঁর মতো গান গাইবে, মানুষকে তাক লাগিয়ে দেবেÑএতেই তিনি খুশি। মেয়েটির দাদা কালো মানুষ মোটেই পছন্দ করতেন না। মেয়েটির প্রতি তাঁর বাবার এত আহ্লাদ দেখে একদিন বলেই ফেললেন যে এই কালো মেয়েটাকে তার বাবা সব সম্পত্তি লিখে দেবেন। ব্যাপারটা কী নিদারণ সত্যি, তা কি তখন কেউ জানত? দাদাজিও জানতেন না। তিনি ফরসা নাতি-নাতনিদের প্রতিই দুর্বলতা দেখিয়ে গেলেন। কালো মেয়েটির এ নিয়ে কোনো দুঃখ ছিল না। কারণ, আর সবাই তাকে উজাড় করে ভালোবাসা দিয়েছে।
মেয়েটির যখন তিন-চার বছর বয়স, তখন পরিবারের সঙ্গে তার প্রিয় কোচবিহার ছেড়ে সে চলে গেল কলকাতায় বাবার কর্মস্থল। বাবা বিরাট শিল্পী। অনেক নামডাক। প্রচুর ব্যস্ততা। কিন্তু তার মধ্যেও সন্তানদের সময় ঠিকই দিতেন। পড়াশোনা ও গান-বাজনা-সবদিকে ছিল তাঁর প্রখর দৃষ্টি। কলকাতার বেনিয়াপুকুর লেনের সেই বাড়িটায় আসতেন নামকরা সব শিল্পী। সোহরাব হোসেন, বেদারউদ্দীন, আবদুল হালিম চৌধুরী, ওস্তাদ ইউসুফ খান কোরাইশি, ওস্তাদ কাদের জামিরি...আরো অনেকে। তাঁরা বাসায় এলেই মেয়েটিকে নিয়ে গান শেখাতে বসতেন। সেই ছোটবেলা থেকেই বড় বড় শিল্পীর কাছে তালিম নিতে থাকল সে। আর তার বাবা তো আছেনই।
একসময় কলকাতা ছেড়ে চলে আসতে হলো ঢাকায়, দেশ ভাগের পরে। ১৯৪৭ সালে নারিন্দার এক বাড়িতে ছিল তারা। ঢাকা মেয়েটির একদম পছন্দ ছিল না। মাকে নিয়ে রিকশায় উঠলে চারদিক শাড়ি দিয়ে ঢেকে দিতে হতো। ঘোড়ার গাড়িতে উঠলে খড়খড়ি দেয়া সব জানালা বন্ধ রাখতে হতো, যাতে বাইরে থেকে কেউ দেখতে না পায়। শুধু একটা জিনিস মেয়েটির ভালো লাগত। বিরাট বিরাট ইলিশ মাছ কেটে ধুয়ে তুললে পানির ওপর মাছের তেলের ভারী সর পড়ত। মা সেই তেল হাত দিয়ে তুলে নিতেন। এই মাছ মেয়েটির ভীষণ ভালো লাগত। আর মজা পেত বাকরখানি খেতে। কলকাতা বা কোচবিহারে এটি ছিল না।
ঢাকায় বাবা মেয়েটিকে ভর্তি করালেন সেই সময়কার ইংরেজি মাধ্যমের সবচেয়ে ভালো স্কুল, সেন্ট জেভিয়ার্স কনভেন্ট স্কুলে। সব ইংরেজিতে পড়তে হতো। পড়াশোনায় মেয়েটি ভালো ছিল বলে ক্লাসে প্রথম বা দ্বিতীয় হয়ে তরতর করে উঁচু ক্লাসে উঠতে লাগল। একসময় ম্যাট্রিক পাস করল মেয়েদের মধ্যে প্রথম আর ছেলেমেয়ে সবার মধ্যে সপ্তম হয়ে। সবাই খুব খুশি। সবচেয়ে বেশি খুশি মেয়েটির বাবা। এমনি করেই ইডেন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করল দ্বাদশ স্থান অধিকার করে।
তারপর সে গেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে। সেখানে সমাজবিজ্ঞান নিয়ে অনার্স পাস করে মাস্টার্সও করে ফেলল। তারপর একটি বৃত্তি নিয়ে লন্ডনে সংগীতের ওপর কোর্স করে ফেলল।
এতসবের মধ্যেও মেয়েটির গান কিন্তু থেমে থাকেনি। বাবা-মায়ের উৎসাহে নিয়মিত সংগীতশিক্ষা চলল বড় বড় ওস্তাদের কাছে। মেয়েটিও নিরলসভাবে বাবার কথামতো মন নিয়ে সাধনা করে চলল। বিভিন্ন সংগীত প্রতিযোগিতার সব বিষয়ে প্রথম পুরস্কারগুলোর বাগিয়ে আনত সে। শুধু ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, জামালপুর, চট্টগ্রামে বাবা তাকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন। শুধু কি গানে? আবৃত্তির গুরু ছিলেন তার বড় ভাই। তিনি যতœ করে মেয়েটিকে আবৃত্তিতে পাকা করে দিলেন।
সেই ছয়-সাত বছর বয়স থেকেই শ্যামলা মেয়েটি ঢাকা বেতারে বাবার হাত ধরে গান করতে যেত। ছোটদের ‘খেলাঘর’ অনুষ্ঠানে নিয়মিত গান গাইত। তারপর একটু বড় হতেই বড়দের অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার সুযোগ পেল। সেই নাজিমউদ্দিন রোডের রেডিও অফিস থেকে গাইতে গাইতে এল শাহবাগের নতুন স্টুডিতে। অল্প দিনেই সে প্রথম শ্রেণির শিল্পীর সম্মানী পেল। আবদুল আহাদ, সমর দাস, খন্দকার নুরুল আলম, জালাল আহমেদ, সত্য সাহা, কাদের জামিরি, আবিদ হোসেন খানÑএসব নামকরা সংগীত পরিচালকের গান গেয়ে খুবই জনপ্রিয় একজন শিল্পীতে পরিণত হলো। পড়াশোনা বা গান-বাজনা, কোনোটাতেই ক্লান্তি ছিল না তার।
তারপর এই দেশে এল ছায়াছবি। মেয়েটির ডাক পড়ল। বাবা মহা-উৎসাহ নিয়ে মেয়েকে দিয়ে গাওয়ালেন। প্রথম আসিয়া ছবিতে। তারপর একের পর এক, বহু ছবিতে কণ্ঠ দিল সে। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত সে ব্যস্ত থাকত গান নিয়ে। তারপর সারা দেশে তো তাকে দৌড়াতে হতো গান গাইতে। বিদেশেও, বিভিন্ন দেশের আমন্ত্রণে। মেয়েটি তার জীবন গান দিয়েই ভরিয়ে রাখল।
এর মধ্যে ১৯৬৪ সালে এ দেশে টেলিভিশন এল। দেশের মানুষেরা দেখল একটা ছোট্ট বাক্সের মধ্যে নানা ধরনের অনুষ্ঠান। এই টিভির প্রথম শিল্পী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করল মেয়েটি। জানি না, এমন কী গান গাইত, যার জন্য সেখানে ওরই ডাক পড়ত সবার আগে।
অল্প বয়স থেকেই বহু পুরস্কারে ভূষিত হলো মেয়েটি। এখনো সে গেয়েই চলেছে। এসব পুরস্কার মেয়েটিকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে পারেনি। সে নিজেকে সব সময়ই খুব বিনয় দিয়ে ভরিয়ে রাখত। কখনোই মনে করেনি, সে একজন তারকা। সে নিজেকে সাধিকাই করে রেখেছে।
মেয়েটি অসম্ভব কষ্ট পেল, যখন সে তার বাবাকে হারাল। কেমন যেন দিশেহারা হয়ে গেল। কারণ, বাবাই ছিল তার সবচেয়ে বড় বন্ধু। বাবার সঙ্গে যে সখ্য ছিল মেয়েটির, এমনটি আর কারও সঙ্গেই ছিল না। এমন কোনো কথা নেই, যা সে বাবাকে বলতে দ্বিধা করত। বাবাই ছিল তার প্রেরণার উৎস, তার সবচেয়ে বড় সমালোচক। ভালো-মন্দ এত সুন্দর করে তিনি বুঝিয়ে দিতেন যে আর কাউকে তার দরকার ছিল না। তাঁকে হারিয়ে পুরো একা হয়ে সে প্রায় অসুস্থই ছিল। ভাবত, এখন থেকে তার সমস্যা নিয়ে সে কার কাছে যাবে? কে তাকে আদর করে বুঝিয়ে দেবে কোনটা ঠিক, কোনটা নয়? দুষ্টু ছেলেগুলোর কাছ থেকে পাওয়া প্রেমপত্রগুলো কাকে সে পড়তে দেবে? এসব চিঠি এনে বাবার হাতে না দেয়া পর্যন্ত শান্তি ছিল না তার। অনেক সময় বাবাও তাকে ডেকে মজার মজার চিঠি পড়ে শোনাতেন।
আর হ্যাঁ, মেয়েটির বিয়ে নিয়ে তার বাবার কোনো চিন্তাই ছিল না। বলতেন, ‘মেয়েরা বিয়ে করে, মা হয়Ñএসব তো স্বাভাবিক ব্যাপার। পৃথিবীতে তোমাকে এমন কিছু করতে হবে, যাতে মৃত্যুর পরেও তোমাকে লোকে মনে রাখে।’ বাবাই তার সেই বন্ধু, যিনি মজা করে বলতেন, ‘মাগো, আজ একজন ভদ্রলোক এসেছিলেন তোমার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। ছেলে সিএসপি অফিসার, খুব ভালো।’ হেসে গড়িয়ে পড়ে বাবা বলতেন, ‘আমি বারণ করে দিয়েছি। বলেছি সিএসপিদের বদলির চাকরি। আমার মেয়ে নানা জায়গায় বদলি হলে গান হবে না। কী বলো মা, ভালো করিনি?’
মেয়েটিও হেসে উঠত আনন্দে। এমন সম্পর্ক ছিল বাবা আর মেয়ের। বাবার মৃত্যুর পর মেয়েটি মনমরা হয়ে ঘুরে বেড়ায়। পড়তে ভালো লাগে না, গান করতেও না। মেয়েটি ক্রমেই মায়ের সঙ্গে ভিড়ে গেল। বন্ধুত্বও হয়ে গেল মায়ের সঙ্গে। মা-ও একা হয়েছিলেন স্বামীকে হারিয়ে। তিনিও মেয়েকে আঁকড়ে ধরলেন। নিয়ে যেতে লাগলেন রেকর্ডিংয়ে রেডিওতে দেশ-বিদেশের অনুষ্ঠানে। এভাবে আস্তে আস্তে সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরল। মা প্রাণ দিয়ে মেয়েকে উৎসাহ জুগিয়ে চললেন। সংগীত-সফরের সিঁড়ি মেয়েটি তরতর করে বেয়ে উঠল।
এত কিছুর পরও মেয়েটিকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতেই হলো। এটাই নিয়ম। মেয়ে হয়ে যখন জন্মেছে, আগে হোক বা পরে, বিয়ে তো করতেই হবে। ভাবছেন, তবে কি মেয়েটা নিজেই পছন্দ করে প্রেম করে বিয়ে করল? কোথায় কেমন করে পরিচয় হলো? না, মেয়েটি তার বরকে মোটেও চিনত না। বিয়ে যখন করতেই হবে, মা আর আত্মীয়রা যাকে বলেছেন, তাকেই বিয়ে করেছে। লক্ষ্মী মেয়ের মতো সংসারও করেছে। দুটি পুত্রসন্তান তার। দু’জনই মায়ের গানের ব্যাপারে প্রচ- উৎসাহী। তারা নিজেরাও গাইতে শিখল। কিন্তু পড়াশোনা আর চাকরি-বাকরির চাপে ছেলেদের আর তেমন করে গান করা হয়নি। এখন সেই মেয়েটি দুটো ফুলের মতো নাতনি আর দুষ্টু দুটো নাতির ভীষণ প্রিয় দিদু। তারা বিদেশে থাকে বলে স্কাইপেই বেশি দেখা আর কথা হয়।
হ্যাঁ, মেয়েটি এখন অনেক সুখী। না চাইতেই এত পাওয়ার জন্য সব সময় আল্লাহর কাছে শোকর করতে ভোলে না। এত সুখের মধ্যেও যখন সে একা থাকে, মন চলে যায় কোচবিহারের ছবির মতো সুন্দর শহরটিতে, যেখানে তার শৈশব কেটেছে, যেখানে তার নাড়ির টান। ঝাপসা চোখে সে এখনো দেখতে পায় তাদের বারান্দা থেকে হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়া। সেই পাহাড় তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকে। কোচবিহারের বিরাট সাগরদিঘির টলটলে পানিতে সে দেখতে পায় তার ছোট্ট মুখটা। সেই চৌকোনা দিঘির টলটলে পানিতে সে দেখতে পায় তার ছোট্ট মুখটা। সেই চৌকোনা দিঘির চারপাশে লাল ইটের গাঁথা অনেক পুরোনো কালের ভবনগুলো। সেসব একসময় ছিল সরকারি অফিস।
সাগরদিঘির একদিকে একটা বিরাট হলঘর। তার নাম ছিল ল্যান্ডস ডাউন হল। সেই হলে ছোট মেয়েটি কোচবিহারের মহারাজার সামনে ছোট ছোট হাত দুলিয়ে নেচে নেচে গেয়েছিল, ‘আমি পাহাড়ি ঝরনা, রুমঝুম ঝুম নূপুর বাজাই’। এখনো মেয়েটির মনে পড়ে, মহারাজা খুশি হয়ে তাকে আদর করে দিয়েছিলেন। মনে পড়ে তার স্কুলে যাওয়ার কথা। পথে পড়ত একটা পানিয়াল ফলের গাছ, নিচে পড়ে থাকত ফল। ফল খাওয়ার সময় ছড়া কাটত সে, ‘আম পাকে জাম পাকে, হাতেতে পানিয়াল পাকে’। সে ফল হাত দিয়ে টিপে টিপেই পাকাতে হতো। তাতেই টকফল হয়ে যেত মিষ্টি। মেয়েটি জীবনের এই প্রান্তে এসে উপলব্ধি করে, জীবনটাও পানিয়াল ফলের মতো। এমনিতে অনেক কঠিন ও কষ্টের। কিন্তু নিজের হাতেই রয়ে গেছে সেই জীবনটাকে সুন্দর ও আনন্দময় করে তোলার চাবিকাঠি।
পাঠক বন্ধুরা, গল্পটা শেষ পর্যন্ত পড়েছেন তো? তাতেই আমি খুশি। ভালো না লাগলেও আমার দুঃখ নেই। কারণ, আপনাদের তো পড়াই হয়ে গেছে।
  •  ফেরদৌসী রহমান: কণ্ঠশিল্পী। জন্ম ২৮ জুন, ১৯৪১, কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ। ভাওয়াইয়াসহ বিভিন্ন লোক ও আধুনিক গানের শিল্পী। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও একুশে পদকে সম্মানিত।
* সূত্র মতিউর রহমান সম্পাদিত ‘সফলদের স্বপ্নগাথা: বাংলাদেশের নায়কেরা’
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Aslam Khan

২০১৭-০৮-২০ ০৫:০৬:২২

great! best wishes for her.

আপনার মতামত দিন