রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য মধ্যস্থতা করবে না ইসি

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার | ১৮ আগস্ট ২০১৭, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:৫০
নির্বাচনের আগে পরিবেশ তৈরি করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে পরামর্শ দিয়েছেন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। নির্বাচনকালীন সরকারের ধরন যাই হোক না কেন সকল চাপের ঊর্ধ্বে থেকে ইসিকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। নির্বাচনকালীন সময়ে নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি প্রয়োজনে সেনা মোতায়েনের আহ্বানও রেখেছেন তারা। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিতীয় দিনের সংলাপে নির্বাচন কমিশনের কাছে এ আহ্বান আসে। জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছেন, ইসি কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার জন্য মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে না ইসি। সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে ইসি পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেবে। গতকালের সংলাপে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ২৬ জন প্রতিনিধি ও সিনিয়র সাংবাদিকরা অংশ নেন। নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে সকাল দশটায় শুরু হয়ে সংলাপ শেষ হয় বেলা ১টায়। সংলাপের শেষ পর্যায়ে সিইসি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। সংলাপের শুরুতে রাজনৈতিক কারণে সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে ইসিকে বিরত থাকার আহ্বান জানান একাত্তর টিভির প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী মোতায়েন ইসির এখতিয়ার। তবে যারা রাজনীতির অংশ হিসেবে সেনা মোতায়েন চায় তাদের প্রতি কর্ণপাত করার দরকার নেই। সেনাবাহিনীকে নিয়মিত বাহিনীর ভেতরে আনলে তাদের নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হবে। রাজনৈতিক কারণে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। পেশাজীবীদের আনুপাতিকহারে সংসদীয় আসনে নির্বাচন করার জন্য আইন করার জন্য প্রস্তাব করেন তিনি। এক্ষেত্রে সংসদে ৫০০ আসন করার দাবি জানান। এছাড়া টিভি মালিকদের পক্ষ থেকে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে টেলিভিশনকে দায়িত্ব দেয়ার দাবি জানান তিনি। এ দায়িত্ব পেলে ভোটকেন্দ্রে টিভি ক্যামেরা স্থাপন করে ভোটকেন্দ্রের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত সম্ভব বলে মন্তব্য করেন একাত্তর টিভির প্রধান সম্পাদক। তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে আনা ইসির কাজ না। তারা শুধু জানিয়ে দেবে খেলা হবে। কে আসবে না আসবে তা দেখার বিষয় না। এ সময় সংলাপে অংশ নেয়া একজন সাংবাদিক বলেন, এটা মনে রাখতে হবে খেলায় যেন শুধু একটা দল না থাকে। ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিনিধি আমির খসরু বলেন, নির্বাচন কমিশনের আইনি সক্ষমতার বিষয়টি নিয়ে কথা আছে। নির্বাচন কমিশন কোনো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ না। তারা শুধুই নির্বাচন করবে এটা ঠিক না। নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে তাদের ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারে বিধান না থাকায় নির্বাচন কমিশনকে বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান তিনি। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমান ইসি নিরপেক্ষ। গণমাধ্যমও অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে।
ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী কমকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি জানান চ্যানেল আইয়ের বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ। ফল ঘোষণার ক্ষেত্রে অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে একটি নীতিমালা ইসিকে করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার ঘোষণার আগে কেন্দ্র থেকে ফল ঘোষণা হলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এনটিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক খায়রুল আনোয়ার বলেন, কিছু বিষয়ে বিতর্ক থাকলে একটি অবাধ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিষয়ে সবাই একমত। তফসিল ঘোষণার আগে থেকে ইসিকে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলো হয়তো অনেক বিষয়ে একমত না-ও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইসিকে বিবেক, বুদ্ধি ও প্রজ্ঞা দিয়ে কাজ করতে হবে। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিবেশ নির্বাচনের অনুকূলে নেই বলে মন্তব্য করেন বাংলাভিশনের হেড অব নিউজ মোস্তফা ফিরোজ। তিনি বলেন, ইসিকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপ চালিয়ে যেতে হবে। তারা যদি একমত না হয় তবে সেনাবাহিনী কেন, কোনো বিদেশি ফোর্স নিয়োগ করেও সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব না। ইসির শুধু দাপ্তরিক কাজ করলে হবে না। যদি নির্বাচনের পরিবেশ অনুকূলে না থাকে তাহলে ইসিকে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে একটি রাজনৈতিক সরকার ইসির ঘাড়ের ওপর নিঃশ্বাস ফেলবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচন ছয়ভাগে ভাগ করে এক সপ্তাহ বা পনের দিনে হতে পারে। ডিবিসি নিউজের সিইও মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের ফল খারাপ হলে রাজনৈতিক দলগুলো মেনে নিতে চায় না। পরাজিতদের ভবিষ্যত কি হবে সেটা নির্বাচন কমিশনের দেখা দরকার। ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের নির্বাহী সম্পাদক খালেদ মহিউদ্দীন বলেন, নির্বাচনের আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের বিষয়ে ইসিকে ভূমিকা রাখতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জন করতে হবে। আরটিভির সিইও সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, নির্বাচন কমিশনকে নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। প্রার্থীদের আচরণবিধি না মানার প্রবণতা আছে। সে বিষয়ে ইসিকে শক্ত হতে হবে। প্রবাসীদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রে ক্যামেরা লাগানো হলে ৯৯ শতাংশ সমস্যার সমাধান হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। নির্বাচন কমিশন যেন রাজনৈতিক বিতর্কে না জড়ায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান মাছরাঙা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক রেজোয়ানুল হক রাজা। মোহনা টিভির বার্তা সম্পাদক রহমান মুস্তাফিজ বলেন, নির্বাচনকে পেশিশক্তির প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। অযথা সেনাবাহিনী মোতায়েনের দরকার নেই। রাজনৈতিক দলগুলো কিভাবে মনোনয়ন দিচ্ছে সে বিষয়েও নজর রাখা দরকার। ‘না’ ভোটের বিধান রাখলে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে যোগ্য প্রার্থীর বিষয়টি চাপ হিসেবে নেবে। নিউজ টুয়েন্টিফোরের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হাসনাইন খুরশীদ বলেন, ক্ষমতা সাজিয়ে রাখার জিনিস না। নির্বাচন কমিশনকে তাদের ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ ঘটাতে হবে। এটিএন বাংলার হেড অব নিউজ জ. ই. মামুন বলেন, নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবমুক্ত থাকতে হবে। পৃথিবীর কোথাও নির্বাচন শতভাগ স্বচ্ছ হয় না। নির্বাচন মোটামুটি স্বচ্ছ হতে হবে। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। প্রার্থীরা হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে নজরদারি করতে হবে। কালো টাকার ব্যবহার রোধ করতে হবে। নতুন করে আইন সংশোধন ও সীমানা পুনর্বিন্যাস না করে যেভাবে আছে সেভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ইসিকে পরামর্শ দেন তিনি। সংলাপে আরো অংশ নেন বিটিভির মহাপরিচালক এসএম হারুন-উর-রশীদ, একুশে টিভির হেড অব নিউজ রাশেদ চৌধুরী, সময় টেলিভিশনের বার্তা প্রধান তুষার আবদুল্লাহ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক মুরসালীন নোমানী, চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের ইনপুট এডিটর তালাত মামুন, দেশ টেলিভিশনের হেড অব নিউজ সুকান্ত গুপ্ত অলোক, যমুনা টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক ফাহিম আহমেদ, মাইটিভির বার্তা বিভাগের পরিচালক জেকের উদ্দিন সম্রাট, এসএ টিভির বার্তা সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, রেডিও টুডের বার্তা প্রধান সেলিম বাশার, এশিয়ান টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক বিল্লাল হোসাইন বেলাল, দীপ্ত টিভির বার্তা সম্পাদক মাহমুদুল করিম চঞ্চল।
ইসি রাজনৈতিক সমঝোতার জন্য মধ্যস্থতা করবে না: সিইসি
নির্বাচন ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোকে সমঝোতায় আনতে নির্বাচন কমিশন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে না বলে জানিয়েছন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। গণমাধ্যমের সঙ্গে সংলাপের দ্বিতীয় দিনে সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। সব দলকে নির্বাচনে আনতে ‘মধ্যস্থতার’ ভূমিকা নিতে গণমাধ্যমের সুপারিশের বিষয়ে ইসি কোনো ভূমিকা নেবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে কে এম নূরুল হুদা বলেন, আমার মনে হয় না। আমি নিতে চাই না। এ বিষয়ে আমি একমত না। আমি নির্বাচন করবো। আমরা সবাই ভুলে যাই- আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনেক মেডিয়েটর এসে আমাদের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে সমাঝোতায় আসতে পারেনি। সেখানে আমি কেন চাব সে রিস্ক নেয়ার জন্য, অযথা সময় নষ্ট করার জন্য? এটা আমার কাজ না। ভেরি ফার্মলি- এটা আমার কাজ না। আর কোনো দল বা কারো চাওয়া না চাওয়ায় একাদশ সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে না বলে জানান সিইসি। পরিস্থিতি বিবেচনা করেই একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভোটে সেনাবাহিনী মোতায়েন ইসির সিদ্ধান্তে হবে। কেউ চাবে, না চাবে তার ওপর হবে না। পরিবেশ পরিস্থিতিতে যদি মনে করি, সবাই আসবে। দরকার মনে না করলে সেনাবাহিনী আসবে না। এটা সম্পূর্ণভাবে ইসির ওপর ছেড়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের সংলাপে শুধুই আলোচনা হবে, কারো আসা-না আসার বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে না। আমরা যে ডায়ালগ করবো পলিটিক্যাল পার্টির সঙ্গে, এটা শুধু ডায়ালগ। তাদের কথা শুনবো, আমাদের কথা তারা শুনবে। এ নিয়ে কে আসবে না আসবে তা নিয়ে আমাদের কোনো ইস্যু থাকবে না। চাপের মুখে পড়লে কী করবেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটার সুযোগ নেই। কারো কাছে যদি আমরা আত্মসমর্পণ করি তাহলে এটা আমাদের দুর্বলতা। এটা আমরা করবো না। কারণ, আমাদের কারো কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ইসির ‘সম্পূর্ণ স্বাধীন’ ও ইসির পরিচিত ‘স্বাধীন সত্তা’ বলে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, সেখানে আমাদের কোনো চাপের মুখে পড়ার প্রয়োজন নেই। সে চাপের মুখে পড়বো না। এ যদি আমাদের শপথ থাকে, এটা যদি আমাদের অঙ্গীকার থাকে- তাহলে চাপের মুখে আমরা কখনো কম্প্রমাইজ করবো না, নত স্বীকার করবো না। ইটস্‌ এনাফ, আর কোথাও যেতে হবে না। এবার আর কোথাও যাব না, এটা আমার অঙ্গীকার। এজন্য আপনাদের সাক্ষী রেখেই এ কথাগুলো বলছি।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

karim

২০১৭-০৮-১৮ ০৬:৪০:২২

ভালো ভাবে নির্বাচন করতে না পারলে good by

kazi

২০১৭-০৮-১৭ ২১:৩৮:৩৮

Very good decision. Politician must solve it.

আপনার মতামত দিন

রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের ব্যাপক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন: ইউএনএইচআরসি

উল্টো পথে গাড়ি জরিমানা গুনলেন প্রতিমন্ত্রী ও সচিবরা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিএনপির তিন প্রস্তাব

মালিতে বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী নিহত

নারায়ণগঞ্জে ঘুষ গ্রহণকালে হাতেনাতে গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার

ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ স্বাস্থ্যকর্মীরা

‘প্রধানমন্ত্রীর উপর হামলা চেষ্টার খবর ভিত্তিহীন’

‘প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার চক্রান্তের খবর সম্পূর্ণ ভূয়া’

‘জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার চক্রান্ত’

বান্দরবানের রোহিঙ্গারা কোন মনোযোগই পাচ্ছেন না

টেকনাফে চার লাখ ৯৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক

যুবলীগ নেতাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

ধুমপানে বাধা দেয়ায় দোকানিকে সিগারেটের ছ্যাঁকা

পারমাণবিক যুদ্ধের হিম আতঙ্ক

লেবার নেতা হিসেবে সাদিক খানকে দেখতে চান বৃটিশ ভোটাররা

কর্ণফুলীতে বিএনপির তিন প্রার্থীর নির্বাচন বর্জন