দেশের বিভিন্ন স্থান প্লাবিত

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার | ১২ আগস্ট ২০১৭, শনিবার
প্রবল বর্ষণ ও নদীর পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত হয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থান। দিনাজপুরের নি¤œাঞ্চল, রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার প্রায় ৫০ টি গ্রাম তলিয়ে গেছে। ওদিকে, পানি বেড়েছে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র নদীর। আর, রাঙামাটিতে উজান থেকে নেমে আসা ভারতীয় ঢলের পানিতে কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আক্রান্ত্র এলাকাগুলোতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, দু’দিনের হালকা ও ভারী বর্ষণে জেলার নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে।
ডুবে গেছে রাস্তা-ঘাট, পুকুর, জলাশয় ও ফসলী জমি। এতে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি’র আশংকা করা হচ্ছে।  পূণর্ভরা ও আত্রাই নদীর পানি বিপদসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার বেশ কিছু এলাকায় পানি ঢুকে প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে ওইসব এলাকার মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নদীগুলোর পানি আরো বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা থেকে আমাদের প্রতিনিধি জানিয়েছেন, চার দিনের অবিরাম বর্ষনে সেখানকার ৫০টি গ্রাম তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় আড়াই হাজার পরিবার। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমুর রহমান বলেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১৫হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। গতমাসে প্রথম দফা বন্যায় তেমন ক্ষতি না হলেও কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষনে আমন ক্ষেত পানির নিচে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলার উলিপুরে তিস্তা ও ব্রহ্মপূত্র নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফের বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ৩ দিনের অবিরাম বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে গোটা ইউনিয়ন তলিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিক মন্ডল জানান। বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন জানান, ব্রহ্মপূত্র অববাহিকার ২০ টি গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় ২ হাজার পরিবারের প্রায় ১২ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। হাতিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিএম আবুল হোসেন বিএসসি জানান, চর গুজিমারী, চর দাগারকুটি,বাবুরচর,গাবুরজান,নয়াডারা, শ্যামপুর,তাঁতিপাড়া,হাতিয়া ভবেশ,অনন্তপুর সহ নদ অববাহিকার বেশিরভাগ গ্রাম তলিয়ে গেছে। এসব গ্রামের ১ হাজার পরিবারের প্রায় ৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি।
অপরদিকে, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নদী অববাহিকার দলদলিয়া, থেতরাই,গুনাইগাছ ও বজরা ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়নের অনেগুলো গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় ৫ হাজার  পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।
ওদিকে, রাঙামাটিতে কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌছেছে বলে জানিয়েছে রাঙামাটি প্রতিনিধি। প্রবল বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা ভারতীয় ঢলের পানিতে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে জেলার বেশ কয়েকটি উপজেলার নিন্মাঞ্চল পানির নীচে তলিয়ে গেছে। সেখানেও পানিবন্দি কয়েক হাজার পরিবার।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ছিচকে চোর থেকে মাদক সম্রাট!

সুপারমডেল থেকে মাতৃসেবায়

বোতলে ভরা চিঠি সমুদ্র ফিরিয়ে দিল ২৯ বছর পর!

কার সমালোচনা করলেন বুশ, ওবামা!

১১ ঘন্টা পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটের ফেরি চলাচল শুরু

জুমের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেনা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা

স্বাধীনতা নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে যাচ্ছে কাতালান

অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে ১৮শতাব্দীর বাংলা পুঁথি

হারভে উইন্সটেন যেভাবে হোটেলকক্ষে অভিনেত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন

আজও সারাদিন বৃষ্টি

ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ পলিসির মূল স্তম্ভ হলো বাংলাদেশ

ভর্তি পরীক্ষায় ‘র‌্যাগের’ বিরুদ্ধে রাবি প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

‘এই ধরনের কাজ করতে আমি সবসময়ই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি’

মসজিদে গুলি ছোড়ার পর পাল্টে গেল এক মার্কিনীর জীবন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির মচ্ছব

দৃশ্যপট একই