পাঁচ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে উধাও হায় হায় কোম্পানি

বাংলারজমিন

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি | ১৩ আগস্ট ২০১৭, রবিবার
 বরগুনা আমতলী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাহকদের কাছ থেকে কম সুদে ঋণ দেয়ার কথা বলেন সঞ্চয়ের পাঁচ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেছে নাভানা অ্যাসোমিয়েশন লিমিটেট নামের একটি ভুয়া ঋণদান সংস্থা। জানা গেছে, ঢাকার উত্তরা প্রধান কার্যালয়ের নাভানা অ্যাসোসিয়েশন লিমিটেড নামের একটি ঋণদান সংস্থা কম সুদে ঋণ দেয়ার কথা বলেন এ বছর মে মাসে আমতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রাহক তৈরি করে। এ গ্রাহকদের কাছ থেকে বিভিন্ন মেয়াদে ৫.৫% সুদে ঋণের বিপরীতে ১০% সঞ্চয় নগদ টাকা ও পে-অর্ডার জমা দেয়। নাভানা কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের ঋণের টাকার বিপরীতে ঢাকার কর্মাশিয়াল ব্যাংকের চেক প্রদান করে। গ্রাহকরা ওই ঋণের চেক নিয়ে জুলাই ও আগস্ট মাসে বিভিন্ন তারিখে ঢাকা কর্মাশিয়াল ব্যাংকের টাকা তুলতে যান। কর্মাশিয়াল ব্যাংকে চেক দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই হিসাবে কোনো টাকা নেই বলে জানিয়ে দেয়।
এ প্রতারণার খবর সকল গ্রাহকদের মাঝে ছড়িয়ে পরে। পরে গ্রাহকরা ঢাকার উত্তরা অফিসে গিয়ে অফিসে তালাবদ্ধ দেখতে পায়।
এ প্রতারক চক্র আমতলীর বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঔষধ ব্যবসায়ী আজম মিয়ার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ঋণ দেয়ার কথা বলে পঞ্চাশ হাজার টাকা, শফিকুল ইসলামের কাছ থেকে চল্লিশ হাজার, হারুন মোল্লার কাছ থেকে ষাট হাজার, জিয়াউদ্দিন জিয়ার কাছ থেকে ত্রিশ হাজার, নির্মল চন্দ্রের কাছ থেকে দশ হাজার, সামসুল হক মিয়ার কাছ থেকে বিশ হাজার, নুরুল ইসলাম মোল্লার কাছ থেকে দশ হাজার নগদ টাকা এবং মাসুদ মিয়ার কাছ থেকে আশি হাজার টাকার পে-অর্ডার, ইলিয়াস মিয়ার কাছ থেকে ত্রিশ হাজার, রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে বিশ হাজার ও মেসবাহ উদ্দিনের কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকার পে-অর্ডার নিয়ে গেছে বলে জানাগেছে। এ ঘটনায় ঢাকার উত্তরা থানায় (পশ্চিম) ওই প্রতারকদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। পল্লী চিকিৎসক মো. মাসুদ মিয়া বলেন আট লাখ টাকা ঋণের আসায় আশি হাজার টাকার পে-অর্ডার জমা দিয়েছিলাম। প্রতারক চক্র ওই টাকার বিপরীতে আট লাখ টাকার কর্মাশিয়াল ব্যাংকের চেক দেয়। কিন্তু ব্যাংকে চেক দিলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই হিসেবে কোনো টাকা নেই বলে জানিয়ে দেয়। এ সকল প্রতারককে আইনের আওতায় এনে বিচার করার দাবি জানাই। ব্যবসায়ী আজম মিয়া বলেন পাঁচ লাখ টাকা ঋণ দেয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা নগদ সঞ্চয় নিয়ে পালিয়ে গেছে। এ টাকা এখনো পাইনি। আমতলীর ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মো. শফিকুর রহমান মোল্লা বলেন নাভানা অ্যাসোসিয়েশন লিমিটেট ঋণদান সংস্থার এমডি নজরুল ইসলাম খান, জিএম মাজেদুল ইসলাম, পরিচালক আজিজুল হক ও সিনিয়র অফিসার সালাউদ্দিন ১০ বছর মেয়াদি ৫.৫% সুদে গ্রাহকদের কাছ থেকে ঋণের বিপরীতে ১০% সঞ্চয় জমা নিয়েছে। ওই টাকার ঋণের বিপরীতে কর্মাশিয়াল ব্যাংকের চেক দেয়। কিন্তু কর্মাশিয়াল ব্যাংকে চেক দিলে ওই হিসাবে কোনো টাকা নেই বলে জানিয়ে দেয়। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। নাভানা অ্যাসোসিয়েশনের জিএম মাজেদুল ইসলামের মুঠোফোনে (০১৭০৮৫২৭৪৫৬, ০১৭৭৫৫৬৬৬৩২) বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। নাভানা অ্যাসোসিয়েশন লিমিটেটের এমডি নজরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার জন্য ঢাকা অফিসের ফোন নম্বরে (৮৮০২৪৮৯৫৪৭৩৫) যোগাযোগ করলে ফোনে কল ঢুকলেও কেউ রিসিভি করেনি।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বিজয় দিবসে দেশ গড়ার দৃপ্ত শপথ

বঙ্গবন্ধুর গৃহবন্দি পরিবারকে যেভাবে উদ্ধার করেছিলেন কর্নেল তারা

থ্যাংক ইউ জেনারেল, উই আর অলরেডি বার্নিং, ডোন্ট অফার আস ফায়ার

রাহুল গান্ধীর অভিষেক

চাল-পিয়াজের দামে অসহায় ক্রেতারা

সিলেটে চার বন্ধুর একসঙ্গে বিদায়

রহস্য ভূমিকায় জামায়াত

শোকে মলিন চট্টলা

কিশোরগঞ্জে ২ সাংবাদিক ও বান্দরবানে ৪ পুলিশকে পেটালো ছাত্রলীগ

জৈন্তাপুরে লিয়াকত আলীই এখন শেষকথা

রাজধানীতে আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য র‌্যালি

বড় দু’দলেই একাধিক প্রার্থী

ছায়েদুল হকের জন্য কাঁদছে নাসিরনগর

ব্রাজিল ফুটবলের প্রধান ৯০ দিন নিষিদ্ধ

ঝিকরগাছায় ছাত্রলীগ কর্মী খুন, সড়ক অবরোধ

উৎসবের আমেজে সারাদেশ