চট্টগ্রাম থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ত্রিপুরায় তরল গ্যাস নিতে চায় ভারত

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৮ আগস্ট ২০১৭, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৬:০৫
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস চট্টগ্রাম থেকে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ভারতের ত্রিপুরায় নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ভারত সরকার। এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে তারা। বাংলাদেশ অনুমোদন দিলে সীমান্ত এলাকায় রেল লাইনের পাশ দিয়ে বসানো হবে এই পাইপলাইন। কূটনৈতিক উপায়ে এর মীমাংসা করতে চায় ভারত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি এ জন্য শিগগিরই বাংলাদেশ সফরে আসবেন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই। ভারতীয় এই প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুরে ডিজেল স্থানান্তরের জন্য আমরা পাইপ লাইন স্থাপন করে চলেছি। বিনিময়ে বাংলাদেশকে দেয়া হবে চট্টগ্রাম থেকে ত্রিপুরায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে তরলীকৃত গ্যাস স্থানান্তরের সুবিধা। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরায় রয়েছে রান্নার গ্যাসের তীব্র সঙ্কট। সেই সঙ্কট মোকাবিলার জন্য চট্টগ্রাম থেকে তরল গ্যাস নেয়া হবে ত্রিপুরায়। প্রতিমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, আসামের নুমালিগড়ে অবস্থিত তেল শোধনাগার থেকে সিলিগুড়িতে ডিজেল স্থানান্তরের জন্য রয়েছে পাইপলাইন। সেখান থেকে পার্বতীপুরে ডিজেল স্থানান্তর করা হবে। এ জন্য পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে। ধর্মেন্দ্র প্রধান আরো বলেছেন, আমরা বিষয়টিকে কূটনৈতিকভাবে দেখছি। শিগগিরই এ জন্য আমি বাংলাদেশ সফরে যাবো। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার পাইপলাইনের অনুমোদন দিলেই ভারত-বাংলাদেশের সীমান্তে রেল লাইনের পাশাপাশি বসানো হবে এই পাইপলাইন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে ‘প্রধান মন্ত্রী উজালা যোজনা’ কর্মসূচির অধীনে ধর্মেন্দ্র প্রধান সোমবার ত্রিপুরায় দরীদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন এমন ২০টি পরিবারকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ দেন। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রিপুরায় এখন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ আছে ৯ লাখ ২২ হাজার বাড়িতে। ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, সামনের দিনগুলোতে শতভাগ বাড়িতে তা পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা রয়েছে সরকারের।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

হুদা

২০১৭-০৮-০৮ ০৭:১৬:২২

আগে ঘরে বাতি পরে মসজিদ বাতি,,,,,,,,,

রুহুল

২০১৭-০৮-০৮ ০২:২৬:৩১

what will be the source of this cng?

আপনার মতামত দিন