সৌদি আরব: ভিক্ষুক যখন সুইপার

রকমারি

| ২৪ জুলাই ২০১৭, সোমবার
বিশ্বের বেশ কয়েকজন নামকরা ধনী ব্যক্তিই সৌদি আরবের নাগরিক। এর বাইরে দেশটিতে রয়েছেন অনেক ধনাঢ্য।
আবার সেই দেশেই রাস্তায় দেখা যায় ভিক্ষুক।
আরব নিউজ পত্রিকার খবর অনুযায়ী জেদ্দার স্ট্রীট সুইপার বা সড়ক পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিনে এগার ঘণ্টা কাজ করেন, তাও করতে হয় সপ্তাহে ছয় দিন।
অথচ এক মাসের আয় মাত্র ৪০০ রিয়াল বা ১০৭ ডলার।
আর সে কারণে তাদের অনেকেই নির্ভর করেন বিভিন্ন জনের কাছ থেকে পাওয়া বখশিশের ওপর।
অবশ্য সেটি একেবারেই কম নয়, মাসে সাতশ থেকে আড়াই হাজার রিয়াল পর্যন্ত। এতো কষ্ট করে এতো কম আয় করা ইউনিফর্মধারী পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের পাশেই দেখা মেলে ভিক্ষুকদের ।
বিশেষ করে রিয়াদ ও জেদ্দার সড়কে দেখা মেলে এসব ভিক্ষুকের এবং তাদের আয়ও খুব একটা কম নয়, কারণ দেশটিতে দান খয়রাতের একটি প্রথা চালু রয়েছে।
এ ভিক্ষুকদের অনেকে ভিক্ষাবৃত্তি বাদ দিয়ে আয়ের নতুন পথ খুঁজে পেয়েছে।
আর তা হলো তারা এখন পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কাজ করছেন এবং তার বিনিময়ে পাচ্ছেন অর্থ।
তবে কর্তৃপক্ষের চোখে তারা ঠিক বৈধ নয় আর এর মধ্যে অনেকেই অবৈধভাবে অবস্থান করা বিদেশী বলেই মনে করেন অনেকে।
এরা মূলত সড়কে সিগন্যালের কাছে থাকে এবং যানবাহন দাঁড়ালে সেগুলো পরিষ্কার করেআর বিনিময়ে বখশিস নেয়।
অনেকেই আবার সেটি করছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ইউনিফর্ম পড়েই, কর্তৃপক্ষের চোখে যা বৈধ নয়।
যদিও সত্যিকার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা চাইছেন অতিরিক্ত অর্থ বা টিপস তাদেরকেই দেয়া হোক।
মোহাম্মেদ নামক একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরব নিউজকে বলেন, "পয়সা দিতে হলে সেটি সত্যিকার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদেরকেই দিন"।

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা।


এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বলিউড ছবি নিয়ে ভারতে তোলপাড়, নিষেধাজ্ঞা নেই-সুপ্রিম কোর্ট

চকবাজারে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ভারতে স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ

দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৯ ডাকাত

রাজধানীতে মা-মেয়ের ‘আত্মহত্যা’

লন্ডনে ফিন্সবারি পার্ক মসজিদে হামলাকারী: 'যত বেশি সম্ভব মুসলিম মারতে চেয়েছি।'

সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের অচলাবস্থার অবসান

নতুন নতুন পথ খুঁজছেন সুচি

দু’বছরের মধ্যে জেরুজালেমে দূতাবাস খুলবে যুক্তরাষ্ট্র

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন বিলম্বিত করার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় নি মিয়ানমারকে

শিক্ষামন্ত্রণালয়ের দুই কর্মচারী ও লেকহেড স্কুলের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন ১৯শে ফেব্রুয়ারি

ফেরত পাঠালে রোহিঙ্গারা ঝুঁকিতে পড়বে

একই রাতে মা ও ছেলের মৃত্যু

ধনী ১ শতাংশ মানুষের হাতে বিশ্বের ৮২ শতাংশ সম্পদ