এবার আজান নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুচিত্রা কৃষ্ণমূর্তির!

বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক | ২৪ জুলাই ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১:২৯
আজান নিয়ে ভারতের জনপ্রিয় গায়ক সনু নিগমের অভিযোগের সুরে করা মন্তব্যের পর এবার একই পথে হাঁটলেন গায়িকা-অভিনেত্রী সুচিত্রা কৃষ্ণমূর্তি। আজানের তীব্র বিরোধিতা করলেন  তিনি। ‘কাভি হাঁ কাভি না’ সিনেমায় শাহরুখ খানের বিপরীতে বড়পর্দায় দেখা গিয়েছে এই অভিনেত্রীকে। তিনিই এবার ভোরবেলা লাউডস্পিকারে জোরালো শব্দে আজানের প্রতিবাদ জানালেন টুইটারে। সুচিত্রা তার টুইটারে লিখেছেন, ‘ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে বাড়িতে ফিরেছি। কিন্তু আজানের তীব্র শব্দে কানে তালা লেগে যাওয়ার উপক্রম। জোর করে ধর্মকে চাপিয়ে দেয়া অযৌক্তিক।’ যথারীতি তার টুইট নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। হঠাৎ সুচিত্রা এরকম সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে টুইট করতে গেলেন কেন এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে গিয়ে দেখা যায় ঘটনাটির সূত্রপাত সাগরিকা ঘোষের একটি টুইটকে ঘিরে। সাগরিকা টুইটারে লেখেন, ‘আজানের বিরুদ্ধে হিন্দু সেলেবদের প্রতিবাদ দেখে জানিয়ে দিই, তাদের ব্রাহ্মমুহূর্তে ঘুম থেকে ওঠা উচিত। সেটাই আজানের উদ্দেশ্য।’ এর পালটা সুচিত্রা কৃষ্ণমূতি লেখেন, ‘আমি  নিজে ব্রাহ্মমুহূর্তে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ি। রেওয়াজ করি, যোগাসন করি। কিন্তু ঈশ্বরকে স্মরণ করার জন্য আমার অন্তত লাউডস্পিকারের দরকার পড়ে না।’ এরপর সুচিত্রা আরো লেখেন, ‘আমরা কেউই আজানের বিরোধিতা করছি না। কিন্তু ভোর পাঁচটার সময় জোর করে কারো ঘুম ভাঙিয়ে দেয়াটা সভ্য সমাজে  মেনে নেয়া যায় না।’ উল্লেখ্য, বাড়ির কাছের মসজিদের লাউডস্পিকার থেকে ভেসে আসা আজানের শব্দে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে বলে বেশ কিছুদিন আগে অভিযোগ করেছিলেন ভারতের বিখ্যাত গায়ক সোনু নিগম। সোনুর সেই মন্তব্যের পর অনেক জলঘোলা হয়।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Sourov

২০১৭-০৮-১৭ ১৩:০৭:৫৭

Right comments thanks to all

শহীদুল ই.লাম

২০১৭-০৮-১৪ ০৭:৫৪:৪২

সনু নিগম ও সুচিতরাদের মত কাফেরদের বাংলাদেশীদের পুরোপুরি বয়ক করা উচিত

এম.জি. মাহাবুব

২০১৭-০৭-৩০ ০২:৫৫:০২

আযানের মাধ্যমেই পৃথিবীতে শান্তি এসেছে, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আযান সম্পর্কে কোন মন্তব্য করার আগে আযানের মর্ম সম্পর্কে যথেষ্ঠ পড়াশুনার প্রয়োজন।শারিরিক এবং মানষিকভাবে অসুস্থ্য অবস্থায় আযান নিয়ে মন্তব্য করা কাম্য নয়।ফজরের আযান আপনাদের মত অল্পসংখ্যক মানুষের খারাপ লাগলেও বিশাল জনগোষ্ঠির কাছে অত্যান্ত সু- মধুর।আযান মানুষকে কল্যানের পথে ডাকে।

Marfat Ali

২০১৭-০৭-২৬ ২৩:১৮:১৯

ইসলাম ও আযান সম্পর্কে যার কোন ধারনা নেই সে কি করে আযানের মর্ম বুঝবে। সারা রাত পর পুরুষের সাথে সময় ব্যয় করে ভোরে আসে বাড়ীতে। বেয়াদব বেহায়া কোখাকার। আযান নিয়ে কুটুক্তি করার ফল তুই ইহকালেই পাবি।

মোস্তাফিজ

২০১৭-০৭-২৩ ২২:৪৯:১৩

সুচিত্রার প্রচারের কোথাও ঘাটতি আছে,না হয় মানসিক ও শারেরীক সমস্যা আছে,তাকে প্রথম ফজরের আজান সম্পর্কে নিভিড় ভাবে বুঝা উচিত ছিল,যে ফজরের আজান শুধু মধুর নয় এর কতো উপকারিতা আছে,

আপনার মতামত দিন