তাদের সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই

ফেসবুক ডায়েরি

পলাশ সরকার | ২৩ জুলাই ২০১৭, রবিবার
বরগুনা সদর ইউএনও’র বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় আসলে পুরো বিষয়টি জনসম্মুখে আসলো। কিন্তু এর আগেই তাকে বিপদে ফেলার পুরো ক্ষেত্র তৈরি করে রাখে বরিশাল জেলা প্রশাসন ও বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়।
যে ছবিটি দেখে ওই আওয়ামী লীগ নেতার হৃদকম্পন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তারও আগে ওই ছবিতে বঙ্গবন্ধুকে বিকৃত করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনে বরিশাল জেলা প্রশাসন। অঙ্কিত ছবিটি যখন স্বাধীনতা দিবসের আমন্ত্রণপত্রে ব্যবহার করা হয়েছে তারেক তখন আগৈলঝাড়ার ইউএনও।
ফেসবুকে ভেসে বেড়ানো দুটি অফিস আদেশে দেখা যাচ্ছে এজন্য তাকে গত এপ্রিলের শুরুতে শোকজ করা হয়েছিল। তারেক শোকজের জবাব দিলেও উত্তর মনঃপূত হয়নি বরিশাল বিভাগীয় কর্মকর্তার। তিনি তারেকের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা  নেয়া হবে না তা জানতে চান।
জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের অনুমতি ব্যতিরেকে উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ ও তাকে অসম্মানজনকভাবে পুলিশ  কোর্ট হাজতে নিতে পারে না।
এক্ষেত্রে ওই দুটি বিভাগও তারেকের প্রতি সুবিচার করেনি।
পীড়াদায়ক বিষয় আরো হলো, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশন যে প্রতিবাদ পাঠিয়েছে তাতে শুধুমাত্র তারেক সালমানকে পুলিশ টেনেহিঁচড়ে  কোর্ট হাজতে নিয়েছে সে ঘটনার নিন্দা জানানো হয়েছে। ছবির জন্য যে তাকে শোকজ করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু দেখলাম না।
বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসায় এ যাত্রায় হয়তো তারেক সালমান রক্ষা পাচ্ছেন।
আর যদি বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে না পড়তো তাহলে কি হতো?
আশার খবর মামলার বাদী বরিশাল আওয়ামী লীগের ওই নেতাকে আওয়ামী লীগ  থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিবিসিকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছেন। দক্ষ এই আমলার মতে, তাকে (তারেক) কোনো শাস্তি দিতে হলে বা তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা কোনো রকম কিছু করতে হলে সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন।
ঘটনার জন্য বরিশালের ডিসি-এএসপিকে দায়ী করেন এইচ টি ইমাম।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘পুলিশ যে ব্যবহার করেছে এই ছেলেটির (ইউএনও) সঙ্গে, যেভাবে তাকে নিয়ে গেছে, এ নিয়ে ওখানকার ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপার, এদের প্রত্যেককে আমি দায়ী করব। এদের বিরুদ্ধেও আমাদের বোধ হয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
মামলা দায়েরকারী ব্যক্তি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন জানিয়ে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘এই লোক পাঁচ বছর আগেও আওয়ামী লীগে ছিল না। দলের  ভেতরে ঢুকে পড়া এই অতি উৎসাহীরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে, এই চাটুকারেরাই আমাদের ক্ষতি করছে।
মোদ্দা কথা পুলিশ ও প্রশাসনে তরুণ একটা অংশ আছে, যারা সততার সঙ্গে কাজ করে দেশ ও জাতিকে নতুন কিছু দিতে চান। কিন্তু আমাদের পুরনো ও ঘুণে ধরা ব্যবস্থা তাদের স্তব্ধ করে দিতে চায়।
আওয়ামী লীগের ওই নেতার মতো আর যারা তারেক সালমানকে অপদস্থ করেছে, তাদের সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এতে তরুণ অফিসাররা মনপ্রাণ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করতে উৎসাহ পাবে।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

হঠাৎ অপু বিশ্বাস এর ডুব

বাংলাদেশ চীন-পাকিস্তানের চেয়ে বড় হুমকি

নাগরিক সমাবেশে বিপুল জনসমাগমের প্রস্তুতি

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

রাবিতে হলের সামনে থেকে ছাত্রী অপহৃত

সীমানা বিন্যাস আইন নিয়ে বিপাকে ইসি

মিথ্যা দিয়ে শুরু... মিথ্যা দিয়ে শেষ

আবাসন খাতে স্থবিরতা

সেনা অভ্যুত্থানের পর প্রথম জনসমক্ষে মুগাবে

শাহজালালে ভারতীয় বিমানের চাকায় ত্রুটি

মিয়ানমারে সামরিক অভিযান বন্ধের প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

ঘরের শত্রু বিভীষণ

ইরাক ও ইসরায়েল সুন্দরী একসঙ্গে সেলফি তুলে বিপাকে

‘বিএনপিকে দূরে রেখে নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে’

‘আপনারা এটাকে পাল্টাপাল্টি ভাববেন কেন?’

রাবি ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নেয়ার অভিযোগ