মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা

আগামী নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রের শঙ্কা

প্রথম পাতা

দীন ইসলাম | ১৮ জুলাই ২০১৭, মঙ্গলবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:১৯
আগামী নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে মন্ত্রিসভায়। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে গতকাল মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ কয়েকজন সিনিয়র মন্ত্রী এসব বিষয়ে কথা বলেন। একাধিক সিনিয়র মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীসহ আরো কয়েকজন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভার সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, আগামী নির্বাচন যাতে না হয় এজন্য নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের চেষ্টা হতে পারে। সবাইকে ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে  চোখ-কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিভাবে নির্বাচন হবে ওই কথা সংবিধানেই বলা হয়েছে। এনিয়ে কথা বলার দরকার নেই। কিছু মানুষ আছে নির্বাচন চায় না। নির্বাচন না হলে অনির্বাচিতরা ক্ষমতায় বসবে। আমরা চাই সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে আসুক। সব দল নির্বাচনে এলে ভালো হয়। কিন্তু কোনো দল যদি নির্বাচনে না আসে তাহলে তো কিছু করার নেই। একজন সিনিয়র মন্ত্রী জানান, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত রোডম্যাপ নিয়ে মন্ত্রিসভার সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতাদের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মন্ত্রিসভার সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রোডম্যাপ ইসি’র বিষয়। এই রোডম্যাপ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে আপনারা কোনো মন্তব্য করবেন না। এ বিষয়টি আপনাদের মনে রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ বাস্তবায়ন ও কার্যকারিতা দেখতে হবে। এ জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন। কাজেই আগে থেকে এ বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করা ঠিক হবে না। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ইসি ঘোষিত নির্বাচনী রোডম্যাপ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে কথা বলার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক আছেন, তিনি কথা বলবেন। নির্বাচন নিয়ে অন্যদের সতর্কভাবে কথা বলতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্য নির্বাচনের সময় সেনা মোতায়েনের বিপক্ষে কথা বলেন। তারা বলেন, নির্বাচনের সময় পুলিশ ও র‌্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিবেশ বজায় রাখতে পারবেন। তবে নির্বাচন কমিশন চাইলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা মোতায়েন করতে পারে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে কোনো কোনো মন্ত্রী হাস্যরস করে বলেন, সাজার ভয়ে কি খালেদা জিয়া দেশ ছেড়েছেন? এমন প্রশ্ন এখন দেশের অনেক মানুষই করছে।   
উল্লেখ্য, একাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে রোববার রোডম্যাপ ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। এরপরই বিএনপির পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, রোডই নেই ম্যাপ দিয়ে কি হবে? তবে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ রোববার এক প্রতিক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপকে বাস্তবসম্মত বলে উল্লেখ করেন। যদিও দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া না দিয়ে বলেছেন, রোডম্যাপ বাস্তবায়নের অগ্রগতি দেখেই আওয়ামী লীগ প্রতিক্রিয়া দেবে।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

শচীন যা পরেননি পৃথ্বি তা-ই পারলেন

টেকনাফে ৫ কোটি ৭০লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্ধার

‘নিজ অবস্থান থেকে আইন মানলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে’

চাল আমদানি করছেন না ব্যবসায়ীরা

তারেকের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত প্রতিবেদন ৩১শে ডিসেম্বর

প্লেবয় মডেল হারতে’র ‘মজা’

আদালতে হাজিরা দিলেন নওয়াজ শরীফ

ইরাকে আগ্রাসনের হুমকি এরদোগানের

এতিম রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হচ্ছে

মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণের আশঙ্কা

মিয়ানমার ইস্যুতে বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক

বিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটির কার্যক্রম নিয়ে রুল, সভায় বাধা নেই

মারকেলের নতুন মিশনের কাজ শুরু

বিস্ময়কর উত্থান ঘটলেও জার্মানিতে এএফডি’র নেতা কে!

‘এখন শুধুমাত্র ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবছি’

মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার হুমকি উ.কোরিয়ার