উত্তর কোরিয়াকে সংলাপের প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ার

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ১৮ জুলাই ২০১৭, মঙ্গলবার
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। তা নিয়ে ওই অঞ্চলে তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এর পরেই তাদের এমন বিরল প্রস্তাব পাঠালো দক্ষিণ কোরিয়া। যদি এ প্রস্তাব মেনে নিয়ে উত্তর কোরিয়া আলোচনায় বসে তাহলে তা হরে ২০১৫ সাল থেকে প্রথমবারের মতো উচ্চ পর্যায়ের সংলাপ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
সিনিয়র একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এ সংলাপ হতে হবে দু’দেশের মধ্যে সব রকম শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার উদ্দেশ্য নিয়ে। এমন কর্মকাণ্ডে দু’দেশের মধ্যে শুধু সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এটা বন্ধ করা গেলে দুই কোরিয়ার সীমান্তই সুরক্ষিত হবে। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার ইচ্ছে দীর্ঘ সময় ধরে প্রকাশ করে আসছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন। সম্প্রতি বার্লিনে এক বক্তব্যে তিনি বলেছেন, এ যাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাপ দেয়া হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে। তিনি এ সময় একটি শান্তি চুক্তির কথা বলেন, যা উভয় দেশকে স্বাক্ষর করতে হবে। যারা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে চান তাদের কাছে এমন সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু উত্তর কোরিয়া ঘন ঘন যেভাবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে তাতে জাতিসংঘের বিধিবিধান লঙ্ঘন হচ্ছে। এতে শুধু তার প্রতিবেশী দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার উপ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সুহ চু-সুক মিডিয়ার কাছে বলেছেন, তাদের সংলাপের প্রস্তাবে যদি উত্তর কোরিয়া রাজি হয় তাহলে সেই সংলাপ হবে উত্তর কোরিয়ার বেসামরিক এলাকা পানমুনজোমে টোঙ্গিলগাক ভবনে। এটি দুই দেশের বেসামরিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত। এর আগেও তাদের মধ্যে এখানে সংলাপ হয়েছে। তিনি প্রস্তাবে বলেছেন, এ সংলাপ হতে পারে ২১শে জুলাই। তার ভাষায়, এক্ষেত্রে আমরা উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া আশা করছি। সিউল থেকে বিবিসির সাংবাদিক বারবারা প্লেট বলছেন, এমন সংলাপ হলে সামরিক সংঘাতের ইতি ঘটবে। গত কয়েক দশক ধরে দুই কোরিয়ার সম্পর্কের মধ্যে প্রাধান্য বিস্তার করে আছে এই সামরিক সংঘাত বা উত্তেজনা। এ সংলাপ হতে পারে। সীমান্ত এলাকায় লাইড স্পিকারে প্রচারণা বন্ধ হতে পারে।
ওদিকে রেডক্রস ও সরকারের পক্ষ থেকে আলাদা একটি মিটিংয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ১৯৫৩ সালে শেষ হওয়া কোরিয়ান যুদ্ধে যেসব পরিবার দুই কোরিয়ার মধ্যে বিচ্ছিন্ন হয়েছে তাদের পুনর্মিলন কিভাবে করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

যুদ্ধাপরাধের ২৯তম রায়ের আপেক্ষা

ঈদে মিলাদুন্নবী নিয়ে চাঁদ দেখা কমিটির সভা কাল

সিরিয়া ইস্যুতে আবারো রাশিয়ার ভেটো

হারিরির সৌদি আরব ত্যাগ

ঢাকায় চীন-বাংলাদেশ বৈঠক শুরু

প্যারাডাইস পেপারসে শিল্পপতি মিন্টু ও তার পরিবারের নাম

ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে আসছে রোহিঙ্গারা, ইউএনএইচসিআরের উদ্বেগ

নৌকায় বসেই ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা

‘নতুনরা সব সময় পরিবর্তন নিয়ে আসে’

নিজ দলে বিদ্রোহ, আজ মুগাবের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ

ছোট্ট শিশুদের দুর্নীতির প্রশিক্ষণ

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

রাবিতে হলের সামনে থেকে ছাত্রী অপহৃত

সীমানা বিন্যাস আইন নিয়ে বিপাকে ইসি

সেনা অভ্যুত্থানের পর প্রথম জনসমক্ষে মুগাবে

ইরাক ও ইসরায়েল সুন্দরী একসঙ্গে সেলফি তুলে বিপাকে