কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় ৪৪৭৭ কোটি টাকা

দেশ বিদেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৭ জুলাই ২০১৭, সোমবার
সদ্য সমাপ্ত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫৫ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯.২ শতাংশ কম। একইসঙ্গে এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতে বৈদেশিক আয়ের তুলনায় এই খাতের আয় ৭.২০ শতাংশ কম। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে জানানো হয়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৯ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার ডলার। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ খাতে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষ মাসে অর্থাৎ গত জুন মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার বা প্রায় ৩০৪ কোটি টাকা।
২০১৬-১৭ অর্থবছরে চা রপ্তানিতে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯৮ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১৪৪.২৬ শতাংশ বেড়েছে; আগের অর্থবছরে চা রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১৮ লাখ ৩০ হাজার ডলার। সমাপ্ত অর্থবছরে সবজি রপ্তানিতে ৯ কোটি ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এই সময়ে আয় হয়েছে ৮ কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯.৯৭ শতাংশ কম। একইসঙ্গে এর আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ২২.৩৪ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সবজি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ১০ কোটি ৪৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার ডলার; যা এই সময়ের রপ্তানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬.৭৫ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১৫.২১ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তামাক ও তামাকজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮৭.৪৯ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৬.৭০ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ফল রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার ডলার। আলোচ্য সময়ে মসলা জাতীয় পণ্য রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। এই বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫.৯১ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ২০.২৭ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মসলাজাতীয় পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১০ কোটি ৯৬ লাখ ১০ হাজার ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১.৮৫ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ১৪.১৩ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে শুকনো খাবার রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার ডলার। সমাপ্ত অর্থবছরে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৭ কোটি ৩৭ লাখ ২০ হাজার ডলার। যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯.৬৬ শতাংশ কম। আগের অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের আয় ৩.৯১ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অন্যান্য কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২৮ কোটি ৪৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বাংলাদেশের রাজনীতি, বিকাশমান মধ্যবিত্ত এবং কয়েকটি প্রশ্ন

ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতাতে আহত ডিবি পুলিশ

প্রতিবেশীদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকা জরুরীঃ বাংলাদেশকে মিয়ানমার

তারেক রহমানের জন্মদিন পালন করবে বিএনপি

রোহিঙ্গা শিবিরে যেতে চান প্রণব মূখার্জি

তালাকপ্রাপ্ত নারীকে অপহরণের পর গণধর্ষণ

আরো ১০ দিন বন্ধ থাকবে লেকহেড স্কুল

জাতিসংঘকে দিয়ে রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধান হবে নাঃ চীন

ম্যনইউয়ের টানা ৩৮

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সংলাপে সহায়তা করতে আগ্রহী চীন

জল্পনার অবসান ঘটালেন জ্যোতি

চীনের বেইজিংয়ে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১৯ আহত ৮

ভাইস চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক করলেন খালেদা জিয়া

চার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এখন বাংলাদেশে

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মার্কিন প্রতিনিধি দল

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এমপি গোলাম মোস্তফা আহমেদ