মুসলিমরা ডোনাট খায় না গুজবের নেপথ্যে

রকমারি

| ৮ জুলাই ২০১৭, শনিবার | সর্বশেষ আপডেট: ৩:০৫
সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও এই বলে মিথ্যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে মুসলিমরা 'ডোনাট' খায় না। আর এই গুজব ছড়াচ্ছে মুসলিমরাই। কেন তারা এই কাজ করছেন?
মূলত ইসলামবিদ্বেষী ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের জবাব দিতে তারা এই রসিকতা বেছে নিয়েছেন।
২০১৪ সালে প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানো হয় যে 'ডোনাট' হালাল নয়, কাজেই এটি মুসলিমদের খাওয়া নিষেধ। টুইটারে গত তিন বছর ধরে এই গুজব ছড়ানো হয়।২০১৬ সালে কিছু মসজিদের বাইরে শুকরের মাংস রেখে যাওয়ার ঘটনার পর একই গুজব ছড়ানো হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
একজন তখন টুইটারে মজা করে লেখেন, "ডোনাট হারাম। দয়া করে আমাদের মসজিদের বাইরে গাদা গাদা ডোনাট রেখে যাবেন না, আমরা এটা ঘেন্না করি।"তবে এই রসিকতা বুঝতে না পেরে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়েছেন। একজন টুইটারে প্রশ্ন করেন, "ডোনাট হারাম হলো কিভাবে?"
কিন্তু এর পর টুইটারে আরও পোস্ট ছড়িয়ে দেয়া হয় ডোনাট ইসলামে নিষিদ্ধ এমন কথা বলে।এবছর ডোনাট নিয়ে এই গুজব আবার নতুন করে ছড়াতে থাকে সাংবাদিক মেহেদী হাসান এটি টুইট করার পর।
তিনি লিখেন, "আমার অনেকদিনের বিশ্বাস, আমরা যদি 'ডোনাট হারাম' এমন গুজব ছড়িয়ে দিতে পারি তাহলে আমাদের লোকে এখন থেকে ডোনাট দিয়ে আক্রমণ করবে।"
আরেকজন এর উত্তরে মজা করে অনলাইনে লেখেন, "আমি স্টারবাকস, টাকিস, পিজ্জা, কুকি, আইফোন, প্লেস্টেশন ফোর সবকিছু ঘৃণা করি।
দয়া করে আমাকে এসব দিয়ে অপমান করার চেষ্টা করো।"

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বলিউড ছবি নিয়ে ভারতে তোলপাড়, নিষেধাজ্ঞা নেই-সুপ্রিম কোর্ট

চকবাজারে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ভারতে স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ

দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৯ ডাকাত

রাজধানীতে মা-মেয়ের ‘আত্মহত্যা’

লন্ডনে ফিন্সবারি পার্ক মসজিদে হামলাকারী: 'যত বেশি সম্ভব মুসলিম মারতে চেয়েছি।'

সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের অচলাবস্থার অবসান

নতুন নতুন পথ খুঁজছেন সুচি

দু’বছরের মধ্যে জেরুজালেমে দূতাবাস খুলবে যুক্তরাষ্ট্র

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন বিলম্বিত করার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় নি মিয়ানমারকে

শিক্ষামন্ত্রণালয়ের দুই কর্মচারী ও লেকহেড স্কুলের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন ১৯শে ফেব্রুয়ারি

ফেরত পাঠালে রোহিঙ্গারা ঝুঁকিতে পড়বে

একই রাতে মা ও ছেলের মৃত্যু

ধনী ১ শতাংশ মানুষের হাতে বিশ্বের ৮২ শতাংশ সম্পদ