রাজ্যের গভর্ণরের বিরুদ্ধে মমতার নজিরবিহীন আক্রমণ

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ৫ জুলাই ২০১৭, বুধবার | সর্বশেষ আপডেট: ১০:১৭
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গভর্ণর কেশরী নাথ ত্রিপাঠিকে নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সোমবার থেকে  উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বসিরহাট সাবডিভিশনের বিস্তীর্ণ এলাকায় চলা সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের গভর্ণর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বলেছিলেন। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  গভর্ণরের বিরুদ্ধে তাঁকে হুমকি দেবার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে রাজ্য সচিবালয় নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে ক্ষুব্ধ মমতা বলেছেন, ‘গভর্ণরের কথায় তিনি অসম্মানিত। যে ভাষায় গভর্ণর বিজেপির হয়ে কথা বলেছেন, তা খুবই আপত্তিজনক। কোনওদিন এত অসম্মানিত বোধ করিনি।
ভেবেছিলাম, পদত্যাগ করব।’
তবে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে প্রশাসনিক প্রধানের কথপোকথন ঘিরে প্রকাশ্যে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তার সমালোচনা করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গ কমিটির সভাপতি অধীর চৌধুরি মমতার বÍব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, দুই প্রধানের মধ্যে কথপোকথন এইভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে আসাটা মোটেই ঠিক হয় নি। তিনি বলেছেন, রাজ্যের অবস্থা কি তা মানুষ দেখতে পারছেন। আর গভর্ণরের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ থাকলে তিনির তা প্রেসিডেন্টের কাছে জানাতে পারতেন।  সিপিআইএমের পরিষদীয় নেতা সুজন জক্রবর্তীও মনে করেন, এইভাবে দুই প্রধানের কথপোকথনকে প্রকাশ্যে আনা ঠিক হয় নি।  
ক্ষুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন,  গভর্ণর আমাকে অনেক বড় বড় কথা বলেছেন। তিনি বিজেপি ব্লক সভাপতির মতো কথা বলছেন। গভর্ণর আমাকে ফোন করে হুমকি দিয়েছেন। তিনি এভাবে আমাকে হুমকি দিতে পারেন না। গভর্ণরকে এ কথা জানিয়ে দিয়েছি। সেইসঙ্গে মমতা গভর্ণরকে সরাসরি আক্রমণ করে বলেছেন, ‘যে কোনও ঘটনা ঘটলে বিজেপির লোকেরা গভর্ণরকে কাগজ দিয়ে আসেন। সেই অনুসারে যা ইচ্ছে তাই বলেন তিনি। ফেসবুকে একটি আপত্তিকর পোস্টকে কেন্দ্র করে অশান্তির সূত্রপাত হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া ব্লকের রুদ্রপুর এলাকায়। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ভাঙচুর চালানো হয় দোকানপাটে। অবরোধ করে রাখা হয় বাদুড়িয়া সংলগ্ন প্রায় ৩০ কিমি রাস্তা। পুলিশের তিনটি গাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে । মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই সম্প্রদায়ের নেতাদেরই কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেও হিংসা কমার কোনও লক্ষন নেই। আর তাই র‌্যাব ও কমব্যাট ফোর্স পাঠানোর পাশাপাশি কলকাতা থেকে একশ পুলিশ পাঠানো হয়েছে অবস্থা সামাল দিতে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সশস্ত্র বাহিনী জাতির এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান: খালেদা জিয়া

কেরানীগঞ্জে বিএনপি অফিসে পুলিশের তালা

সিলেটের টার্গেট ১৭০

‘প্রধানমন্ত্রীর সামনে এখন বিদায়ের দুটি পথ খোলা’

আহত ২০, বিএনপির ৬১ জন আটক

১৩ বছরের প্রতিবন্ধীকে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের ধর্ষণ

সাংসদের গাড়ি উল্টোপথে, ট্রাফিক পুলিশের বাধা(ভিডিওসহ)

পঙ্কজ রায়ের জামিন মঞ্জুর

মাছ পরিবহনের কাভার্ডভ্যানে এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবা

আম্পায়ারের সঙ্গে সাকিবের এ কেমন আচরণ!

‘ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চাই না’

পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশন হচ্ছে ময়মনসিংহ

রাজধানীর নতুন থানা হাতিরঝিল

জঙ্গি হামলায় আরেক অর্থ সরবরাহকারী গ্রেপ্তার

সৌদি আরবে ২৪ হাজার অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তারেক রহমানসহ চারজনের বিচার শুরু