হার কমে নতুন নামে আসবে আবগারি শুল্ক

শেষের পাতা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ১৯ জুন ২০১৭, সোমবার | সর্বশেষ আপডেট: ১১:৩৮
আবারো ব্যাংক আমানতের ওপর বর্ধিত আবগারি শুল্ক কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। একইসঙ্গে এর নাম পরিবর্তন করে ইনকাম ট্যাক্সের আদলে নতুন নামকরণ হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী। এর আগে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ২০১৭-১৮ অর্থবছরের  
 বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি। সেখানেও আবগারি শুল্ক কমানো হবে বলে জানিয়েছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।
তিনি বলেন, আবগারি শুল্ক নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।
তাই জনগণকে আশ্বস্ত করছি, বর্ধিত আবগারি শুল্ক কমানো হবে। এর আগে গত ১৪ই জুন বুধবার ব্যাংক হিসাবে আরোপিত আবগারি শুল্ক কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক আমানতের ফি’কে আবগারি শুল্ক বলা হচ্ছে; এটা মানানসই নাম নয়। এর নাম পরিবর্তন করে ইনকাম ট্যাক্সের আদলে নতুন নাম দেয়া হবে। তিনি বলেন, আমাদের আর্থিক খাত নিয়ে বাজারে অনেক সমালোচনা রয়েছে। বিশেষ করে বাজেট দেয়ার পরে সমালোচনা উচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। যখন কোনো দুর্বলতা পাওয়া যায় না- তখন একটা কিছু বের করতে হয়। সেটা এবার সবচেয়ে বেশি হয়েছে। যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের আবগারি শুল্ক আদায়; নামটা হয়তো ঠিক নেই। নামটা আমরা পরিবর্তন করবো। ইনকাম ট্যাক্সের আদলে কিছু একটা নাম দেয়া হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেক আগে থেকে আবগারি শুল্ক নেয়া হচ্ছে। যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে, তারা এই শুল্ক দিচ্ছেন। প্রস্তাবিত বাজেটে এই হার বেড়েছে; সঙ্গে সুযোগও বেড়েছে। আগে ২০ হাজার টাকা থাকলেই দিতে হতো। এবার ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ফ্রি করে দিয়েছি। তারপরও এটা নিয়ে বাজারে খুব সমালোচনা হচ্ছে। আমি ইতিমধ্যে বলেছি, বাজেট তো প্রস্তাবিত। পাস হওয়ার আগে এর অনেক কিছু পরিবর্তন হবে। আবগারি শুল্কের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে। এটা সংসদে বলতে গেলে ২৮ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। জনগণকে স্বস্তি দিতেই আজ বললাম। অর্থ পাচার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বেশকিছু আইন বা বিধির কারণে কালো টাকা বাড়ছে। তাই অর্থ পাচার বন্ধে অর্থাৎ কালো টাকার উৎস বন্ধ করতে আইন বা বিধির সংস্কারসহ বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যেমন: জমির এলাকাভিত্তিক মূল্য পরিবর্তন করে বাজারভিত্তিক মূল্যে জমি বিক্রির সুযোগ দেয়া হবে। আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন এলাকায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে জমি বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু সরকারের নির্ধারিত মূল্য দেখিয়ে রেজিস্ট্রি হচ্ছে। এতে একদিকে সরকার প্রকৃত রাজস্ব হারাচ্ছে। অন্যদিকে জমির মালিক অর্থের প্রকৃত উৎস দেখাতে পারছে না।
 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

পাঠকের মতামত

**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।

Ismail

২০১৭-০৬-১৯ ০৪:৩৪:৪৭

We pay income tax. after paying tax why will we pay another tax called Mohit tax (lutpat tax).

Md Amin chowdhury

২০১৭-০৬-১৮ ২৩:৩৮:৪৭

Dear Minhaj, You're right. Thanks for writing

ঈশান

২০১৭-০৬-১৮ ১১:৪৭:০১

অবশ্যই অবশ্যই! রাবিশ ট্যাক্স নাম হলে সবচেয়ে ভালো হয়। সেটা না রাখতে চাইলে বেয়াক্কেল ট্যাক্স নাম দেয়া যেতে পারে। পাবলিক যদিও সেটাকে চোরের বখরা বা ওই ধরনের কিছু বলবে।

মিনহাজ

২০১৭-০৬-১৮ ১১:৪৪:০৮

আমি ব্যাংকে ১লাখ টাকা রাখলাম আবুল মাল সাহেব ইনকাম টেক্স হিসেব ৮০০টাকা কেটে রাখবেন। আমার হয় নাই ইনকাম, আর উনি ইনকাম টেক্স কাটেন কিভাবে?

আপনার মতামত দিন

বিজয় দিবসে দেশ গড়ার দৃপ্ত শপথ

বঙ্গবন্ধুর গৃহবন্দি পরিবারকে যেভাবে উদ্ধার করেছিলেন কর্নেল তারা

থ্যাংক ইউ জেনারেল, উই আর অলরেডি বার্নিং, ডোন্ট অফার আস ফায়ার

রাহুল গান্ধীর অভিষেক

চাল-পিয়াজের দামে অসহায় ক্রেতারা

সিলেটে চার বন্ধুর একসঙ্গে বিদায়

রহস্য ভূমিকায় জামায়াত

শোকে মলিন চট্টলা

কিশোরগঞ্জে ২ সাংবাদিক ও বান্দরবানে ৪ পুলিশকে পেটালো ছাত্রলীগ

জৈন্তাপুরে লিয়াকত আলীই এখন শেষকথা

রাজধানীতে আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য র‌্যালি

বড় দু’দলেই একাধিক প্রার্থী

ছায়েদুল হকের জন্য কাঁদছে নাসিরনগর

ব্রাজিল ফুটবলের প্রধান ৯০ দিন নিষিদ্ধ

ঝিকরগাছায় ছাত্রলীগ কর্মী খুন, সড়ক অবরোধ

উৎসবের আমেজে সারাদেশ