নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে আওয়ামী লীগ ভীত: খালেদা

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ জুন ২০১৭, সোমবার
বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেবে সেই ভয়ে আওয়ামী লীগ ভীত হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেছেন, আমরা নির্বাচন চাই। বিএনপি নির্বাচনের অংশ গ্রহণ করবে সেই ভয়ে আওয়ামী লীগ ভীত হয়ে পড়েছে। কারণ, বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করলে আওয়ামী লীগের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। সেজন্য আওয়ামী লীগ জেনে শুনেই বিএনপি এবং ২০ দলীয় জোটকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে শয়তানি শুরু করেছে। বিভিন্ন জায়গায় ইফতার মাহফিলে পর্যন্ত হামলা চালাচ্ছে।
রাজধানীর গুলশানে ইমানুয়েলস কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় পার্টি (জাফর) আয়োজিত ইফতার মাহফিলে  তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সেজন্য আমি পরিষ্কারভাবে দেশবাসী ও আন্তর্জাতিক মহলকে বলতে চাই- হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন দিলে সে নির্বাচনে কেউ অংশ নেবে না। সেই নির্বাচন দেশে হতে দেয়া হবে না। তাই আমরা ঈদের পরপরেই সহায়ক সরকারের রূপরেখা দেবো। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটা নির্বাচন হতে হবে। আওয়ামী লীগের অধীনে, হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না, হতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে তাদের গুণ্ডাবাহিনী থাকবে, তাদের চেলা-চামুন্ডা যাকে যেখানে বসিয়েছে তারা সেখানে থাকবে। তাঁবেদার নির্বাচন কমিশন তাদের (আওয়ামী লীগের) তাঁবেদারি করে যেকোনোভাবে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে জেতাবে এবং জেতানোর চেষ্টা করবে। সেজন্য আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার বাইরে রেখে নিরপেক্ষ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে নির্বাচন হতে হবে। তাহলেই বোঝা যাবে আওয়ামী লীগের সমর্থন কতটুকু এবং তাদের পায়ের নিচে কতটুকু মাটি আছে? খালেদা জিয়া বলেন, চট্টগ্রামে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে করে প্রমাণ হয় দেশে যত সন্ত্রাস বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা সব আওয়ামী লীগ করছে। তাদের দায়িত্ব যতটুকু তা পালন করেনি। চট্টগ্রামে একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে মহাসচিবের নেতৃত্বে সেখানে একটি টিম গেছে। সেই টিম সেখানে দেখবে, তারপর সাহায্য-সহযোগিতা করবে। রাস্তাঘাট খারাপ ছিল, আমাদের লোকেরাই তা ঠিক করে দিয়েছে। কিন্তু সেখানে যেই মাত্র বিএনপি নেতারা গেছেন, আওয়ামী লীগের লোকজন তাদের ওপর আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, এই যদি দেশের অবস্থা হয়, যে বিএনপির লোক কোথাও গেলেই আক্রমণ করতে হবে, তাহলে বুঝতেই পারছেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এদেশের মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই।
যেখানে বিএনপি নিরাপদ নয়, সেখানে দেশের অন্য মানুষ কীভাবে নিরাপদ? যেকোনো মানুষের ওপর যখন তখন হামলা হচ্ছে। হামলাকারীদের গ্রেপ্তার পর্যন্ত করা হয় না। দেশের মানুষকে আওয়ামী লীগ থেকে সতর্ক করে দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে সাবধান হউন। দেশকে বাঁচান, দেশের মানুষকে বাঁচান, নিজেরা বাঁচুন এবং পরিবারপরিজনদের বাঁচাতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন। প্রয়োজনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে এ সরকারকে বিদায় করতে রাজপথে নামতে হবে। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। খালেদা জিয়া বলেন, আমি জানতে চাই- বিএনপির মহাসচিবের ওপর যে হামলা হলো তারপর কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং শান্তি দিতে হবে, জেলে পাঠাতে হবে। আমরা এর বিচার চাই। এর থেকে প্রমাণ হচ্ছে, আজকে দেশে নির্বাচন অবশ্যই হতে হবে। জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি টিআইএম ফজলে রাব্বির সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মোস্তাফা জামাল হায়দারসহ বিএনপি ও জোটের সিনিয়র নেতারা অংশ নেন।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ছিচকে চোর থেকে মাদক সম্রাট!

সুপারমডেল থেকে মাতৃসেবায়

বোতলে ভরা চিঠি সমুদ্র ফিরিয়ে দিল ২৯ বছর পর!

কার সমালোচনা করলেন বুশ, ওবামা!

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ

জুমের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেনা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা

স্বাধীনতা নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে যাচ্ছে কাতালান

অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে ১৮শতাব্দীর বাংলা পুঁথি

হারভে উইন্সটেন যেভাবে হোটেলকক্ষে অভিনেত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন

আজও সারাদিন বৃষ্টি

ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ পলিসির মূল স্তম্ভ হলো বাংলাদেশ

ভর্তি পরীক্ষায় ‘র‌্যাগের’ বিরুদ্ধে রাবি প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

‘এই ধরনের কাজ করতে আমি সবসময়ই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি’

মসজিদে গুলি ছোড়ার পর পাল্টে গেল এক মার্কিনীর জীবন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির মচ্ছব

দৃশ্যপট একই