কেন কাতারের বিরুদ্ধে প্রচারণা হালে পানি পাচ্ছে না?

দেশ বিদেশ

ডেভিড হার্স্ট | ১৭ জুন ২০১৭, শনিবার
মধ্যপ্রাচ্যে বেশ কিছু সময় ধরেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং তার পূর্বসূরি আল-কায়েদার বিরুদ্ধে যুদ্ধ এই অঞ্চলের একমাত্র প্রসঙ্গ নয় বরং বেশিরভাগ সময়ই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বিষয়টি ছিল সাইড শো মাত্র। কাতারের সীমান্ত বন্ধ করে এবং কার্যকরীভাবে অবরুদ্ধ করে ফেলার মাধ্যমে দেশটির মাজা ভেঙ্গে দেয়ার যে প্রচেষ্টা তা পশ্চিমা-নিয়ন্ত্রণ পরবর্তী এই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্যের জন্য প্রতিযোগী শক্তিগুলোকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে।
তিনটি আঞ্চলিক শক্তি এখন নিয়ন্ত্রণের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে, প্রথমে ইরানের নেতৃত্বে ইরাক এবং সিরিয়ার মতো দেশগুলোর একটি অবিসংবাদিত  গোষ্ঠী যাদের সাথে অ-রাষ্ট্রীয় শক্তি হিসেবে আছে ইরাকের শিয়া মিলিশিয়া, হিজবুল্লাহ এবং হাউথি দ্বিতীয়টি হলো উপসাগরীয় প্রাচীন শাসনব্যবস্থার রাজ্যগুলো: সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জর্দান ও মিশর।
তৃতীয় পক্ষে আছে তুরস্কের নেতৃত্বে কাতার, মুসলিম ব্রাদারহুড এবং আরব বসন্তের পিছনের চালিকা শক্তি।
এই ত্রিপক্ষীয় লড়াইয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র এবং তার শত্রুরা একইভাবে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতায় অবদান রাখছে আর কাতারের বিরুদ্ধে সদ্য প্রবর্তিত এই প্রচারাভিযান তার একটি বড় উদাহরণ। সৌদি আরব ছোট্ট ভূখণ্ডের দেশ কাতারের ওপর তার ইচ্ছাকে আরোপ করার চেষ্টা করে একটি কৌশলগত ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ এভাবেই দেশটি এখানকার আঞ্চলিক শৃঙ্খলাকে তছনছ করে দিয়েছে যার উপর নির্ভর করেই তারা আশেপাশের দেশগুলোর উপর ইরানের আধিপত্যের মোকাবেলা করত। আরেকভাবে এই চিত্রটি দেখুন, যদি সিরিয়ায় ইরানের সমর্থিত গৃহযুদ্ধে সৌদি আরব আর তুরস্ক একত্রিত হয়, তাহলে কাতারের দ্বন্দ্বের উপর সম্পূর্ণ বিপরীত প্রভাব ফেলছে।
বরঞ্চ শুনতে যতই অদ্ভুত লাগুক না কেন এটি ইরান, তুরস্ক এবং সুন্নি রাজনৈতিক ইসলামের শক্তির মধ্যে একটি একীভূত উদ্দেশ্যের সূচনা করতে পারে। এই দুইটি শক্তি সাধারণ পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই একে অপরের পাশ ঘেঁষবে না কিন্তু সৌদি আরবের অদূরদর্শিতা এবং বেপরোয়া নীতি তা বাস্তবে রূপ দিতে পারে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাওয়াদ জারিফ গত বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় সফর করেছেন।
পেন্টাগনের ভাষ্যের বিপরীত টুইট ট্রাম্পের
কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের প্রচারাভিযানে দুইটি পট পরিবর্তনকারী ঘটনা হল, এক- কাতারের একটি বেসে তাৎক্ষণিকভাবে তুর্কি সৈন্য মোতায়েনের ব্যাপারে তুর্কি সংসদে দ্রুত আইন অনুমোদনের সিদ্ধান্ত এবং দুই- ইরানের সংসদ এবং আয়াতুল্লাহ খোমেনির মাজারের ওপর হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর কর্তৃক সৌদি আরবকে অভিযুক্ত করা। এই দুই ঘটনা সৌদি আরবকে এক ঘরে করে ফেলেছে। দেশটি ছোটোখাটো দেশকে শাঁসাতে পারে কিন্তু বিদেশি সামরিক সমর্থন ছাড়া তার নিজস্ব সীমান্ত রক্ষা করতে পারবে না। ট্রাম্প যাই টুইট করুক না কেন উপসাগরীয় অঞ্চলে নিয়োজিত মার্কিন সামরিক বাহিনী তা এড়ানোর জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। হোয়াইট হাউস এবং পেন্টাগন এই সপ্তাহে কাতার সম্পর্কে ভিন্ন বক্তব্য দেয়ার এটিই সম্ভাব্য কারণ।
৫ জুন সৌদি আরবের সঙ্গে কাতারের স্থল সীমান্ত বন্ধ হওয়ার কিছুক্ষণ পর, পেন্টাগন কাতারের “আঞ্চলিক নিরাপত্তায় সহিষ্ণু অঙ্গীকার” এর প্রশংসা করেন। এটি স্পষ্টভাবেই ইউএস এয়ার ফোর্স সেন্ট্রাল কমান্ডের অগ্রবর্তী বেস আল উদেইদ বিমানঘাঁটি সম্পর্কে বলেছে যে, সমস্ত ফ্লাইট পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী চালু থাকবে। এই ঘাঁটিতে ১০ হাজার মার্কিন সৈন্য মোতায়েন আছে। এর পর ট্রাম্প টুইট করেন যে, কাতারের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের এই অভূতপূর্ব পদক্ষেপ তার কৃতিত্ব এবং তিনি দাবি করেন রিয়াদে ৫০ আরব ও মুসলিম নেতার সামনে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তার ফল এটা। তারপর দ্বিতীয় একটি বিবৃতিতে পেন্টাগন  মার্কিন বাহিনীর ঘাঁটির জন্য কাতারের পুনরায় প্রশংসা করে। পেন্টাগনের সঙ্গে সুর মেলায় ইউরোপে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র রাষ্ট্র জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রী। সিগ্মার গাব্রিয়েলে বলেন: “দৃশ্যত, কাতারকে সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন করা তার অস্তিত্বের ওপর আঘাত করা হবে। ট্রাম্পের এই ধরনের আচরণ ইতিমধ্যেই সংকটপূর্ণ এমন একটি অঞ্চলে খুবই বিপজ্জনক।” তুর্কি সিদ্ধান্তের পরপরই, ট্রাম্প কাতারের আমীরের কাছে ফোন করে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেন; টুইটের ২৪ ঘণ্টা পর মনে হচ্ছে সেনাবাহিনীর বার্তা শেষ পর্যন্ত তার কাছে পৌঁছিয়েছে।
ভুল হিসাব
সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত এখন তাদের সামর্থের চেয়ে বেশি জিনিস হাতে নিয়েছে। তাদের প্রথম ভুল অনুমান ছিল, ট্রাম্পের কাহিনীতে প্রণোদিত হওয়া। যখন আপনি একটি ট্রাম্প পণ্য ক্রয় করেন,  তখন আপনি এটির সঙ্গে আরো অনেক কিছু কিনেছেন। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আছে, কম করে হলেও ট্রাম্প তার নিজের দেশে যেই অসন্তোষের ও প্রতিরোধের মুখোমুখি হচ্ছেন তার ভাগীদার হওয়া। আর এদের মধ্যে যখন সিআইএ, পেন্টাগন, পররাষ্ট্র দপ্তর,  অশ্বেতাঙ্গ সিনেটর এবং বিচারকগণ থাকেন তখন তা উপেক্ষা করা অসম্ভব। তারা শুধু আমেরিকার “ডিপ স্টেট”ই নয়, বরং একটি শক্তি হিসেবে তারা একাই যথেষ্ট। সমপ্রতি সংবাদে আলোচিত হওয়া ওয়াশিংটনে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসাফ আল ওতাবা একটি সাধারণ ভুল করেছেন। তিনি মনে করেছেন তার পকেটে সাবেক ডেপুটি সেক্রেটারি রবার্ট গেটস ছিল বলে বাকি ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট একইভাবে তার হাতের মুঠোয় আসবে, স্পষ্টতই যা হয়নি। এখন ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিপজ্জনক কূটনীতিক হিসেবে খ্যাত রাশিয়ার মার্কিন রাষ্ট্রদূত সের্জি কিস্তিয়াকও অনুরূপ একটি কাজের কারণে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এই সমস্ত রাষ্ট্রদূতরা লবিস্ট হিসাবে তাদের সাফল্যকে বিদেশি নীতিমালা তৈরির সঙ্গে বিভ্রান্ত করেন যা সম্পূর্ণ আলাদা দুইটি জিনিস।
তাদের দ্বিতীয় ভুল ধারণা ছিল, যেহেতু কাতার একটি ছোট দেশ তাই তার পক্ষে কোন বড় দেশ এগিয়ে আসবে না। সৌদি আরব আর ইউএই উভয়েরই তুরস্কে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ রয়েছে, এর একটি আবুধাবি করে অভ্যুত্থানে রিসেপ তাইপ এরদোগানকে বিদায়ের চেষ্টা করার পর। তাই দুদেশই ভেবেছে যে তারা তুরস্ককে কিনে ফেলছে।
কিন্তু ঘটেছে তার বিপরীত। এরদোগান বুঝতে পেরেছিলেন যে যদি এখন কাতারের শক্তি বিনাশ হয় তাহলে তাদের ক্যাম্পের মধ্যে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি বাকি থাকবেন।
তাদের তৃতীয় ভুল ধারণা ছিল কাতারের সঙ্গে তাদের প্রকৃত দ্বন্দ্বের বিষয়টি প্রকাশ করা। সন্ত্রাসের অর্থায়ন বা ইরানকে সহযোগিতা করার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্কই নেই। প্রকৃতপক্ষে আরব আমিরাত ইরানের সথেঙ্গএকটি বিশাল অঙ্কের বাণিজ্য করে, কিন্তু এখন তারাও কাতারকে তেহরানের সঙ্গে সহযোগিতার জন্য অভিযুক্ত করছে। কুয়েতের আমিরকে জানানো তাদের প্রকৃত চাহিদা হলো- আল জাজিরা বন্ধ করা, আল আরাবি আল জাদিদ, আল কুদস আল আরাবি, এবং হাফিংটন পোস্টের আরবি সংস্করণের অর্থায়ন বন্ধ এবং এর পাশাপাশি ফিলিস্তিনের সার্বজনীন বুদ্ধিজীবী আজমী বিশারার বহিষ্কার। এই প্রচার মাধ্যমগুলো আরবি ভাষায়  আরব একনায়কদের গল্পগুলি প্রকাশ করে যা অধিকাংশই তারা তাদের নাগরিকদের পড়তে দিতে চায় না। তাদের নিজস্ব প্রচার মাধ্যমকে স্তব্ধ করে তারা এখন এখন পৃথিবীর যেখানেই থাকুক না কেন সব মিডিয়া বন্ধ করতে চায় যাতে তাদের নিপীড়িত, দূষিত, দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনব্যবস্থার সত্য কথা সামনে চলে না আসে।
ক্ষুব্ধ দলের ভিড়ে ইসরাইলও আছে
হামাস এবং মুসলিম ব্রাদারহুড সৌদি আরবের চাহিদা তালিকার ৭ নম্বরে আছে। এই তালিকাতে হামাসের অন্তর্ভুক্তি অন্য একটি ভুল হিসাব, কারণ ফিলিস্তিনি আন্দোলন সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যাই ভাবুক না কেন, তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে সবসময়ই জনপ্রিয়। এটাই হলো ইসরাইলের ক্ষুব্ধ দলে যোগদানের কারণ। ওতাইবার ইমেইল হ্যাকে দেখা যাচ্ছে যে, আমিরাত এবং বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার মাসতুতো ভাইয়ের মতো ঘনিষ্ঠ। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী সঠিকভাবেই মনে করেন যে, তিনি সত্যিকার অর্থে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সকল অগ্রগতি দমন করার জন্য প্রধান আরব রাষ্ট্রগুলির সমর্থন লাভ করেছেন। এটাই হলো কাতার ঘটনার পিছনে মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা সৌদি আরবের শেষ ইচ্ছা। ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য রাজ্যগুলো এতটাই আগ্রহী যে প্রথমবারের মতো ইসরাইলের একটি চ্যানেলে একজন সৌদি বক্তার সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে। মিশরীয়-ফিলিস্তিনি কবির তামিম আল বারঘতিটি এই বিষয়ে একটি উপযুক্ত মন্তব্য প্রদান করেন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন: “জেরুজালেমের ইসরাইলি দখলদারিত্বের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি মিশরীয়-সৌদি আরব-বাহরাইন-ইসরায়েলি জোট গঠন করে তারা একটি আরব দেশকে স্থল এবং আকাশসীমায় অবরুদ্ধ করেছে। যার পিছনের একমাত্র কারণ হল ফিলিস্তিনি ও লেবাননের প্রতিরোধের সমর্থন করা। গত দুই দশক ধরে আরব বিপ্লব বিশেষত মিশরীয় বিপ্লব যা ইসরাইলের সহযোগীদেরকে পরাজিত করে কায়রোতে ক্যাম্প ডেভিডের সামরিক কর্তৃপক্ষকে হুমকি দেয় তা দমিয়ে রাখতেই এই উদ্যোগ। তারা দোহাকে সিরিয়া, লিবিয়া, ইয়েমেন বা আমেরিকান ঘাঁটির কারণে শাস্তি দিচ্ছে না।”
তিনি আরও বলেন “তারা ইরাক, লেবানন এবং গাজার যুদ্ধে আল জাজিরার সাক্ষ্যের জন্য তাদেরকে শাস্তি দিতে চাচ্ছে। ২০০৯, ২০১২ এবং ২০১৪ সালের ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের সমর্থন এবং ২০০০ ও ২০০৬ সালের লেবাননের প্রতিরোধে সমর্থনের জন্য শাস্তি দিতে চাচ্ছে। ২০১১ তে মুবারক পতনের জন্য এটি শাস্তি দিতে চাচ্ছে।”
“ম্যাকবেথ সিন্ড্রোমে ভুগছেন এমন একজন  ভয়ঙ্কর সামরিক কর্মকর্তা যিনি নিজ হাতে লেগে থাকা পুরনো রক্ত এখন নতুন রক্ত দিয়ে ধুয়ে ফেলতে চাচ্ছেন, এক কিশোর যে রাজা হওয়ার জন্য পাগল হয়ে আছে এবং আরেকজন যে সিংহাসন পাওয়ার জন্য যে কোন মূল্যে তার চাচাত ভাইকে অতিক্রম করতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী, এরা সবাই মিলে জেনেশুনেই জুনের ৫ তারিখ বেছে নিয়েছে ইসরাইলের সাথে অবিসংবাদিত কৌশলগত জোট গঠনের জন্য।”
চূড়ান্ত ভুল হিসাব? কাতার গাজা নয়। বড় সেনাবাহিনীর সাথে তার বন্ধুত্ব আছে, হিউস্টনের চেয়ে ছোট জনসংখ্যার দেশটির সার্বভৌম সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩৫ বিলিয়ন ডলার। এটি মধ্যপ্রাচ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের বৃহত্তম উৎপাদক। এক্সনের সঙ্গে তার একটি সম্পর্ক আছে। ওয়াশিংটনে সৌদি আর আমিরাতই একমাত্র খেলোয়াড় নয়। এমনকি গাজাও অবরোধের হাত থেকে বেঁচে আছে।
সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর। ডেভিড হার্স্ট মিডল-ইস্ট-আই এর সম্পাদক-প্রধান। তিনি দ্যা গার্ডিয়ানের বিদেশি লেখকদের প্রধান ছিলেন।



 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ছিচকে চোর থেকে মাদক সম্রাট!

সুপারমডেল থেকে মাতৃসেবায়

বোতলে ভরা চিঠি সমুদ্র ফিরিয়ে দিল ২৯ বছর পর!

কার সমালোচনা করলেন বুশ, ওবামা!

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ

জুমের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেনা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা

স্বাধীনতা নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে যাচ্ছে কাতালান

অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে ১৮শতাব্দীর বাংলা পুঁথি

হারভে উইন্সটেন যেভাবে হোটেলকক্ষে অভিনেত্রীকে যৌন নির্যাতন করেন

আজও সারাদিন বৃষ্টি

ভারতের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ পলিসির মূল স্তম্ভ হলো বাংলাদেশ

ভর্তি পরীক্ষায় ‘র‌্যাগের’ বিরুদ্ধে রাবি প্রশাসনের কঠোর অবস্থান

‘এই ধরনের কাজ করতে আমি সবসময়ই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি’

মসজিদে গুলি ছোড়ার পর পাল্টে গেল এক মার্কিনীর জীবন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির মচ্ছব

দৃশ্যপট একই