অরক্ষিত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষাঙ্গন

বেরোবি প্রতিনিধি | ৫ জুন ২০১৭, সোমবার
বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেড়েছে ছিনতাই-চাঁদাবাজির ঘটনা। প্রায়ই বহিরাগতরা নানান অপরাধমূলক কর্মকান্ড ঘটিয়ে নির্বিঘেœ চলে যাচ্ছে। দিনে-দুপুরে মটরসাইকেল, সাইকেল চুরির ঘটনা যেন স¦াভাবিক হয়ে দাড়িয়েছে। এ কারণে বেরোবি ক্যাম্পাস রয়েছে অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায়।
ক্যাম্পাসে অসামাজিকতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ^বিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেন যেন মাদকসেবীদের অভয়ারণ্য। আর এই গার্ডেনেই সংঘটিত হচ্ছে অধিকাংশ অপরাধমূলক কর্মকান্ড। সন্ধ্যার পরেই বোটানিক্যাল গার্ডেনে বেড়ে যায় মাদকসেবীদের আড্ডা। মাদকসেবীরা বিশ^বিদ্যালয়ের একটি ক্ষমতাসীন মহলের প্রশ্রয়ে ক্যাম্পাসে অবাধে প্রবেশ করছে বলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি সূত্র জানায়।
গত কয়েক মাসে প্রায় ৮/১০ টি সাইকেলÑমটরসাইকেল ক্যাম্পাস থেকে চুরি হয়েছে। আবাসিক হলগুলোতে চুরির ঘটনা যেন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিনত হয়েছে। পুলিশ ফাঁড়িতেও বাড়ছে সাধারন ডায়েরীর (জিডি) পরিমাণ। তারপরেও যেন বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নির্বিকার। সাইকেল হারানো এক শিক্ষার্থী জানায়, আমি কয়েকদিন আগে একাডেমিক ভবন-২ এর নিচে সাইকেলে তালা দিয়ে ইনকোর্স পরীক্ষা দিতে যাই। মাত্র এক ঘন্টার ব্যবধানে এসে দেখি সাইকেল নেই। এর আগে রাত ১ টার দিকে আবাসিক হলের এক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে প্রবেশের পর ছিনতাইয়ের কবলে পড়েন। ঘটনার শিকার ঐ শিক্ষার্থী জানায়, আমি ক্যাম্পাসের  কৃষ্ণচূড়া রোড দিয়ে বঙ্গবন্ধু হলের দিকে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ কয়েকজন ছিনতাইকারী এসে মূহুর্তের মধ্যেই আমার মোবাইল ও টাকা নিয়ে যায়। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রক্টর মীর তামান্না সিদ্দিকা বলেন, আসলে এই ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ না করলে আমি জানবো কি করে? এখন জানলাম। আমি পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়গুলো জানাবো। তারা যেন এই ব্যাপারগুলোতে বেশি সতর্ক থাকেন। গত ৫ই মে বিশ^বিদ্যালয়ের তৃতীয় ভিসি অধ্যাপক ড. এ কে এম নুর-উন-নবী‘র মেয়াদ শেষ হয় এবং ১লা জুন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে নিয়োগ প্রদান করলেও নানাবিধ কারনে তিনি এখনও ক্যাম্পাসে আসতে পারেননি।

 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন