জেলা ফুটবল চাঙ্গা করার উদ্যোগ

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ২০ মে ২০১৭, শনিবার
প্রিমিয়ার ফুটবল লীগের স্বত্ব কেনা আছে। এরই সঙ্গে নিচের দিকের লীগের স্পন্সরও সাইফ পাওয়ারটেক। এবার তারা জেলা ফুটবল লীগের দিকে তাকাতে চাইছে। আজ সন্ধায় জেলাগুলোর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসতে যাচ্ছেন সংস্থাটির কর্ণধার তরফদার রুহুল আমিন।  হোটেল পূর্বাণীর দিলকুশা হলে সন্ধ্যা সাতটায় আ জ ম নাছিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় দেশের ডিএফএ’র কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। জানা গেছে, দেশব্যাপী ফুটবলের জাগরণ তৈরি করতে ডিএফএ’র পাশে থাকতে চেয়েছেন তরফদার। গতকাল এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে এর বিস্তারিত দিক তুলে ধরেছেন এই কর্মকর্তা। শুরুতে বলেছেন, ‘নির্বাচনের সময় কাজী সালাউদ্দিন প্যানেলের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলাম। তখন প্রতিশ্রুতি ছিল-বিএসএল’র পক্ষ থেকে প্রতিটি জেলাকে লীগ করার জন্য ২ লাখ টাকা করে দেয়া হবে। গতবছরে বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকটি জেলাকে সহায়তা করেছিলাম। কিন্তু তা ঠিকভাবে মনিটরিং করা যাচ্ছে না। এজন্যই ডিএফএগুলোর সঙ্গে বসতে যাচ্ছি।’ জেলা ফুটবল চাঙ্গা করাই মূল উদ্দেশ্য, তা বলতে ভুল করলেন না তিনি, ‘টাকা-পয়সার অভাবে জেলাগুলো ঠিকঠাক লীগ করতে পারছে না, সেটা আমি জানি। তাছাড়া আমিও চাই জেলা ফুটবলকে চাঙ্গা করতে। তৃণমূল থেকে কাজ না হলে বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়ন সম্ভব নয়।’
বাফুফের সভাপতির নির্বাচনকালীন অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল জেলাগুলো অর্থ সহায়তা দেয়ার। কিন্তু গেল একটি বছরে তা হয়নি। এই বিষয়ে তরফদার রুহুল আমিন বলেছেন,‘এ ব্যাপারে আসলে বাফুফেই ভাল বলতে পারবে। কারণ নির্বাচন হওয়া পর্যন্ত এই প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছি। এরপর তো আমি নির্বাহী কমিটির কোনো পার্ট নই। ইশতেহারটা সকলে মিলেই করেছিল। এ অনুযায়ী বাফুফে কি করবে সেটা তারাই বলতে পারবে। তবে বাফুফেরও কিছু আর্থিক সীমাবদ্ধতা আছে। আমার বিশ্বাস তারাও তাদের প্রতিশ্রুতি রাখবে।’ বাফুফের কোন কমিটিতে না থেকেও উদ্যোগী হলেন কেন। জবাবে তার উত্তর, ‘আমাদের ফুটবলের পাইপলাইন বলতে কিছু নেই। জেলাগুলোতে খেলা হয় না নিয়মিত। ঢাকায় গত তিন বছরে মহানগরী লীগগুলোও ঠিকভাবে হয়নি। এই ভাবে চলতে থাকলে নতুন খেলোয়াড় আসবেই বা কিভাবে? নির্বাচিত হয়ে ফেডারেশনে থাকলেও ফুটবল নিয়ে কাজ করা যায়, না থাকলেও করা যায়। আমি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সেটা আমি রক্ষা করতে চাই। এটা দেখে অন্যান্য বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানও তো এগিয়ে আসতে পারে ফুটবল উন্নয়নে।’ প্রস্তাবিত বিএসএল নিয়ে হতাশ তিনি,‘বিএসএল ইস্যুতে আমি ডেফিনিটলি হতাশ। কারণ আমরা ইতিমধ্যে বিএসএল-এর জন্য অনেক টাকা-পয়সা খরচ করে ফেলেছি। অথচ বাফুফের চার বছরের যে ক্যালেন্ডার দিয়েছে সেখানে কোথাও বিএসএল নেই। এটা নিয়ে বাফুফের আন্তরিকতা প্রশ্নবিদ্ধ। বাফুফে এবং সরকারের সমান ভাবে আন্তরিক না হলে এটা কখনই হবে না। তারপরও আমি আশা ছাড়ছি না। ২০১৮-তে না হোক ২০১৯ বিএসএল আয়োজন করতে চাই।’


 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

যুদ্ধ নয় আলোচনায় সমাধান

সিইসি’র বক্তব্য কৌশল হতে পারে

আড়াই ঘণ্টা আলোচনার পর হঠাৎ সংলাপ বয়কট

বর্মী সেনা কর্মকর্তাদের ওপর ইইউ’র নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে দিল্লি

কাল ফিরছেন খালেদা ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি

সিলেটে সেক্রেটারি গ্রুপের হাতে ছাত্রলীগ কর্মী নিহত

চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের দুই শিক্ষার্থী ফাঁদে

‘আসিয়ানে চাপ বাড়ালেই রোহিঙ্গাদের ফেরানো সম্ভব’

এক দিনেই ঢুকলো ২০ হাজার রোহিঙ্গা

ডাকসু’র খোঁজ নিলেন প্রেসিডেন্ট

হেয়ার রোডে ১২ দিন

রাশিয়ায় আইপিইউ সম্মেলনে এমার্জেন্সি আইটেম রোহিঙ্গা ইস্যু

রাধিকাপুর চেকপোস্ট সাময়িক বন্ধ

হাত কেটে তিমি আঁকার 'ভিডিও উদ্ধার'

ঢাকনাযুক্ত যানে রাতের বেলায় বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ