চীনের ‘কৌশলগত দূরদৃষ্টি’র মূলে এশিয়া

দেশ বিদেশ

ল্যারি জ্যাগান | ২০ মে ২০১৭, শনিবার
চীনের ‘স্ট্রাটেজিক ভিশন’ বা ‘কৌশলগত দূরদৃষ্টি’-‘এক অঞ্চল এক সড়ক’ (ওবিওআর) এগিয়ে নিতে বেইজিংয়ে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন সবেমাত্র শেষ হয়েছে। ১৪-১৫ই মে অনুষ্ঠিত দুদিনব্যাপী সম্মেলনে ১৩০টি দেশের প্রতিনিধি ও ২৯টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানরা যোগ দেন। মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সাং সু চিসহ এশিয়ার বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ নেতার পাশাপাশি জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল ও বিশ্বব্যাংকের প্রধানরাও এতে যোগ দিয়েছেন।
তবে, ভারত কোনো সরকারি প্রতিনিধি বেইজিং পাঠাতে রাজি হয়নি। কারণ, বিতর্কিত কাশ্মির ভূখ-ের ওপর দিয়ে চীন ৫৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে যে করিডোর [চীন পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) নির্মাণ করছে তাতে ভারত অসন্তুষ্ট। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গোপাল বাগলে বলেছেন, ‘তার সার্বভৌমত্ব ও ভূখ-গত অখ-তার মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগগুলো আমলে নেয়া হবে না- এমন কোনো প্রকল্প কোনো দেশ মেনে নিতে পারে না।’
স্বাগতিক চীনারা এই নতুন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অর্থনৈতিক মূল্যের ওপর জোর দিতে আগ্রহী ছিল। যদিও এই প্রকল্প তাদের ‘সফট পাওয়ার’ বা নমনীয় শক্তি অনেক বাড়িয়ে দেবে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, ‘আমাদের সহযোগিতার একটি উন্মুক্ত মঞ্চ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেই সঙ্গে একটি মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতিকে সমর্থন দিয়ে তা এগিয়ে নিতে হবে।’
এরপর প্রেসিডেন্ট শি তার নতুন সিল্ক রোড পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ১২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচের প্রতিশ্রুতি দেন। এই প্রতিশ্রুতি আগে দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর অতিরিক্ত। ওইসব প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে সিল্ক রোড তহবিলের ১৪.৫০ বিলিয়ন ডলার (১০০ বিলিয়ন ইউয়ান), এশিয়া ইনফ্রাস্ট্রাকটার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) এর জন্য ৫৫.২০ বিলিয়ন ডলার (৩৮০ বিলিয়ন ইউয়ান) এবং নতুন বাণিজ্য পথের মধ্যে থাকা উন্নয়নশীল দেশ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার জন্য ৮.৭ বিলিয়ন ডলার (৬০ বিলিয়ন ইউয়ান) সহায়তা। এছাড়া প্রেসিডেন্ট শি বলেন, চীন তার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈদেশিক ইউয়ান ব্যবসা ৪৩.৫ বিলিয়ন ডলার (৩০০ বিলিয়ন ইউয়ান)-এ উন্নীত করতে উৎসাহিত করবে।
সম্মেলনে চীনা প্রেসিডেন্ট উদ্যোক্তা সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার ও সংরক্ষণবাদ প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘অঞ্চল ও সড়ক উদ্যোগ’র মধ্যদিয়ে চীন একটি অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনের চেষ্টা করছে, রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এর কোনো উদ্দেশ্য নয়।
‘অঞ্চল ও সড়ক উদ্যোগ’ (বিআরআই)-এর সরকারি প্লাটফর্ম হলো- ‘অঞ্চল ও সড়ক ফোরাম’ (বিআরএফ)। মূলত মধ্য এশিয়াকেন্দ্রিক ‘সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট’ ও ‘একবিংশ শতকের মেরিটাইম সিল্ক রোড’ নিয়ে এই উদ্যোগ। মেরিটাইম সিল্ক রোডের উদ্দেশ্য হলো চীন থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া এবং আফ্রিকার পূর্ব উপকূল পর্যন্ত বন্দরগুলোকে একই সুতায় গাঁথা।
থাইল্যান্ডের উদ্যোগে ‘ইস্টার্ন ইকোনমিক করিডোর’ (ইইসি)-এর মতো আঞ্চলিক সংযোগগুলোকেও বিআরআই-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে। সম্প্রতি হংকং ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ব্যবসায়ীদের এক সম্মেলনে থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রী সমকিদ জাতুসরিপিতাক বলেছেন, থাইল্যান্ড-চায়না রেল সড়ক প্রকল্পের মাধ্যমে ওবিওআর-এর সঙ্গে ইইসি যুক্ত হবে। এ রেল সড়ক প্রকল্প ভিয়েতনাম, লাওস ও চীনের কুনমিংকে সংযুক্ত করবে।
একইভাবে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সঙ্গে পরিবহন সংযোগ সৃষ্টিও চীনা পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ লক্ষ্যে ২০১৩ সালে ‘বাংলাদেশ, চীন, ভারত ও মিয়ানমার’ (বিসিআইএম) কানেকটিভিটি পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। উপরোক্ত চারটি দেশের মধ্যে সমন্বিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এর প্রধান লক্ষ্য হবে। এ রুট চীনের কুনমিংকে মিয়ানমারের মান্দালে ও বাংলাদেশের ঢাকার মধ্য দিয়ে ভারতের কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করবে। এর একটি রুট বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরকেও যুক্ত করবে।
তবে এ প্রকল্পের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত মিয়ানমার। কারণ বিআরআই-এর গুরুত্বপূর্ণ বন্দর কাইয়্যুকফিউ বন্দর বঙ্গোপসাগরের উপকূলে অবস্থিত। এ বন্দর চীনকে ভারত মহাসাগরে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভূ-অর্থনৈতিক সুবিধা দেবে। এ বন্দরকে ঘিরে অবকাঠামো গড়ে তুলতে চাচ্ছে চীন।
চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের সার্বিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কাইয়্যুকফিউ বন্দর কৌশলগতভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ অঞ্চলের তেল ও গ্যাসক্ষেত্রগুলো সবেমাত্র উৎপাদন শুরু করেছে। কাইয়্যুকফিউ থেকে কুনমিং পর্যন্ত সড়ক ও রেল যোগাযোগ গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে একটি গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে চীনের। এ অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য দেশটি এর ৭০ শতাংশ মালিকানা চায়।
বেইজিং সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ৬৮টি দেশের প্রতিনিধিরা চীনের সঙ্গে ‘অঞ্চল ও সড়ক সহযোগিতা চুক্তি’তে সই করেন। এ সম্মেলনের মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বের দ্বিতীয় পরাশক্তি হিসেবে চীনের আনুষ্ঠানিক অভিষেক হলো। এতদিন বেইজিং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তি বিনয়ের সঙ্গে তুলে ধরেছে। বহু বছর ধরে তারা নিজেদেরকে উন্নয়নশীল বিশ্বের নেতা হিসেবে উল্লেখ করে আসছে।
‘বিআরআই’ মূলত চীনের নেতৃত্বে এশিয়ায় বাণিজ্য ও উন্নয়নকে বেগবান করতে চায়। বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, রাশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকাকে ঐক্যবদ্ধ করার আশা এর। কিন্তু একই সঙ্গে এটি বিশ্বব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনও ঘটাবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নামক সংরক্ষণবাদী নীতির ফলে ক্ষমতার যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে চীন মরিয়া হয়ে তা পূরণের চেষ্টা করছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন।
বেইজিং সম্মেলন মূলত চীনের আগামী দিনগুলোর জন্য। ওবিওআর প্রকল্পের কাজ আরো আগে থেকে শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালে প্রথম এই ধারণা প্রকাশ করেন। তখন থেকে এটি চীনের অর্থনৈতিক উত্থানের সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছে। সম্পদের আরো উৎস ও বাজারের জন্য দেশটির এটা অনেক বেশি প্রয়োজন। বেইজিংকে শক্তির কেন্দ্রে রেখে এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কানেকটিভিটি ও সহযোগিতা জোরদার করা এর মূল লক্ষ্য।
এশিয়ান অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি)- এ মূলধন হিসেবে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেয়ার পর চীন ৪০ বিলিয়ন ডলারের সিল্ক রোড তহবিল গঠন করে। চায়না ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব চায়নার মতো চীনের অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ওবিওআর’ভুক্ত দেশগুলোকেও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য টাকা ধার দেবে।
এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পের পুরোপুরি ক্ষমতা কেবল সাধারণভাবে অনুমান করা হচ্ছে। তবে এটা ঠিক এটি একটি অর্থনৈতিক কাঠামো। এর আওতায় চীনের সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট প্রকল্পকে মেরিটাইম সিল্ক রোডের সঙ্গে যুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে ইউরোশিয়া অঞ্চলের ঐতিহাসিক সিল্ক রোডভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে চীন সংযোগ জোরদার করতে চায়। পাশাপাশি এশিয়া থেকে দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকা পর্যন্ত একটি নতুন সিল্ক রোড তৈরি করা হচ্ছে।
এ প্রকল্পের একটি অংশের লক্ষ্য চীন ও ইউরোশিয়ার মধ্যে বৃহত্তর বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে তোলা। এগুলোর মধ্যে বন্দর, মহাসড়ক ও রেললাইনের মতো অবকাঠামো রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে প্রস্তাবিত এ বাণিজ্য সংযোগের আওতায় বিশ্ব জনসংখ্যার ৬৫ ভাগ চলে আসবে। বিশ্ব জিডিপি’র এক-তৃতীয়াংশ এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতির সব ধরনের পণ্য ও সেবার এক-চতুর্থাংশ এ অঞ্চলে।
কিন্তু চীনের ভিশন ও কৌশলের যে সমালোচনা হচ্ছে না তা কিন্তু নয়। অনেকের বিশ্বাস, ক্ষীণভাবে হলেও এই প্রকল্পের মধ্য দিয়ে চীনের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ইচ্ছার প্রকাশ ঘটেছে। তারা বলছে যে, বিশেষ করে মধ্য এশিয়ার অনুন্নত দেশগুলোর কাছে ওবিওআর অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর তেমন কোনো চাহিদা নেই। কিন্তু চীন এমনভাবে প্রকল্পটিকে বিস্তৃত করছে যেন বিশেষ করে কৌশলগত ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোয় তার রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পায়।
মিয়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডেও এ ধরনের কিছু সমালোচনা শোনা যায়। সেখানে নির্মাণাধীন রেল ও সড়ক যোগাযোগ প্রকল্পের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ হচ্ছে। তৃণমূল পর্যায়ের কমিউনিটি নেতারা চীনা অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিচ্ছে। কারণ, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রচুর ভূমি প্রয়োজন।
নতুন সমুদ্র পথের মাধ্যমে বাকি এশিয়ার সঙ্গে চীনের সংযোগ প্রতিষ্ঠা হলে তা এ অঞ্চলে চীনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতাও লক্ষণীয় মাত্রায় বাড়িয়ে দেবে।
যেমন, মিয়ানমারের দক্ষিণাঞ্চলে কাইয়্যুকফিউ, মুলমেইন ও দাউয়্যি বন্দরগুলোর উন্নয়ন ঘটানো গেলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল আমদানির জন্য চীনের অর্থ ও সময় দুটোই বেঁচে যাবে। থাইল্যান্ডের পাশ দিয়ে একটি খাল বা থাইল্যান্ডের মধ্য দিয়ে একটি সড়ক নিশ্চিতভাবে চীনের জন্য আফ্রিকা ও মধ্য প্রাচ্য থেকে তেল আমদানির জন্য হবে সবচেয়ে নিরাপদ রুট। বর্তমানে চীনের চাহিদার ৬০ শতাংশ জ্বালানি তেল আমদানি হয় মালাক্কা প্রণালি দিয়ে। ভবিষ্যতে চীন এ পথ এড়িয়ে যেতে চাচ্ছে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চীন মালাক্কা প্রণালি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই তেল আমদানি ও ভোক্তা পণ্য রপ্তানির জন্য তারা মরিয়া হয়ে বিকল্প পথ খুঁজছে। ওবিওআর আসলে একটি আন্তর্জাতিক কমিউনিটি প্রকল্প, যার নেতৃত্ব দিচ্ছে চীন। তারা যদি বিশেষভাবে এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোকে এ প্রকল্পে অংশগ্রহণের ব্যাপারে রাজি করাতে পারে তাহলে চীনের এই ‘কৌশলগত দূরদৃষ্টি’ একটি শুভশক্তি হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে। বিআরআই তখন বৈশ্বিক বাণিজ্য জোরদার, শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠাকে শীর্ষ আন্তর্জাতিক এজেন্ডায় পরিণত করতে একটি ভালো পরিবহনের কাজ করবে।
চীনের ‘ভিশন ও নমনীয়তা’র প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নওয়াজ শরীফ ও চীনা প্রেসিডেন্টের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী। শরীফ বলেন, অর্থনৈতিক অংশিদারিত্ব ও বিনিয়োগের এত বিশাল এক আয়োজন ইতিহাসে নজিরবিহীন। অন্যদিকে থাই উপমন্ত্রী সমকিদ জাতুসরিপিতাক বলেন, চার বছর আগে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেয়া ওবিওআর কৌশল এখন অর্থবহ সুফলের হাতছানি দিচ্ছে। চীনের বাইরে অনেক দূর পর্যন্ত এর প্রভাব অনুভূত হবে।
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক বাণিজ্যনীতি বদলে ফেলা থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়া বিশ্বকে এক নতুন অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। এগুলো বিশ্বের উদার নীতিগুলোর জন্য পর্বতপ্রমাণ চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।’
এই ‘এক অঞ্চল এক সড়ক’ বিশ্বের জন্য এক নতুন আশাবাদ জাগিয়ে তুলেছে।
লেখক ইয়াংগুনভিত্তিক সাংবাদিক এবং মিয়ানমার বিশেষজ্ঞ। মিয়ানমার বিষয়ক বেশ কয়েকটি বই এবং গবেষণা প্রবন্ধ লিখেছেন তিনি। ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি এশিয়া অঞ্চলের ওপর লেখালেখি করছেন। প্রায় এক যুগ তিনি ছিলেন বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের এশিয়া বিষয়ক সম্পাদক।
সূত্র:  সাউথএশিয়ানমনিটর

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ব্রাজিল ফুটবলের প্রধান ৯০ দিন নিষিদ্ধ

ঝিকরগাছায় ছাত্রলীগ কর্মী খুন, সড়ক অবরোধ

উৎসবের আমেজে সারাদেশ

জনগণের দেয়া রায় মেনে নেবে বিএনপি: ফখরুল

কংগ্রেস সভাপতি পদে রাহুল গান্ধীর আনুষ্ঠানিক অভিষেক

দুই নারীর একজন স্বামী, অন্যজন স্ত্রী

আ’লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫

নওগাঁয় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

গার্মেন্টে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত করছে এইচ অ্যান্ড এম

নাশকতার অভিযোগে ২০ শিবিরকর্মী আটক

বিএনপির বিজয় র‌্যালিতে যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলা

বিজয় উৎসব পালন করতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ মুক্তিযোদ্ধাসহ আহত ৯

আমৃত্যু এক যোদ্ধার কথা

ছাত্রদলের পুষ্পস্তবক ছিঁড়লো ছাত্রলীগ

বঙ্গবন্ধুর গৃহবন্দি পরিবারকে যেভাবে উদ্ধার করেছিলেন কর্নেল তারা

ভারতে তিন তালাক বিরোধী খসড়া আইনে সরকারের অনুমোদন