আরব আমিরাতে শ্রমিক নিয়োগে মন্ত্রীর প্রত্যাশা

এক্সক্লুসিভ

মানবজমিন ডেস্ক | ১৯ মে ২০১৭, শুক্রবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:১৫
বাংলাদেশি নতুন শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত শিগগিরই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ। আবুধাবিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবসম্পদ ও আমিরাতিকরণ বিষয়কমন্ত্রী সাকর গোবাশের সঙ্গে বৈঠকের পর এমন আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের বৈদেশিক শ্রমকল্যাণ ও কর্মসংস্থান বিষয়কমন্ত্রী নূরুল ইসলাম। এ খবর দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনলাইন দ্য ন্যাশনাল। এতে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বর্তমানে বিভিন্ন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন ৭ লাখ বাংলাদেশি। কিন্তু ২০১২ সালে আরব আমিরাত বাংলাদেশি নতুন শ্রমিক নিয়োগে ভিসা বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানিতে চাকরি বদল করে যাওয়া বন্ধ করে দেয়া হয়।
বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগে ভিসা দেয়া বন্ধ করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ভিসা নবায়নের জন্য ফি পরিশোধে বাধ্য করে শ্রমিকদের। আরব আমিরাতে পড়াশোনা করে এমন বাংলাদেশি ছাত্রদের জন্য কোনো কাজে যোগ দেয়াও বন্ধ দেয় কোম্পানিগুলো। এ বিষয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক শ্রম কল্যাণ ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সচিব বেগম শামসুন নাহার বলেছেন, ৫ বছর ধরে বাংলাদেশিদের ভিসা বন্ধ রাখায় আমাদের জনশক্তি রপ্তানি হচ্ছে বিশেষত সৌদি আরব, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরে। তবে ওই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রীদের সঙ্গে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের সমঝোতামূলক আলোচনা চলছে। এরই প্রেক্ষিতে মন্ত্রী নূরুল ইসলাম বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে নতুন বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা শিগগিরই প্রত্যাহার হবে। সেখানে যে নিষেধাজ্ঞা বিদ্যমান আছে তার অধীনে সেখানে কর্মরত বাংলাদেশিরা কাজ করতে পারছেন। কিন্তু নতুন কোনো শ্রমিক সেখানে কাজের অনুমতি পাচ্ছেন না। মন্ত্রী নূরুল ইসলাম বলেছেন, আলোচনায় আমরা সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। তারা শিগগিরই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে ভিসা দেয়া শুরু করবেন বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলো সেখানে শ্রমিকদের ওপর নানা অনিয়ম করে। অনেক ম্যানেজার বাংলাদেশি শ্রমিকদের তাদের ভিসা নবায়ন ফি পরিশোধে বাধ্য করে।
তারা জানে যে, এসব শ্রমিকের অন্য কোথাও কাজে যোগ দেয়ার অনুমতি নেই। তাই তারা শ্রমিকদের বাধ্য করে। মন্ত্রী নূরুল ইসলাম ওই বৈঠকের পর বলেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রী আমাকে নিশ্চিত করেছেন যে, এ ইস্যুটি শিগগিরই সমাধান করা হবে। সমাধান হয়ে গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিতরে বাংলাদেশিরা এক কোম্পানি থেকে অন্য কোম্পানিতে চাকরি নিতে পারার বিষয়টি। তিনি আরো বলেন, আমিরাতের মন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সেখানকার কোম্পানিগুলো আরো বাংলাদেশি শ্রমিক নিতে আগ্রহী। তবে এক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো হয়নি। ওদিকে শ্রমিকদের দক্ষ করে তুলতে বাংলাদেশ সরকার ৭০টি প্রশিক্ষণ সেন্টার খুলেছে। বিনা ফিতে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেয়া হয় এক মাস।


 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সব স্কুলে ছাত্রলীগের কমিটি দেয়ার নির্দেশ

একতরফা নির্বাচন কোন নির্বাচনী প্রক্রিয়া নয়

‘অনুমোদনহীন বারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’

কি পেলাম কি পেলাম না সেই হিসাব মেলাতে আসিনি: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা ওয়াসাকে ১৩টি খাল উদ্ধারের নির্দেশ

এসডিজি অর্জন করতে হলে প্রতিবছর ৩০ শতাংশ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ বাড়াতে হবে

‘অনুপ্রবেশকারীদের ৫০০০ পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না’

‘ক্ষমতা থাকলে সরকারকে টেনে-হিচড়ে নামান’

আগামীকাল আদালতে যাবেন খালেদা জিয়া

‘সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই’

‘তদন্তের স্বার্থেই তনুর পরিবারকে ডাকা হয়েছে’

জিম্বাবুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ‘কুমির মানুষ’

আশ্রয়শিবিরে সংক্রমণযুক্ত পানির বিষয়ে ইউনিসেফের সতর্কতা

চীন, উত্তর কোরিয়ার ১৩ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ

রোহিঙ্গা সঙ্কট: উচ্চ আশা নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার বৈঠক শুরু

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের প্রস্তাব, যা বললেন মুখপাত্র...