মোস্তাফিজে তৃপ্তি মাশরাফির

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ১৮ মে ২০১৭, বৃহস্পতিবার
সাম্প্রতিক ক্রিকেটে স্বরূপে দেখা যাচ্ছিল না ইনজুরি ফেরত টাইগার পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে। তবে ত্রিদেশীয় সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে বল হাতে মোস্তাফিজের নৈপুণ্যটা ছিল ধারালো। ম্যাচে বল হাতে নৈপুণ্য দেখান অপর পেসার রুবেল হোসেনও। আর ম্যাচ হারলেও এতেই তৃপ্ত বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। বুধবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৪ উইকেটে হার দেখে বাংলাদেশ। ৯ ওভারের স্পেলে মাত্র ৩৩ রানে দুই উইকেট নেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। ম্যাচ শেষে মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেন,
‘আমরা মোটামুটি একটা স্কোর করেছিলাম। ২৬০ (আসলে ২৫৭) করে জেতা সবসময়ই কঠিন। সাকিব ভালো শুরু করলেও আমি পারিনি। তবে মোস্তাফিজ উইকেট নিয়েছে। রুবেলও ভালো বোলিং করেছে।’
এই ম্যাচ পেছনে রেখে মাশরাফির চোখ সামনে। বাংলাদেশ অধিনায়ক ত্রিদেশীয় সিরিজের বাকি দুটি ম্যাচ ভালো করে পা রাখতে চান ইংল্যান্ডে। মাশরাফি বলেন, ‘আমাদের ২০ রানের ঘাটতি ছিল। দ্রুত উইকেট নেয়াটা খুব দরকার ছিল। এমন উইকেটে ২৫০-৬০ করে জিততে হলে দ্রুত উইকেট নেয়া প্রয়োজন। আমাদের সেটা হয়নি। আমাদের এখনো দুই ম্যাচ বাকি। ভুলগুলো ঠিক করে নিতে পারব আশা করি।’
আগামীকাল ডাবলিনেই বাংলাদেশ খেলবে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। সিরিজে আয়ারল্যান্ড-বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচটি প- হয় বৃষ্টিতে। টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে যাওয়া বাংলাদেশ ইংনিংসের ৩১.১ ওভার শেষে বৃষ্টিতে বন্ধ হয়ে যায় খেলা। ওই সময় বাংলাদেশর সংগ্রহ ছিল ১৫৭/৪। অবিচ্ছিন্ন ৮৭ রানের জুটিতে ব্যাট করছিলেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল্লাহ। পরে ম্যাচ পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

ভবিষ্যৎ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আস্থা নেই বিএনপির

রুবির বক্তব্য আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ

মিয়ানমারকেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান করতে হবে

সর্বশেষ আসা রোহিঙ্গাদের মুখে নির্যাতনের বর্ণনা

হঠাৎই সব এলোমেলো

হারানো দুর্গ পুনরুদ্ধার করতে চায় বিএনপি

পাহাড়ে দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা

একই চিত্র জাকিরুলের বাড়িতে

মা এখনো জানেন না

ত্রাণ ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে বিমান বাহিনী

ফের কমলো স্বর্ণের দাম

লিবিয়ার আইএস ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান হামলা, নিহত ১৭

উল্টো পথে আবার ধরা সচিবের গাড়ি

ফের কমলো স্বর্ণের দাম

ছাত্রের হাতে শিক্ষক জখম

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ৮০ ভাগ নারী ও শিশু: কেয়ার