নারায়ণগঞ্জে ফোর মার্ডার

২৩ জনের ফাঁসি

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ থেকে | ১৮ মে ২০১৭, বৃহস্পতিবার | সর্বশেষ আপডেট: ১২:০১
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের আলোচিত ও নৃশংস ফোর মার্ডার মামলার রায়ে ২৩ আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কামরুন নাহার এ আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় এ মামলায় মোট ২৩ আসামির মধ্যে ১৯ জন আদালতে উপস্থিত ছিল এবং ৪ জন পলাতক রয়েছে।
আদালতে উপস্থিত ১৯ আসামিরা হলো- মামলার প্রধান আসামি আবুল বাশার কাশু, ডালিম, ইয়াকুব আলী, রফিক, হালিম, রুহেল, শাহাবুদ্দিন, লিয়াকত আলী মাস্টার, সিরাজ উদ্দিন, ইদ্রিস আলী,  মোহাম্মদ হোসেন, আবুল কালাম, আহাদ আলী, ইউনুছ আলী, জহির উদ্দিন, ফারুক হোসেন, গোলাম আযম, আব্দুল হাই ও খোকন। এ মামলায় পলাতক রয়েছে আল-আমিন, রুহুল আমিন, তাজুল ইসলাম ও হারুন।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জাসমীন আহমেদ জানান, আসামিদের দোষ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ২৩ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন।
 আসামি পক্ষের আইনজীবী বারী ভূঁইয়া ও খোরশেদ আলম মোল্লা বলেন, আমরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আপিল করার ব্যাপারে আসামিদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
ফোর মার্ডার মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম বলেন, ২০০২ সালের ১২ই মার্চ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় জালাকান্দির মৃত আজগর আলীর ছেলে ও বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের আপন ছোট ভাই স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী বারেক, তার ফুফাতো ভাই একই এলাকার শরাফত আলীর ছেলে বাদল এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা একই এলাকার মমতাজউদ্দিনের ছেলে কবিরকে স্থানীয় একটি টেক্সটাইল মিলের সামনে থেকে ধরে নিয়ে যায়। একই সময় আবদুল্যাহকান্দির শুকুর আলীর ছেলে ফারুককেও তার নিজ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় সমাজকল্যাণ অফিসের পরিত্যক্ত দালানের একটি কক্ষে আটক করে মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরতা চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের এই ঘটনা ঘটানো হয়।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে শফিকুল বলেন, নিহত চারজনকে ডেকে নিয়ে প্রথমে কাঠ দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়।
পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের ওপর মধ্যযুগীয় বর্বরতা চালানো হয়। খুনিরা তাদের ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে দেয়, পুরুষাঙ্গ কেটে দেয় এবং ব্লেড দিয়ে পায়ের রগ  কেটে দেয়। এসময় পানি খেতে চাইলে খুনিরা তাদের মুখে প্রস্রাব করে দেয়। পরে বারেক ঘটনাস্থলেই মারা যান। ফারুক, কবির ও বাদলকে উদ্ধার করে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে তারা মারা যান।
মামলার বাদী শফিকুল বলেন, রায়ে আমি সন্তুষ্ট। তবে রায় দ্রুত কার্যকরসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বৃদ্ধা মিলু গোমেজ হত্যায় কেয়ারটেকার গ্রেপ্তার

ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানিতে আন্তর্জাতিক আইনজীবী নিয়োগের আবেদন

বিএনপি প্রার্থীকে প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ

চবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ডাক

‘নির্বাচনে না আসলে বিএনপির অস্তিত্ব বিপন্ন হবে’

নিখোঁজ প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার

মালিবাগে গুদামে আগুন

ওয়ালটনে প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম মারা গেছেন

সাবেক প্রক্টর কারাগারে, প্রতিবাদে অবরুদ্ধ চবি

মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে ১১ জনের মৃত্যু

‘বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা’

লেবাননে বৃটিশ কূটনীতিককে শ্বাসরোধ করে হত্যা

বিমানে দেখা এরশাদ-ফখরুলের

ছিনতাইকারীর টানাটানিতে মায়ের কোল থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

‘উন্নয়ন কথামালায়, মানুষ কষ্টে আছে’

সারা দেশে বিএনপির প্রতিবাদ কর্মসূচি আগামীকাল