যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে না ইউরোপের একটি দেশ

দেশ বিদেশ

মানবজমিন ডেস্ক | ১৮ মে ২০১৭, বৃহস্পতিবার
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বন্ধ করে দিতে পারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি দেশ। ওই দেশটির একজন শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তা এমন পূর্বাভাস দিয়েছেন। দেশের নাম ও নিজের নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেছেন, যদি দেখা যায় রাশিয়ার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করেছেন তাহলে তার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিতে পারে। তিনি বলেছেন, এ অবস্থায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করা আমাদের সোর্সের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যতই বলা হোক রাশিয়ার সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করার এক্তিয়ার রয়েছে প্রেসিডেন্টের তাতে কিছু এসে যায় না।
তাই তার দেশ ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে না। উল্লেখ্য, রাশিয়ার কাছে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে প্রথম রিপোর্ট করে ওয়াশিংটন পোস্ট। এ রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর প্রথমেই প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউস বিষয়টি অস্বীকার করে। রাশিয়ার কাছে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের বিষয়টি তারা যে বেমালুম অস্বীকার করে এর মধ্যেই এক ধরনের হুঁশিয়ারি আছে। প্রথমে তারা অস্বীকার করলেও মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বীকার করেছেন তার এমন এক্তিয়ার রয়েছে। এর অর্থ তিনি রাশিয়ার সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করেছেন। ধারাবাহিক টুইটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার কর্মকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। একই সঙ্গে ওইসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেন, যারা মিডিয়ার কাছে এসব তথ্য সরবরাহ করেছেন। এক টুইটে তিনি লিখেছেন, আমার ‘অ্যাবসল্যুট অধিকার’ আছে বলেই রাশিয়ার সঙ্গে আমি (তথ্য) বিনিময় করতে চেয়েছি। সন্ত্রাস ও বিমান চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে তথ্য বিনিময় হয়েছে। উপরন্তু আমি চেয়েছি আইসিস ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রাশিয়া তাদের পদক্ষেপ জোরালো করুক। ওয়াশিংটন পোস্ট রিপোর্ট করেছে যে, গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ও রাষ্ট্রদূত সের্গেই কিসলায়েকের সঙ্গে বৈঠকের সময় আইসিসের হুমকি সংক্রান্ত স্পর্শকাতর তথ্য বিনিময় করেছেন ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যের একটি তৃতীয় একটি দেশ থেকে এসব গোয়েন্দা তথ্য যুক্তরাষ্ট্রকে সরবরাহ করা হয়েছিল। এ তথ্যকে যুক্তরাষ্ট্রে অত্যন্ত গোপনীয় হিসেবে কোডভুক্ত করা হয়েছিল। সেই তথ্য রাশিয়ার সঙ্গে শেয়ার করায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে সর্বত্র। ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্টে বলা হয়, পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলা হয় যে, তিনি প্রটোকল ভঙ্গ করেছেন। এরপর হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএ এবং গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’কে ফোন করেন, যাতে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়। কিন্তু এসব রিপোর্টকে থোড়াই কেয়ার করে হোয়াইট হাউস। পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়। ক্রেমলিন থেকে এমন রিপোর্টকে পুরোপুরি ‘ননসেন্স’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকানের শক্তিশালী ও সিনিয়র নেতা, সিনেটর জন ম্যাককেইন রিপোর্টকে গভীর উদ্বেগজনক বলে আখ্যায়িত করেন।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

শিক্ষিকা-ছাত্রের যৌন সম্পর্ক, অতঃপর...

রাবি অপহৃত ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার

‘সমাবেশে জোর করে লোক আনা হয়েছে’

যুদ্ধাপরাধের ২৯তম রায়ের আপেক্ষা

ঈদে মিলাদুন্নবী নিয়ে চাঁদ দেখা কমিটির সভা কাল

সিরিয়া ইস্যুতে আবারো রাশিয়ার ভেটো

হারিরির সৌদি আরব ত্যাগ

ঢাকায় চীন-বাংলাদেশ বৈঠক শুরু

প্যারাডাইস পেপারসে শিল্পপতি মিন্টু ও তার পরিবারের নাম

ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে আসছে রোহিঙ্গারা, ইউএনএইচসিআরের উদ্বেগ

নৌকায় বসেই ভাষণ দেবেন শেখ হাসিনা

ইবিতে ছাত্রদল-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ-ভাংচুর

নিজ দলে বিদ্রোহ, আজ মুগাবের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ

ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

ইরাক ও ইসরায়েল সুন্দরী একসঙ্গে সেলফি তুলে বিপাকে

‘বিএনপিকে দূরে রেখে নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে’