ফেসবুক নিষিদ্ধের হুমকি থেকে পিছু হটলো থাইল্যান্ড

এক্সক্লুসিভ

মানবজমিন ডেস্ক | ১৭ মে ২০১৭, বুধবার
রাজপরিবারের সমালোচনামূলক পোস্ট সহ ‘অবৈধ কনটেন্ট’ অপসারণ না করলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে থাইল্যান্ডে নিষিদ্ধ করার হুমকি দিয়েছিল দেশটির কর্তৃপক্ষ। তবে দেশটি ওই হুমকি থেকে সরে এসেছে। এ খবর দিয়েছে ফেসবুক। খবরে বলা হয়, থাইল্যান্ড থেকে ফেসবুকের ১৩১টি পেজ মুছে দিতে মঙ্গলবার সকাল ১০টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু মঙ্গলবারে ফেসবুক ও ওই ১৩১টি পেইজে থাইল্যান্ড থেকে ঢোকা যাচ্ছিল।
কর্তৃপক্ষ বলেছে, আদালতের নির্দেশ ফেসবুকের কাছে সময়মতো পৌঁছানো হয়নি। তাই আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে তারা।
গত সপ্তাহে এই হুমকি দিয়েছিল থাই কর্তৃপক্ষ। ১৩১টি পেজের এক-তৃতীয়াংশই থাইল্যান্ডের কড়া রাজদ্রোহ-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করেছে বলে ভাবা হয়। এই আইনানুযায়ী থাই রাজ পরিবারের অবমাননা করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অবশিষ্ট পেজগুলো পর্নোগ্রাফি, ফিশিং প্রতারণা ও জুয়াসহ বিভিন্ন অবৈধ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে চিহ্নিত করেছে দেশটি। গতকাল সকালের ওই ডেডলাইন অতিক্রান্ত হওয়ার পর থাইল্যান্ডের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থার মহাসচিব তাকোর্ন তানতাসিথ বলেন, ফৌজদারি আদালতের নির্দেশ জারি হয়েছে ৩৪টি পেইজের বিরুদ্ধে। কর্তৃপক্ষ অবশিষ্ট ৯৭টি পেইজের বিরুদ্ধেও আদালতের নির্দেশ পাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে কোন নথিই এখনও ফেসবুকের কাছে পাঠানো হয়নি। তিনি সাংবাদিকদের আরো বলেন, ফেসবুক এই ইস্যুতে থাইল্যান্ডের সঙ্গে সহযোগিতা করছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে ফেসবুক কোনো মন্তব্য করেনি।
২০১৫ সালে ফেসবুক থাইল্যান্ডে একটি কার্যালয় খোলে। প্রায় ৩.৪ কোটি থাই নাগরিক ফেসবুক ব্যবহার করে প্রতি মাসে। বৈশ্বিক গড় পরিমাণের চেয়েও থাইরা প্রায় ৩ গুণ বেশি পোস্ট করে থাকে ফেসবুকে। ফেসবুক আগে বলেছে, সরকারের পক্ষ থেকে আসা পোস্ট সরানোর অনুরোধগুলো তারা সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করে থাকে। যদি কোনো কনটেন্ট স্থানীয় আইন লঙ্ঘন করে থাকে, তাহলে ওই দেশে ওই পোস্ট মুছে দেয়া হয়। যারা ওই কনটেন্টে প্রবেশের চেষ্টা করেন, তাদেরকে এই বিষয়টি জানিয়েও দেয়া হয়।



 
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন