অংশগ্রহণমূলক বাণিজ্য নিশ্চিতের প্রত্যয় চীনা প্রেসিডেন্টের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৬ মে ২০১৭, মঙ্গলবার
চীনের নেতৃত্বাধীন উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ বেল্ট অ্যান্ড রোড-এর অধীনে একটি মুক্ত অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং স্বাধীন ও অংশগ্রহণমূলক বাণিজ্য নিশ্চিতে সোমবার নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ২৯টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান। বেইজিং-এ এই প্রকল্প নিয়ে দুই দিনব্যাপী সমাবেশে এই ৩০টি দেশ নিয়মভিত্তিক অবৈষম্যমূলক বাণিজ্যিক কাঠামো উৎসাহিত করতে সক্ষম হয়েছে। এই কাঠামোর কেন্দ্রে থাকবে ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন। সব নেতার স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে, তারা সংরক্ষণবাদিতার বিরুদ্ধে থাকারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ খবর দিয়েছে রয়টার্স।
খবরে বলা হয়, এই যৌথ প্রজ্ঞাপনে চীন ও অবশিষ্ট ২৯টি দেশ ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’-এর ভিত্তিতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বিস্তারের ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন। সভার সমাপনী বক্তব্যে শি জিনপিং বলেন, ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড উন্নয়নের মাধ্যমে আমাদের আশা হলো, আমরা বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির জন্য নতুন অর্থনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটাবো।
বৈশ্বিক উন্নয়নের জন্য নতুন প্ল্যাটফরম নির্মাণ করবো। এবং অর্থনৈতিক বিশ্বায়নে পুনঃভারসাম্য আনবো যাতে করে মানবজাতি অভিন্ন ভাগ্যের সম্প্রদায়ে পরিণত হতে আরো অগ্রসর হতে পারে।’ চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের অংশগ্রহণমূলক সুর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির একেবারে বিপরীত। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতে আন্তঃপ্রশান্ত-মহাসাগরীয় আংশীদারিত্ব (টিপিপি) চুক্তি বাতিলের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। রোববার পুনরুজ্জীবিত ‘সিল্ক রোডে’র জন্য ১২৪০০ কোটি ডলার বরাদ্দের ঘোষণা দেন শি জিনপিং। এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্যিক সংযোগ সৃষ্টি ও অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে চীন এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজে নেমে পড়েছে। কিছু পশ্চিমা কূটনীতিক এই উদ্যোগ নিয়ে অবশ্য অস্বস্তির কথা ব্যক্ত করেছেন। তারা একে দেখছেন, বিশ্বব্যাপী চীনা প্রভাব ছড়ানোর প্রচেষ্টা হিসেবে। তারা এই উদ্যোগে বিদেশি কোম্পানির প্রবেশাধিকার ও স্বচ্ছতা নিয়েও উদ্বিগ্ন। জার্মানি বলেছে, দেশটির কোম্পানিগুলো এই প্রচেষ্টায় থাকতে ইচ্ছুক, তবে আরো স্বচ্ছতা দরকার। সোমবার ইউরোপিয়ান কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জিকরি কাতাইনেন বলেন, এই সম্মেলনের সঙ্গে যুক্ত মন্ত্রীপর্যায়ের বিবৃতি ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলো স্বাক্ষর করবে না। তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য সংক্রান্ত ইস্যুতে ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পক্ষে দরকষাকষির ম্যান্ডেট রয়েছে ইউরোপিয়ান কমিশনের। কিন্তু আমাদেরকে ওই বিবৃতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ দেয়া হয়নি। তবে এটি বড় ইস্যু নয়। চীনা কর্তৃপক্ষ যেই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে এবং কী কী হওয়া উচিত ও অবশ্যই হতে হবে তা নিয়ে যে যৌথ বোঝাপড়া, তা খুবই ইতিবাচক।’ অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী রোববার বলেন, এই উদ্যোগে বাণিজ্যিক সুযোগ উপস্থাপিত হয়েছে। তা অন্বেষণে আমরা ইচ্ছুক। তবে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হবে জাতীয় স্বার্থে।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

মৌলভীবাজারে শোকের মাতম

বিয়ানীবাজারের খালেদের দুঃসহ ইউরোপ যাত্রা

১১ দফা প্রস্তাব নিয়ে ইসিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ

‘প্রধান বিচারপতি ফিরে এসেই কাজে যোগ দিতে পারবেন’

খালেদা জিয়া ফিরছেন আজ

ব্লু হোয়েলের ফাঁদে আরো এক কিশোর

তিন ইস্যু গুরুত্ব পাবে সুষমার সফরে

প্রি-পেইডে সুবিধা বেশি আগ্রহ কম

ভারত থেকে ৩৭৮ কোটি টাকার চাল কিনছে সরকার

ছাত্রলীগ কর্মী মিয়াদ খুন নিয়ে উত্তপ্ত সিলেট

ইস্যু হতে পারে সমস্যার পাহাড়

দ্বিতীয়বার সংসার না করায় খুন

যেভাবে পালিয়ে আসছে রোহিঙ্গারা, ড্রোন থেকে নেয়া ভিডিও

সিলেটে কাল থেকে পরিবহন ধর্মঘট

ফুটবলকে বিদায় জানালেন কাকা

৩৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ