প্রথম কর্মদিবসে যা করবেন ফ্রান্সের নতুন প্রেসিডেন্ট

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৫ মে ২০১৭, সোমবার
শপথ নেয়ার পর আজ সোমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম কর্মদিবস শুরু করছেন ফ্রান্সের নতুন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রন। এদিন তার প্রধান কাজ হলো একজন প্রধানমন্ত্রী বেছে নেয়া। এ কাজটি তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আগামী মাসেই সেখানে পার্লামেন্ট নির্বাচনে। সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে তার অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি সামনে তুলে ধরতে হবে। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে একজন চৌকষ ও দক্ষ ব্যক্তিত্বকে খুঁজে নিতে হবে।
এ কাজটি সম্পন্ন করে পরের দিকে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেলের সঙ্গে সাক্ষাত করতে তার জার্মান সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। গতকাল রোববার এলিসি প্রাসাদে জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। এর মধ্য দিয়ে ৩৯ বছর বয়সী ম্যাক্রন হন ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রেসিডেন্ট। এদিন ৬৪ বছর বয়সে ফার্স্টলেডির খেতাব যুক্ত হয় তার স্ত্রী ব্রিজিতের নামের আগে। ব্রিজিত ছিলেন তার স্কুল জীবনের শিক্ষিকা। তখন টিনেজ বয়সেই তার প্রেমে পড়েছিলেন ম্যাক্রন। ব্রিজিত বিবাহিত ও সন্তানের মা হওয়া সত্ত্বেও ১৫ বছর বয়সী ম্যাক্রন তার মাঝে খুঁজে পেয়েছিলেন ভালবাসা। তাই ১৭ বছর বয়সে তিনি ব্রিজিতকে কথা দিয়েছিলেনÑ আমি তোমাকে বিয়ে করবোই। কথা আর কাজে মিল রেখেছেন ম্যাক্রন। নিজের থেকে ২৫ বছরের বড় তিন সন্তানের মা ব্রিজিতকে তিনি স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছেন। আর শেষ পর্যন্ত সেই ব্রিজিতের নামের আগে যুক্ত করে দিলেন ফার্স্টলেডি। এলিসি প্রাসাদের মতো বিলাসিতাময় ভবন নিশ্চিত করলেন তার জন্য। সবই যেন তার ভালবাসায় পূর্ণ। সে যা-ই হোক। আজ সোমবার ম্যাক্রন তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাকে বেছে নেন সেদিকেই আপাতত সবার দৃষ্টি। এ বিষয়ে ম্যাক্রন মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তবে প্যারিস থেকে বিবিসির সাংবাদিক হিউ স্কোফিল্ড বলছেন, ম্যাক্রনের পছন্দের পাত্র হতে পারেন লি হাভরে’র মেয়র এডুয়ার্ড ফিলিপ্পে। তিনি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রনের নতুন দল লা রিপাবলিক এন মার্চ-এর সদস্য নন। তবে ডানপন্থি রিপাবলিকান তিনি। এ জন্য তাকেই বেছে নিতে পারেন ম্যাক্রন। কারণ, তিনি এখন চেষ্টা করবেন রক্ষণশীল বিরোধীদের মধ্য থেকে শীর্ষ স্থানীয় বেশির ভাগ নেতাকে নিজের শিবিরে বাগিয়ে নিতে। ওদিকে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রনের জার্মান সফর নিয়ে আলোচনা চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, অ্যাঙ্গেলা মারকেলের সঙ্গে তার সাক্ষাত হবে আন্তরিকতায় পূর্ণ। কারণ, ম্যাক্রন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতি কঠোর সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি ইউরোজোন বা ইউরোপীয় অঞ্চলে সংস্কার করার কথা বলেছেন। বলেছেন, ইউরোজোনের জন্য একটি অভিন্ন বাজেটের কথা। এক্ষেত্রে জার্মানির সমর্থন প্রয়োজন ম্যাক্রনের। অন্যদিকে জার্মানি চাইছে ফ্রান্স তার স্ট্রাকচারাল পরিবর্তন আনুক। যেমন সরকারি খরচ কমিয়ে আনুক। শ্রম বাজারে যে কঠোর নীতি আছে তা সংস্কার করুক। এমন সংস্কারের প্রতি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ম্যাক্রন। তিনি চান অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও বেকারত্ব কমিয়ে আনতে। ওদিকে সামনেই পার্লামেন্ট নির্বাচন নিয়ে তার নতুন দলকে নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। আগামী মাসের এ নির্বাচনে তার দল রিপাবলিক এন মার্চ ৪ শতাধিক প্রার্থীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে এ তালিকায় এমন প্রার্থী রয়েছেন যাদের অনেকের এর আগে নির্বাচিত প্রতিনিধি হয়ে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা নেই।

 

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

সাবেক প্রক্টর কারাগারে, প্রতিবাদে অবরুদ্ধ চবি

আপন জুয়েলার্সের তিন মালিকের জামিন স্থগিত

এবারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস

‘বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেনা’

লেবাননে বৃটিশ কূটনীতিককে শ্বাসরোধ করে হত্যা

বিমানে দেখা এরশাদ-ফখরুলের

হলফনামার তথ্য গ্রহণযোগ্য নয়: সুজন

ছিনতাইকারীর টানাটানিতে মায়ের কোল থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

গুজরাট ও হিমাচলে বিজেপিই জিততে চলেছে

আরো ৪০ রোহিঙ্গা গ্রাম ভস্মীভূত:  এইচআরডব্লিউ

ভর্তি জালিয়াতি সন্দেহে রাবির দুই ছাত্রলীগ নেতা আটক

‘এটাও কিন্তু একটা চ্যালেঞ্জের বিষয়’

সৌদিই ব্যতিক্রম

তাদের কি বিবেক বলে কিছু নেই

ঢাকা উত্তরের উপনির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে

‘উন্নয়ন কথামালায়, মানুষ কষ্টে আছে’