মুসলিম দেশগুলো পর্যাপ্ত পাইলট তৈরি করতে হবে

মত-মতান্তর

খলকু কামাল, নিউ ইয়র্ক থেকে | ৬ মে ২০১৭, শনিবার
সম্প্রতি বিশ্বের শীর্ষ মুরব্বি ওয়াশিংটনে এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশগুলোতে তেল ও অর্থের অভাব নেই। অতএব তাদের রাজা-বাদশাদের উচিত অন্যের দিকে না তাকিয়ে এখন থেকে নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করা। সাথে সাথে ন্যাটো সামরিক জোটের প্রতি তাঁর পরামর্শ, আপনারা নিজেরা শক্তিশাল হোন। জার্মান চ্যান্সেলর মারকেল চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এবার তার সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে আরো আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য অর্ডার দিয়েছেন যাতে বিমান মিসাইল, ক্ষেপণাস্ত্রসহ থেকে সব ধরনের মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে তার দেশকে সুসজ্জিত করে বিশ্বকে দেখিয়ে দিবেন যে, জার্মান কী না পারে! ইউরোপের মধ্যে জার্মানই একমাত্র দেশ এই মুহূর্তে যাদের অর্থনৈতিক অবস্থা নাম্বার ওয়ানে। সোয়া আট কোটি জনগণের দেশ জার্মান দুনিয়ার সব নামীদামী পণ্য-সামগ্রী, ইলেক্ট্রনিক টেকনিক্যাল পণ্য ও হসপিটাল সরঞ্জামসহ সর্বক্ষেত্রে তারা সর্বসেরা। জার্মান বিশে^র অন্যতম শিল্পোন্নত রাষ্ট্র।
ভারি শিল্পসহ বিশে^র নামিদামি ব্রান্ডের মটরযান ও বিমানসামগ্রী তৈরির জন্য তারা খ্যাত।
এখন মুসলিম বিশ্বের দরবারে আমার গুরুত্বপূর্ণ আরজ। বিশ্বে জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৯৩। এর মধ্যে মুসলিম হলো ৫৫টি। এরই মাঝে প্রায় ডজন খানিক দেশে গত এক যুগ থেকে বিমান ব্যবসার প্রতি অধিক মনোযোগ দেওয়ার কারণে এখন নিজেদের মধ্যে প্রচ- প্রতিযোগিতা শুরু করে নিত্যনতুন বিমানবন্দর তৈরি থেকে নিয়ে সর্বশেষ মডেলের বিমান কেনার হিড়িক চলছে। কেউ কাউকে তোয়াক্কা না করে প্রত্যেকে যার যার মতো বিশ্বের নামী-দামী বড় ২টি যাত্রীবাহী বিমান কোম্পানীর কাছে ৫০ থেকে ৫০০ শত পর্যন্ত বিমানের অর্ডার দিচ্ছে। আমরা অতীতে দেখেছি, যাত্রীবাহী বিমান তৈরিতে আমেরিকার বোয়িং ফ্রান্সের এয়ার বাস কোম্পানী শীর্ষে ছিলো। এবার তাদের সাথে যোগ দিয়েছে ব্রাজিল ও রাশিয়া। তারাও কম রেইটে অনেক দেশের অর্ডার নিচ্ছে আর তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে। ইরান চাচ্ছে নতুন বিমান কিনে তাদের দেশে একটি শক্তিশালী এয়ার লাইন্স কোম্পানি গড়ে তুলতে। তারা যে ৫০০শত বিমানের অর্ডার দিয়েছে ওইগুলো ডেলিভারি পেতে ১০ বছর অপেক্ষা করতে হবে। এখন আমার কথা হলো, উজির-নাজিরদের দেশে এত অর্থ, ডলার আর পেট্রোল আছে বলেই আজকে তরতাজা নতুন বিমান কিনে কোন বাহাদুরী না দেখিয়ে আগে ওইগুলোকে রক্ষণাবেক্ষণ অথবা কিভাবে লালন-পালন করা যায়, তার বিকল্প চিন্তা করা। এ জন্য দরকার নিজ দেশের শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে থেকে নতুন পাইলট, ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার, এয়ার ক্রু সহ অন্যন্য দক্ষ কর্মচারী তৈরি করা।
গত বছর নিউইয়র্কে একটি পত্রিকায় শীর্ষ খবর ছিলো বিশ্বের বড় বড় এয়ারলাইনগুলো যে হারে নতুন নতুন বিমান কেনার অর্ডার দিচ্ছে, তাতে আগামী ২০ বছরের মধ্যে বর্তমান পৃথিবীতে নতুন ৫ লাখ পাইলট দরকার পড়বে। তাই ধনী মুসলিম দেশগুলোর রাজা-বাদশাহের উচিত প্রথমে নিজ দেশের শিক্ষিত যুবক থেকে পর্যাপ্ত পাইলট বের করা। এ জন্য দরকার সঠিক চিন্তা-ফিকির করে অগ্রসর হওয়া। শুধু ধান্ধা যদি থাকে পয়সা হায় তো কুচ পরওয়া নেহি। বাইরে থেকে ভাড়াটিয়া পাইলট ইঞ্জিনিয়ার এনে কাজ চালিয়ে যাওয়ার চিন্তা করা হলে সেটা হবে মারাত্মক বোকামী।
আল্লাহ পাকের দেয়া অফুরন্ত পেট্রো ডলারের দেশ সৌদি আরব এবারও অস্ত্র কেনার শীর্ষে। দুনিয়ার সব অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র কিনে তার দেশে মজুত করছে অথচ ওইগুলো অপারেট করার মতো দক্ষ লোকের এতই অভাব, তারা বাধ্য হয়ে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে বাইরে থেকে এক্সপার্ট নিয়ে আসে। অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রপতি ড. রোহানী বলেছেন, তারা আর বসে থাকবেন না। এখনই তার দেশে বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র ও নতুন নতুন মেডিসিন কারখানা তৈরি করবেন। মুসলিম বিশ্বের এত অর্থ ডলার সুনাগরিক ও দক্ষ জনশক্তির কাজে ব্যয় করা হবে উত্তম পন্থা।
অপ্রিয় হলে সত্যি যে, ৩৩ কোটি জনগণের দেশ মার্কিন মুল্লুকের ৭১ বছরের শীর্ষ পাগলা ট্রাম্প মিয়ার কথাকে অত্যান্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘বাই আমেরিকান, হায়ার আমেরিকান’। তাঁর দেশপ্রেমের জন্য তাঁকে অজ¯্র ধন্যবাদ।
আমার প্রশ্ন, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো পাইলট তৈরি করতে পারলে আমার মুসলিম দেশ কেনো পারবে না। আমাদের মধ্যে প্রথম দরকার শক্তিশালী ঐক্য ও সীমাহীন আন্তরিকতা এবং সহিনিয়ত। তবেই আল্লাহর রহমতের আশা করতে পারি।
দয়া করে ভারতরে দিকে একটু নজর দিন। সেখানে শত শত পাইলট ট্রেনিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল রয়েছে। তারা প্রতি বছর উন্নত মানের পাইলট, ইঞ্জিনিয়ার, চিকিৎসক, নার্স, আইটি তৈরি করে বহির্বিশ্বে রফতানির মাধ্যমে বছর শেষে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করছে। এর মধ্যে মুসলিম বিশ্বের শত শত ফ্লাইটসমূহে হাজার হাজার পাইলট, ইঞ্জিনিয়ার ও ক্রুরা চাকরি করে তারা অর্থনেতিকভাবে নিজেরা লাভবান হচ্ছে, পাশাপাশি তাদের দেশ আয় করছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। এখন মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর রাজা-বাদশাহদের উচিত ৫/৭ বছরের একট মহাটার্গেট নিয়ে অগ্রসর হওয়া। আর নয়, অনেক হয়েছে, এখন থেকে নিজ দেশে হুমড়ি খেয়ে পাইলট স্কুল তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়তে হবে। তাই বছরে হাজার হাজার পাইলট, ইঞ্জিনিয়ার চিকিৎসক, নার্স, আই.টি এক্সপার্ট তৈরি করে বিশ্ব বিবেককে তাক লাগিয়ে দেয়া যে মুসলিম বিশ্ব আর পিছনে নয়, শা শা করে সামনের দিকে দ্রুতগতিতে যেতে হবে।
এখনো সময় আছে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে বিমান না কিনে প্রথমে দরকার নিজ দেশে অধিক মনোযোগ দিয়ে মানুষ তৈরির কারখানা তৈরি করে নিজ দেশের শিক্ষিত ছেলেমেয়েকে পর্যাপ্ত ট্রেনিং দিয়ে দক্ষ কারিগর হিসেবে তৈরি করা। কেনো বাহির থেকে আনবো? মুসলিম ছাত্রছাত্রী কি এতই অযোগ্য? আমরা ওদেরকে বাহির থেকে এনে চাকরি দিচ্ছি এবং বছর শেষে ওরা শত শত বিলিয়ন ডলার নিয়ে যাচ্ছে, এর খবর কি রাখি? আজ যদি নিজেদের দেশের শিক্ষিত যুব সমাজ পাইলট, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার হতো তাহলে এই অর্থ নিজ দেশে খরচ হতো। সে নিজে হতো স্বাবলম্বী এবং দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরো লাভবান এবং এই অর্থ দিয়ে দেশে শত শত হাসপাতাল তৈরি করে মানুষের চাহিদা অনায়াসে পূরণ করা যেতো।
২০১৫ ও ১৬ সালে বড় বড় বিমান কোম্পানী শুধুমাত্র মুসলিম দেশের বিমান সংস্থা থেকে হাজারখানিক নতুন বিমান কিনার অর্ডার পেয়ে হিমশিম খাচ্ছে আর ভাবছে, সময় মতো ডেলিভারি দিতে পারবে কি? তবুও তারা ১০ বছর টার্গেট নিয়ে বিমান তৈরিতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। আল্লাহ চাইলে হয়তো আগামীতে মুসলিম বিশ্বের কোন একটি দেশে এইরকম বিমান তৈরি হবে ইনশাআল্লাহ। হয়তো সময় বেশি দূরে নয়।
নিউইয়র্কে শত শত আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। তারা শিক্ষিত বেকার যুবকদের তিন মাস ট্রেনিং কোর্স দিয়ে আমেরিকার শত শত প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিয়ে থাকে। চাকরিদাতাদের সাথে তাদের এগ্রিমেন্ট হয় যে, চাকরি শুরুর প্রথম ৬ মাস পুরো বেতনের ১ ভাগ ওই প্রতিষ্ঠান পাবে। ৬ মাস পর তাকে রিলিজ দেয়া হয়। তাই মুসলিম দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের উচিত ১৬ আনা আন্তরিকতার সাথে এই রকম মহাপরিকল্পনা যদি নেয়া যায়, তবে বিশ্বের ১৬০ কোটি মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে থেকে লাখ লাখ উচ্চশিক্ষিত ২০/২২ বছরের যুবকদের হায়ার করে নিজ নিজ দেশে ট্রেনিং দিয়ে পাইলট, ইঞ্জিনিয়ার, এয়ার ক্রু, ডাক্তার তৈরি করলে ৫/৬ বছরে লাখ লাখ মেধা শক্তি বেড় হবে। যাতে আগামীতে অন্য কোন জাতিগোষ্ঠীর দরবারে হাত পাততে না হয়।
আপনাদের আরো অবগতির জন্য বলছি, বর্তমানে কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অনেক দেশ থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার উচ্চ শিক্ষিত ও বিভিন্ন ক্যাটাগরির ছাত্র যুবকদের ইমিগ্রান্ট ভিসায় নিয়ে তাদের নিজ দেশে পর্যাপ্ত ট্রেনিং দিয়ে ওদেরকে বিভিন্ন সেক্টরে নিয়োজিত করে। তাই বলছিলাম বিশ্বের চতুর্থ স্থান দখল করা টার্কি এয়ার তাদের রুট ২৬২টিসহ আমিরাত, ইতিহাদ, এয়ার এরাবিয়ান ফ্লাই দুবাই, কাতার, গারুদা, আমার বিশ^াস তারাও একদিন শীর্ষে হলে যাবে।
বর্তমানে মুসলিম বিশ্বের ধনী ও প্রভাবশালী ইরান ঘোষণা দিয়েছে, অতি শিগগির তারা বিশ^ বিমান বাজারে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেভাবে মুসলিম এয়ার বাজার গরম করে অন্যান্য বিজাতীয়দের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে, হয়তো অদূর ভবিষ্যতে পুরো বাজার চলে আসবে মুসলিম বিশ্বের কাছে। ইনশাআল্লাহ মুসলিম উম্মার অন্যান্য দরিদ্র ও গরিব দেশ থেকে উচ্চ শিক্ষিত মেধাসম্পন্ন যুবকদের স্ব স্ব দেশে অবস্থিত মুসলিম দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে প্রতিটি দেশ থেকে একটি কোটা নির্ধারণ করে ওদেরকে নিজ দেশে নিয়ে এসে বিভিন্ন ফ্লাইট ট্রেনিং স্কুলে পাইলট ও ইঞ্জিনিয়ারকে এয়ার ক্রু উচ্চ বেতনের চাকরি মাধ্যমে তারা নিজেও তার দরিদ্র পরিবার স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে। এতে প্রথমে গুরুত্ব দেয়া ভারতের অবহেলিত ও মজলুম ২০ কোটি মুসলমান এবং ফিলিস্তিনের গাজা ও রামাল্লা ওই সমস্ত নির্যাতিত ও নিপড়িত ৩৭ লাখ মুসলিম ছাত্র-যুব সমাজকে। আমি আশা করি, মুসলিম দেশের বড় বড় সিটিগুলো হোক বিশ্বের ১৬০ কোটি মানুষের প্রাণপ্রিয় এয়ার লাইন্সের জন্য পাইলট ও ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার হেড কোয়ার্টার। ওই সমস্ত সিটিতে হাজার হাজার পাইলট ও ইঞ্জিনিয়ার তৈরি হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে রফতানি হবে। এতে বাইরে মুসলিম বিশ্বের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে।
সবশেষে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে শেষ করছি, গত আড়াই যুগ থেকে এ পর্যন্ত সমস্যাভিত্তিক অজস্র লেখালেখি করে ওই গুলো কাজের মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে লবিং করছি এবং করে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম বিশ্বের সমস্যা লেখাটি ইংরেজি অনুবাদ করে নিউইয়র্ক ও লন্ডনে অবস্থিত ওই সমস্ত মুসলিম দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে স্ব স্ব দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের কাছে অনুলিপি পাঠাবো। দুনিয়া থেকে শেষ বিদায়ের আগ পর্যন্ত রাব্বুল আলামীনের কাছ থেকে পাওয়া ক্ষুদ্র মেধাশক্তি দেশের ১৭ কোটিসহ ১৬০ কোটি মুসলিম নর-নারীর উন্নয়নের স্বার্থে ১৬ আনা আন্তরিকতার সাথে আল্লাহ হাজির নাজির করে কাজ করবো। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যতটুকু দরকার, লবিং করে যাবো। পত্রপত্রিকায় লিখে ও দূতাবাসের মাধ্যমে লেখা প্রেরণ করে বসে থাকার পাত্র আমি নই। প্রতি তিন মাস অন্তর ফলোআপ করে আমার লবিং চলছে চলবে জান কবজ হওয়ার আগ পর্যন্ত ইনশাআল্লাহ। আল্লাহপাক আমার কষ্ট কবুল করুন। আমিন।

খলকু কামাল: লেখক, গবেষক ও সমাজসেবক।

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আপনার মতামত দিন

বিদেশি হস্তক্ষেপ রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান হবে না : বেইজিং

ছাত্রলীগ নেতাসহ তিনজন চারদিনের রিমান্ডে

সোনাজয়ী শুটার হায়দার আলী আর নেই

মালয়েশিয়ায় ভূমি ধসে তিন বাংলাদেশি নিহত

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মুক্তামনি

খাল থেকে উদ্ধার হলো হৃদয়ের লাশ

রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানকে কঠিন পর্যায়ে নিয়ে গেছে সরকার: খসরু

সঙ্কট সমাধানে প্রয়োজন পরিবর্তন: দুদু

চোখের চিকিৎসা করাতে লন্ডনে গেলেন প্রেসিডেন্ট

সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না

বৌদ্ধ ভিক্ষু সেজে কয়েক শত কিশোরীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক

৫০ বছরের মধ্যে জাপানে কানাডার প্রথম সাবমেরিন

ছিচকে চোর থেকে মাদক সম্রাট!

বোতলে ভরা চিঠি সমুদ্র ফিরিয়ে দিল ২৯ বছর পর!

কার সমালোচনা করলেন বুশ, ওবামা!

জুমের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেনা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা